, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
কাউনিয়ায় বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন রংপুরের জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহান কাউনিয়ায় ৭৫ পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গা উৎসব।থাকছে কঠোর নিরাপত্তা কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা দেবীগঞ্জে ১০০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ যুবক আটক লালপুরে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় সাইকেল আরোহী নিহত শারদীয় দুর্গা পূজা উপলক্ষে ফুলবাড়ীতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির প্রস্তুতিমূলক বৈঠক উখিয়ায় ডুবন্ত কাঠের ক্যারিয়ার উদ্ধার,ইয়াবা পাচারে অভিনব কৌশল কাউনিয়ায় আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত ময়মনসিংহ জেলা ফুলবাড়ী উপজেলা শাখার আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ ডিবির হাতে গ্রেপ্তার লালপুরে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

রাজনীতিতে এনসিপি নেতা মুকুল মিয়ার খোলস পরিবর্তন।

১০৫

জামায়াতের ঘাড়ে চড়ে নির্বাচনে জয়ী হয়ে এখন তাদেরকেই গুপ্ত বলছেন এনসিপি নেতা মুকুল
​
নির্বাচনী সুবিধা নিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কাঁধে ভর দিয়ে জয়লাভ করার পর এখন দলটিকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করার অভিযোগ উঠেছে এনসিপি নেতা মুকুলের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি এক বক্তব্যে তিনি জামায়াতকে “গুপ্ত” হিসেবে আখ্যায়িত করায় রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।

​নির্বাচনকালীন সময়ে নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থে জামায়াতের সমর্থন ও নেতাকর্মীদের প্রত্যক্ষ সহযোগিতা গ্রহণ করেছিলেন এনসিপি নেতা মুকুল। স্থানীয় রাজনীতিতে প্রভাব তৈরি এবং ব্যালট বাক্সে জয় নিশ্চিত করতে দলটির তৃণমূল পর্যায়ের সাহায্য নেন তিনি। নির্বাচন পার হতেই তিনি এখন সুর বদলে জামায়াতকে “গুপ্ত” সংগঠন বা শক্তি হিসেবে অভিহিত করছেন।

​মুকুলের এমন মন্তব্যকে কেন্দ্র করে তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। তারা একে “রাজনৈতিক অকৃতজ্ঞতা ও চরম দেউলিয়াপনা” বলে অভিহিত করেছেন।
​

স্থানীয় এক জামায়াত নেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “নির্বাচনে জয়ের জন্য যখন ভোটের প্রয়োজন ছিল, তখন আমাদের সমর্থন নিতে ও হাত মেলাতে উনার কোনো দ্বিধা ছিল না। আজ জয়ী হয়ে তিনি আমাদের ‘গুপ্ত’ বলছেন। এটি উনার দ্বিমুখী নীতি ও রাজনৈতিক সুযোগসন্ধানের জলন্ত প্রমাণ।”

​রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নির্বাচন পরবর্তীতে নিজস্ব অবস্থান তৈরি করা কিংবা নির্দিষ্ট কোনো রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই হয়তো এনসিপি নেতা মুকুল এ ধরনের দ্বিমুখী অবস্থান গ্রহণ করেছেন। তবে ভোটের রাজনীতিতে এ ধরনের বক্তব্য তার নিজস্ব রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ও এনসিপির বিশ্বাসযোগ্যতাকে বড় ধরনের ঝুঁকিতে ফেলতে পারে বলে তারা অভিমত ব্যক্ত করেন।
​

এদিকে মুকুলের এই বক্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও নানা সমালোচনা চলছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়ার পর কেন একজন নেতার রাজনৈতিক মূল্যায়ন এতটা বদলে যায়।

​এ বিষয়ে জানতে এনসিপি নেতা মুকুলের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

জনপ্রিয় সংবাদ
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা

কাউনিয়ায় বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন রংপুরের জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহান

রাজনীতিতে এনসিপি নেতা মুকুল মিয়ার খোলস পরিবর্তন।

আপডেট সময় ১২:২২:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬
১০৫

জামায়াতের ঘাড়ে চড়ে নির্বাচনে জয়ী হয়ে এখন তাদেরকেই গুপ্ত বলছেন এনসিপি নেতা মুকুল
​
নির্বাচনী সুবিধা নিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কাঁধে ভর দিয়ে জয়লাভ করার পর এখন দলটিকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করার অভিযোগ উঠেছে এনসিপি নেতা মুকুলের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি এক বক্তব্যে তিনি জামায়াতকে “গুপ্ত” হিসেবে আখ্যায়িত করায় রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।

​নির্বাচনকালীন সময়ে নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থে জামায়াতের সমর্থন ও নেতাকর্মীদের প্রত্যক্ষ সহযোগিতা গ্রহণ করেছিলেন এনসিপি নেতা মুকুল। স্থানীয় রাজনীতিতে প্রভাব তৈরি এবং ব্যালট বাক্সে জয় নিশ্চিত করতে দলটির তৃণমূল পর্যায়ের সাহায্য নেন তিনি। নির্বাচন পার হতেই তিনি এখন সুর বদলে জামায়াতকে “গুপ্ত” সংগঠন বা শক্তি হিসেবে অভিহিত করছেন।

​মুকুলের এমন মন্তব্যকে কেন্দ্র করে তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। তারা একে “রাজনৈতিক অকৃতজ্ঞতা ও চরম দেউলিয়াপনা” বলে অভিহিত করেছেন।
​

স্থানীয় এক জামায়াত নেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “নির্বাচনে জয়ের জন্য যখন ভোটের প্রয়োজন ছিল, তখন আমাদের সমর্থন নিতে ও হাত মেলাতে উনার কোনো দ্বিধা ছিল না। আজ জয়ী হয়ে তিনি আমাদের ‘গুপ্ত’ বলছেন। এটি উনার দ্বিমুখী নীতি ও রাজনৈতিক সুযোগসন্ধানের জলন্ত প্রমাণ।”

​রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নির্বাচন পরবর্তীতে নিজস্ব অবস্থান তৈরি করা কিংবা নির্দিষ্ট কোনো রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই হয়তো এনসিপি নেতা মুকুল এ ধরনের দ্বিমুখী অবস্থান গ্রহণ করেছেন। তবে ভোটের রাজনীতিতে এ ধরনের বক্তব্য তার নিজস্ব রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ও এনসিপির বিশ্বাসযোগ্যতাকে বড় ধরনের ঝুঁকিতে ফেলতে পারে বলে তারা অভিমত ব্যক্ত করেন।
​

এদিকে মুকুলের এই বক্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও নানা সমালোচনা চলছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়ার পর কেন একজন নেতার রাজনৈতিক মূল্যায়ন এতটা বদলে যায়।

​এ বিষয়ে জানতে এনসিপি নেতা মুকুলের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।