, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
এসএসসির ফল প্রকাশ: পাসের হার ৬২.২৫%, জিপিএ-৫ ১.১৬ লাখ ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ: পাসের হার ৬২.২৫% মাদারীপুরের শিবচরে রাতের আঁধারে গরিব কৃষকের ফলন্ত লাউ ও বেগুন ক্ষেত ধ্বংস, দিশেহারা পরিবার ইসলামপুরে মাদক-সন্ত্রাস ও দুর্নীতি দমনে আলোচনা সভা, মানবাধিকার কর্মী বরণ ঈশ্বরগঞ্জ মডেল মসজিদে ‘প্রেমিনস্ক্রিপশন’, প্রশ্নের মুখে মূল্যবোধ গোপালগঞ্জে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের ৬ নেতার পদত্যাগ একটু বৃষ্টিতেই ডুবে যায় সড়ক, বছরের পর বছর দুর্ভোগ বর্ণিবাসীর ক্লাসের পড়া ক্লাসে পড়ালে কোনো ছাত্র-ছাত্রীকে প্রাইভেট পড়তে হবে না’ : সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মাগুরায় যথাযথ মর্যাদায় পালিত হলো আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস ভঙ্গুর অর্থনীতির মাঝেও ইতিহাস গড়ার আশাবাদ: লালপুরে প্রতিমন্ত্রী পুতুলের

একটু বৃষ্টিতেই ডুবে যায় সড়ক, বছরের পর বছর দুর্ভোগ বর্ণিবাসীর

১০

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার বর্ণি ইউনিয়নে সামান্য বৃষ্টিতেই পানিতে তলিয়ে যায় বর্ণি উচ্চ বিদ্যালয়ের পেছনের গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি। হাঁটুসমান পানিতে ডুবে থাকা সড়ক দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন শিক্ষার্থীসহ শত শত মানুষ। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়া এবং পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় বর্ষা এলেই চরম দুর্ভোগে পড়েন এলাকাবাসী।

স্থানীয়রা জানান, বর্ণি উচ্চ বিদ্যালয়ের মূল সড়ক থেকে পুরোনো হাটখোলা হয়ে গুচ্চ গ্রাম পর্যন্ত বিস্তৃত এ সড়কটি এলাকার মানুষের অন্যতম প্রধান চলাচলের পথ। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় সড়কটি নিচু হয়ে গেছে। পাশাপাশি দেয়াল ও বিদ্যালয়ের ভবনের কারণে পানি নিষ্কাশনের পথ সংকুচিত হয়ে পড়েছে। ফলে অল্প বৃষ্টিতেই সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতা।

সড়কটি দিয়ে বর্ণি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৩০টি পরিবারসহ প্রায় ৩০০ পরিবারের মানুষ চলাচল করেন। পানি জমে থাকায় ভ্যান, অটোরিকশা ও ইজিবাইক চালকরাও পড়েন বিপাকে। বিশেষ করে ব্যাটারিচালিত যানবাহন পানিতে চলাচল করায় ক্ষতির আশঙ্কা থাকে।

টুঙ্গিপাড়া উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ গাজী বলেন, “রাস্তাটি আমার বাড়ির সংলগ্ন। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও আশ্রয়ণ প্রকল্পের পরিবারসহ প্রায় ৩০০ পরিবারের চলাচলের একমাত্র পথ এটি। দ্রুত সড়ক সংস্কারের পাশাপাশি পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।”

বর্ণি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর কবির বলেন, “সরেজমিনে গিয়ে রাস্তাটির দুরবস্থা দেখেছি। দ্রুত সমস্যাটি সমাধানের ব্যবস্থা করা হবে। ইউনিয়নের মানুষের বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।”

এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত সড়কটি সংস্কারের পাশাপাশি কার্যকর পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা করা হোক। তাদের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ উদ্যোগ নিলে বর্ষা মৌসুমের দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা ও যাতায়াতের দুর্ভোগ থেকে মুক্তি মিলবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা

এসএসসির ফল প্রকাশ: পাসের হার ৬২.২৫%, জিপিএ-৫ ১.১৬ লাখ

একটু বৃষ্টিতেই ডুবে যায় সড়ক, বছরের পর বছর দুর্ভোগ বর্ণিবাসীর

আপডেট সময় ০৭:২৮:৩০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬
১০

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার বর্ণি ইউনিয়নে সামান্য বৃষ্টিতেই পানিতে তলিয়ে যায় বর্ণি উচ্চ বিদ্যালয়ের পেছনের গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি। হাঁটুসমান পানিতে ডুবে থাকা সড়ক দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন শিক্ষার্থীসহ শত শত মানুষ। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়া এবং পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় বর্ষা এলেই চরম দুর্ভোগে পড়েন এলাকাবাসী।

স্থানীয়রা জানান, বর্ণি উচ্চ বিদ্যালয়ের মূল সড়ক থেকে পুরোনো হাটখোলা হয়ে গুচ্চ গ্রাম পর্যন্ত বিস্তৃত এ সড়কটি এলাকার মানুষের অন্যতম প্রধান চলাচলের পথ। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় সড়কটি নিচু হয়ে গেছে। পাশাপাশি দেয়াল ও বিদ্যালয়ের ভবনের কারণে পানি নিষ্কাশনের পথ সংকুচিত হয়ে পড়েছে। ফলে অল্প বৃষ্টিতেই সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতা।

সড়কটি দিয়ে বর্ণি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৩০টি পরিবারসহ প্রায় ৩০০ পরিবারের মানুষ চলাচল করেন। পানি জমে থাকায় ভ্যান, অটোরিকশা ও ইজিবাইক চালকরাও পড়েন বিপাকে। বিশেষ করে ব্যাটারিচালিত যানবাহন পানিতে চলাচল করায় ক্ষতির আশঙ্কা থাকে।

টুঙ্গিপাড়া উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ গাজী বলেন, “রাস্তাটি আমার বাড়ির সংলগ্ন। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও আশ্রয়ণ প্রকল্পের পরিবারসহ প্রায় ৩০০ পরিবারের চলাচলের একমাত্র পথ এটি। দ্রুত সড়ক সংস্কারের পাশাপাশি পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।”

বর্ণি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর কবির বলেন, “সরেজমিনে গিয়ে রাস্তাটির দুরবস্থা দেখেছি। দ্রুত সমস্যাটি সমাধানের ব্যবস্থা করা হবে। ইউনিয়নের মানুষের বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।”

এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত সড়কটি সংস্কারের পাশাপাশি কার্যকর পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা করা হোক। তাদের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ উদ্যোগ নিলে বর্ষা মৌসুমের দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা ও যাতায়াতের দুর্ভোগ থেকে মুক্তি মিলবে।