, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ঈশ্বরগঞ্জের সরিষা মারুয়াখালীতে তরুণীকে ধ-র্ষ-ণের অভিযোগ, তিন আসামি গ্রে-প্তার দক্ষিণবঙ্গের কৃতি সন্তান জনতা ব্যাংকের ডিএমজি মরহুম কাজী রইস উদ্দিন আহমেদের স্মরণে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অ-বৈধ অনুপ্রবেশ, বাঙালি যুবকের ৩ মাসের কা-রাদ-ণ্ড মহাসড়কে শিক্ষার্থীদের নির্বিঘ্নে যাতায়াত ও ছিন-তাই রোধে চৌদ্দগ্রাম যুবদল নেতা জাকিরের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ কাউনিয়ায় আমনের বাম্পার ফলনের আশা, শেষ বেলায় পোকার শঙ্কা বকশীগঞ্জে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে সাংবাদিকদের মানববন্ধন শ্রীপুর গোয়ালদা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নবগঠিত ব্যবস্থাপনা কমিটির পরিচিত সভা অনুষ্ঠিত কক্সবাজারে ই-য়া-বাসহ দুইজন গ্রে-প্তার, মোটরসাইকেল জ-ব্দ ডেঙ্গু প্রতিরোধে বাকৃবি রোভার স্কাউটের পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি মাগুরা শ্রীপুরে স্বাক্ষর জা-ল ও মিথ্যা মা-ম-লার প্রতিবাদে শিমু খাতুনের সংবাদ সম্মেলন

পিরোজপুরে ২২০ কেজি হরিণের মাংসসহ গ্রেপ্তার ২

৩৪

পিরোজপুরের নেছারাবাদে প্রায় ২২০ কেজি হরিণের মাংসসহ দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে নৌপুলিশ। সোমবার (৩১ আগস্ট) উপজেলার ভরতকাঠি বেলুয়ানদী এলাকায় থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় একটি কাঠের ট্রলার থেকে বিপুল পরিমাণ মাংসসহ তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার খাসতবক গ্রামের সুলতান হাওলাদারের ছেলে মো. খলিল (৪১) এবং একই উপজেলার তাফালবাড়িয়া গ্রামের চান মিয়া মাঝির ছেলে বাবুল ফরাজি (৪২)।

নেছারাবাদের দৈহারী নৌপুলিশ ফাঁড়ি ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার দুপুরে উপজেলার বেলুয়া নদীর ভরতকাঠি খেয়াঘাট এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়। এ সময় একটি কাঠের ট্রলারে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ২২০ কেজি হরিণের মাংস উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে মাংস পরিবহনের অভিযোগে খলিল ও বাবুল ফরাজিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে বরগুনার পাথরঘাটা এলাকা থেকে বিভিন্ন নৌপথে নেছারাবাদে অবৈধভাবে হরিণের মাংস নিয়ে আসা হচ্ছিল। কাঠবোঝাই, গোলপাতাবোঝাই এমনকি মাছ ধরার ট্রলারে করে এসব মাংস পরিবহন করা হয় বলে স্থানীয়রা জানান। পরবর্তীতে নেছারাবাদের বিভিন্ন স্থানে থাকা চোরাকারবারিদের হাতে এসব মাংস পৌঁছে দেওয়া হতো।

স্থানীয় অধিবাসীদের অভিযোগ, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন সময়ের অভিযানে হরিণের মাংস কারবারের সঙ্গে জড়িত কয়েকজন আটক হলেও পুরোপুরি বন্ধ হয়নি এই অবৈধ বাণিজ্য। উপরন্তু চোরাই পথে আনা এসব মাংসের একটি অংশ দীর্ঘ সময় ধরে সংরক্ষণ করায় তা পচে যায় এবং সেই পচা মাংসই বাজারে বিক্রি করা হয়। এমনকি মাঝে মাঝে হরিণের মাংসের সঙ্গে শিয়ালের মাংস মিশিয়ে গোপনে ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করারও অভিযোগ রয়েছে।

নেছারাবাদ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মেহেদী হাসান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায় এবং একটি মাছ ধরার ট্রলার থেকে ২২০ কেজি হরিণের মাংসসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করতে সক্ষম হয়। এ বিষয়ে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে এবং আগামীকাল তাদের আদালতে প্রেরণ করা হবে বলেও তিনি জানান।

জনপ্রিয় সংবাদ
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা

ঈশ্বরগঞ্জের সরিষা মারুয়াখালীতে তরুণীকে ধ-র্ষ-ণের অভিযোগ, তিন আসামি গ্রে-প্তার

পিরোজপুরে ২২০ কেজি হরিণের মাংসসহ গ্রেপ্তার ২

আপডেট সময় ০৬:০৬:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৩৪

পিরোজপুরের নেছারাবাদে প্রায় ২২০ কেজি হরিণের মাংসসহ দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে নৌপুলিশ। সোমবার (৩১ আগস্ট) উপজেলার ভরতকাঠি বেলুয়ানদী এলাকায় থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় একটি কাঠের ট্রলার থেকে বিপুল পরিমাণ মাংসসহ তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার খাসতবক গ্রামের সুলতান হাওলাদারের ছেলে মো. খলিল (৪১) এবং একই উপজেলার তাফালবাড়িয়া গ্রামের চান মিয়া মাঝির ছেলে বাবুল ফরাজি (৪২)।

নেছারাবাদের দৈহারী নৌপুলিশ ফাঁড়ি ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার দুপুরে উপজেলার বেলুয়া নদীর ভরতকাঠি খেয়াঘাট এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়। এ সময় একটি কাঠের ট্রলারে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ২২০ কেজি হরিণের মাংস উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে মাংস পরিবহনের অভিযোগে খলিল ও বাবুল ফরাজিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে বরগুনার পাথরঘাটা এলাকা থেকে বিভিন্ন নৌপথে নেছারাবাদে অবৈধভাবে হরিণের মাংস নিয়ে আসা হচ্ছিল। কাঠবোঝাই, গোলপাতাবোঝাই এমনকি মাছ ধরার ট্রলারে করে এসব মাংস পরিবহন করা হয় বলে স্থানীয়রা জানান। পরবর্তীতে নেছারাবাদের বিভিন্ন স্থানে থাকা চোরাকারবারিদের হাতে এসব মাংস পৌঁছে দেওয়া হতো।

স্থানীয় অধিবাসীদের অভিযোগ, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন সময়ের অভিযানে হরিণের মাংস কারবারের সঙ্গে জড়িত কয়েকজন আটক হলেও পুরোপুরি বন্ধ হয়নি এই অবৈধ বাণিজ্য। উপরন্তু চোরাই পথে আনা এসব মাংসের একটি অংশ দীর্ঘ সময় ধরে সংরক্ষণ করায় তা পচে যায় এবং সেই পচা মাংসই বাজারে বিক্রি করা হয়। এমনকি মাঝে মাঝে হরিণের মাংসের সঙ্গে শিয়ালের মাংস মিশিয়ে গোপনে ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করারও অভিযোগ রয়েছে।

নেছারাবাদ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মেহেদী হাসান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায় এবং একটি মাছ ধরার ট্রলার থেকে ২২০ কেজি হরিণের মাংসসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করতে সক্ষম হয়। এ বিষয়ে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে এবং আগামীকাল তাদের আদালতে প্রেরণ করা হবে বলেও তিনি জানান।