, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বকশীগঞ্জে সীমান্তে ৩৫ বিজিবির অভিযানে ভারতীয় ম/দ উ/দ্ধার গোপালগঞ্জে ৬৪ হাজারের বেশি ই/য়া/বাসহ দুইজন গ্রে/প্তার রুহিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাথে উপজেলা প্রেসক্লাবের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত প্রকৌশলী হাসান শওকতের কক্ষে টাকা লেনদেনের ভিডিও, ‘ঘু/ষ নয়’ দাবি সংশ্লিষ্টদের বাহাড়া দুবাগ আইডিয়্যাল সমাজ কল্যাণ সংস্থা এলাকার উন্নয়নে প্রবাসীদের সংগঠন ধামইরহাটে আমবাগান থেকে আ/গুনে পোড়া নারীর ম/র/দেহ উ/দ্ধার নকলায় ভুয়া ডিবি পুলিশ পরিচয়ে টাকা ও মোবাইল ছিনতাই, আটক ১ দৌলতদিয়া ঘাটে নতুন ফেরি ‘পায়রা’র আগমন শেরপুরে কুসুমহাটি কৃষি ব্যাংকের সামনে র‍্যারের অভিযান, দেশি-বিদেশি ম/দ জ/ব্দ জাতীয় মৎস্য পক্ষের সমাপনীতে শেরপুরে মাদকবিরোধী ফুটবল প্রতিযোগিতা

ভাঙ্গুড়ায় ২০০ লিটার নকল দুধ জব্দ, ভ্রাম্যমাণ আদালতের দণ্ড

৪০

পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলায় নকল দুধ তৈরির উপকরণ মজুদ ও ভেজাল দুধ উৎপাদনের অভিযোগে আশরাফুল আলী (৪২) নামে এক ব্যক্তিকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নে উপজেলা প্রশাসনের পরিচালিত এক অভিযানে তাকে আটক করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত আশরাফুল আলী সদর ইউনিয়নের কলকতি গ্রামের বাসিন্দা ও মো. নুর ইসলামের ছেলে।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে আশরাফুল আলীর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ২০০ লিটার নকল দুধ এবং দুধ তৈরিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন উপকরণ জব্দ করা হয়। জব্দকৃত সামগ্রীর মধ্যে কেমিক্যাল, ভোজ্য তেল, চিনি, কস্টিক সোডা, নন-ডেইরি উপাদানসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এসব উপাদান ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে ভেজাল দুধ প্রস্তুত করা হতো।

অভিযান শেষে ঘটনাস্থলেই ভাঙ্গুড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আরিফুজ্জামান ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত আশরাফুল আলীকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন।

এ সময় অভিযানে সার্বিক সহযোগিতা করেন ভাঙ্গুড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাকিউল আজম-এর নেতৃত্বে পুলিশের সদস্যরা। ওসি সাকিউল আজম বলেন, “জনস্বার্থে ভেজাল খাদ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের বিরুদ্ধে আমাদের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”

উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর ভেজাল খাদ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের বিরুদ্ধে নিয়মিতভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হবে। প্রশাসনের এ অভিযানে এলাকাবাসীর মধ্যে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, ভেজাল খাদ্যের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কঠোর অবস্থান জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং অসাধু ব্যবসায়ীদের জন্য সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা

বকশীগঞ্জে সীমান্তে ৩৫ বিজিবির অভিযানে ভারতীয় ম/দ উ/দ্ধার

ভাঙ্গুড়ায় ২০০ লিটার নকল দুধ জব্দ, ভ্রাম্যমাণ আদালতের দণ্ড

আপডেট সময় ১০:২০:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
৪০

পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলায় নকল দুধ তৈরির উপকরণ মজুদ ও ভেজাল দুধ উৎপাদনের অভিযোগে আশরাফুল আলী (৪২) নামে এক ব্যক্তিকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নে উপজেলা প্রশাসনের পরিচালিত এক অভিযানে তাকে আটক করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত আশরাফুল আলী সদর ইউনিয়নের কলকতি গ্রামের বাসিন্দা ও মো. নুর ইসলামের ছেলে।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে আশরাফুল আলীর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ২০০ লিটার নকল দুধ এবং দুধ তৈরিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন উপকরণ জব্দ করা হয়। জব্দকৃত সামগ্রীর মধ্যে কেমিক্যাল, ভোজ্য তেল, চিনি, কস্টিক সোডা, নন-ডেইরি উপাদানসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এসব উপাদান ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে ভেজাল দুধ প্রস্তুত করা হতো।

অভিযান শেষে ঘটনাস্থলেই ভাঙ্গুড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আরিফুজ্জামান ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত আশরাফুল আলীকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন।

এ সময় অভিযানে সার্বিক সহযোগিতা করেন ভাঙ্গুড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাকিউল আজম-এর নেতৃত্বে পুলিশের সদস্যরা। ওসি সাকিউল আজম বলেন, “জনস্বার্থে ভেজাল খাদ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের বিরুদ্ধে আমাদের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”

উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর ভেজাল খাদ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের বিরুদ্ধে নিয়মিতভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হবে। প্রশাসনের এ অভিযানে এলাকাবাসীর মধ্যে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, ভেজাল খাদ্যের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কঠোর অবস্থান জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং অসাধু ব্যবসায়ীদের জন্য সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করবে।