, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
গোপালগঞ্জে এস এ পরিবহনে কোটি টাকার মা-দ-ক চোরা-চালান” ম্যানেজার আটক কালাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী নওগাঁ জেলায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন সিরাজগঞ্জে হ-ত্যা মাম-লার ৬ জনের যাব-জ্জীবন কারাদণ্ড কাউনিয়ায় নিরাপদ অভিবাসন নিয়ে প্রবাসবন্ধু ফোরামের ত্রৈমাসিক সভা কাউনিয়ায় পাকা সেতু না থাকায় ডিঙি নৌকায় ঝুঁকি নিয়ে নদী পারাপার সিটি কর্পোরেশনের খেলার মাঠের সুব্যবস্থাকরণের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের সভাপতিত্বে সভা অনুষ্ঠিত রাজশাহী সদর দলিল লেখক সমিতির পক্ষ থেকে জেলা পরিষদের প্রশাসককে ফুলেল শুভেচ্ছা ভেটেরিনারি চিকিৎসকের ওপর হা-ম-লার ঘটনায় বাকৃবিতে প্রতিবাদ রাষ্ট্রপতির একান্ত সচিব পদে ঠাকূরগাঁওয়ের কৃতি সন্তান আউয়াল আহমেদ

শ্যামনগরের গাবুরায় অবৈধ নাইনটি উচ্ছেদ অভিযান

  • MD KAMRUL HASAN, NEWS EDITOR, DAINIK AMAR PATRIKA
  • আপডেট সময় ০৮:১৭:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬
  • 29

শ্যামনগরের গাবুরায় অবৈধ নাইনটি উচ্ছেদ অভিযান

৩৯

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার ১২নং গাবুরা ইউনিয়নে মেঘা প্রকল্পের নবনির্মিত ভেড়িবাঁধ রক্ষা ও জনস্বার্থে এক বিশেষ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে বাঁধের ওপর মৎস্যঘের ব্যবসায়ীদের অবৈধভাবে স্থাপিত ক্ষতিকর ‘নাইনটি’ (লবণ পানি নিষ্কাশন ও উত্তোলনের পাইপ) অপসারণ করা হয়।

আজ ৭জুলাই গাবুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব জি. এম. মাছুদুল আলমের নেতৃত্বে এলাকার সুধীজন, মুরুব্বী ও স্থানীয় যুবসমাজকে সঙ্গে নিয়ে এই অপসারণ অভিযান শুরু হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপকূলীয় অঞ্চলের সুরক্ষায় সরকারের মেগা প্রকল্পের আওতায় নির্মিত টেকসই ভেড়িবাঁধের ওপর দিয়ে কিছু মৎস্যঘের মালিক অবৈধভাবে ‘নাইনটি’ পাইপ স্থাপন করে আসছিলেন। এর ফলে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই বাঁধটি চরম ঝুঁকিতে পড়েছিল। নদী ভাঙন ও পরিবেশ বিপর্যয়ের হাত থেকে এলাকাকে রক্ষা করতে এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

অভিযান চলাকালে ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব জি. এম. মাছুদুল আলম স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “আজ থেকে গাবুরা ইউনিয়নে আর কোনো অবৈধ ‘নাইনটি’ স্থাপন করতে দেওয়া হবে না। নদী, ভেড়িবাঁধ ও পরিবেশ রক্ষায় এবং জনস্বার্থে এ ধরনের অবৈধ স্থাপনার বিরুদ্ধে আমাদের এই অভিযান ভবিষ্যতেও ধারাবাহিকভাবে পরিচালিত হবে।

ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে সকল ঘের মালিক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রতি জোর অনুরোধ জানিয়ে বলা হয়েছে, ভেড়িবাঁধ বা জনস্বার্থবিরোধী কোনো স্থানে যেন কোনো ধরনের অবৈধ ‘নাইনটি’ স্থাপন করা না হয়। যাদের এখনও এ ধরনের অবৈধ পাইপ বা স্থাপনা রয়েছে, তাদের দ্রুত নিজ উদ্যোগে তা অপসারণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যথায় জনস্বার্থে প্রচলিত আইন অনুযায়ী অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। নদী, ভেড়িবাঁধ ও উপকূলীয় অঞ্চলের পরিবেশ রক্ষায় এলাকার সর্বস্তরের জনগণকে আইন মেনে চলার এবং এই অভিযানে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন ও ইউনিয়ন পরিষদ।

জনপ্রিয় সংবাদ
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা

গোপালগঞ্জে এস এ পরিবহনে কোটি টাকার মা-দ-ক চোরা-চালান” ম্যানেজার আটক

শ্যামনগরের গাবুরায় অবৈধ নাইনটি উচ্ছেদ অভিযান

আপডেট সময় ০৮:১৭:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬
৩৯

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার ১২নং গাবুরা ইউনিয়নে মেঘা প্রকল্পের নবনির্মিত ভেড়িবাঁধ রক্ষা ও জনস্বার্থে এক বিশেষ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে বাঁধের ওপর মৎস্যঘের ব্যবসায়ীদের অবৈধভাবে স্থাপিত ক্ষতিকর ‘নাইনটি’ (লবণ পানি নিষ্কাশন ও উত্তোলনের পাইপ) অপসারণ করা হয়।

আজ ৭জুলাই গাবুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব জি. এম. মাছুদুল আলমের নেতৃত্বে এলাকার সুধীজন, মুরুব্বী ও স্থানীয় যুবসমাজকে সঙ্গে নিয়ে এই অপসারণ অভিযান শুরু হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপকূলীয় অঞ্চলের সুরক্ষায় সরকারের মেগা প্রকল্পের আওতায় নির্মিত টেকসই ভেড়িবাঁধের ওপর দিয়ে কিছু মৎস্যঘের মালিক অবৈধভাবে ‘নাইনটি’ পাইপ স্থাপন করে আসছিলেন। এর ফলে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই বাঁধটি চরম ঝুঁকিতে পড়েছিল। নদী ভাঙন ও পরিবেশ বিপর্যয়ের হাত থেকে এলাকাকে রক্ষা করতে এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

অভিযান চলাকালে ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব জি. এম. মাছুদুল আলম স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “আজ থেকে গাবুরা ইউনিয়নে আর কোনো অবৈধ ‘নাইনটি’ স্থাপন করতে দেওয়া হবে না। নদী, ভেড়িবাঁধ ও পরিবেশ রক্ষায় এবং জনস্বার্থে এ ধরনের অবৈধ স্থাপনার বিরুদ্ধে আমাদের এই অভিযান ভবিষ্যতেও ধারাবাহিকভাবে পরিচালিত হবে।

ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে সকল ঘের মালিক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রতি জোর অনুরোধ জানিয়ে বলা হয়েছে, ভেড়িবাঁধ বা জনস্বার্থবিরোধী কোনো স্থানে যেন কোনো ধরনের অবৈধ ‘নাইনটি’ স্থাপন করা না হয়। যাদের এখনও এ ধরনের অবৈধ পাইপ বা স্থাপনা রয়েছে, তাদের দ্রুত নিজ উদ্যোগে তা অপসারণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যথায় জনস্বার্থে প্রচলিত আইন অনুযায়ী অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। নদী, ভেড়িবাঁধ ও উপকূলীয় অঞ্চলের পরিবেশ রক্ষায় এলাকার সর্বস্তরের জনগণকে আইন মেনে চলার এবং এই অভিযানে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন ও ইউনিয়ন পরিষদ।