, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
টুঙ্গিপাড়ায় বাশুড়িয়া সেনেরচর উচ্চ বিদ্যালয়ের ভবন বেহাল: আতঙ্কে শিক্ষার্থীরা, দ্রুত সংস্কারের দাবি পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় বেতমোর রাজপাড়া আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবন উদ্বোধন, এমপি রুহুল আমিন দুলালকে সংবর্ধনা ভাঙ্গুড়ায় ৭৫টি চায়না দুয়ারি জাল জব্দ, আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা নিরসনে লাল কার্ড ও কুইজ প্রতিযোগিতা গর্ভবতী নারীর পেটে ১৮ কেজির বাচ্চা! আল্ট্রাসনোগ্রাম রিপোর্ট নিয়ে চাঞ্চল্য ও স্বাস্থ্য ঝুঁকি জামালপুর সদরে বৃক্ষরোপণ ও মশা নিধন কর্মসূচির উদ্বোধন প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন মহোদয়ের উদ্যোগে রাসিকে প্রথমবারের মতো ইন্টার্নশিপের সুযোগ পেলেন রুয়েট শিক্ষার্থীরা বরিশালের গৌরনদীতে যুবকের ঝু*লন্ত ম*রদেহ উদ্ধার পীরগঞ্জ উপজেলায় পানি সরবরাহ ও মানব বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত শিবচরে আড়িয়াল খাঁর ভাঙনে দিশেহারা মানুষ: হুমকির মুখে সড়ক-বেড়িবাঁধ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

গর্ভবতী নারীর পেটে ১৮ কেজির বাচ্চা! আল্ট্রাসনোগ্রাম রিপোর্ট নিয়ে চাঞ্চল্য ও স্বাস্থ্য ঝুঁকি

গর্ভবতী নারীর পেটে ১৮ কেজির বাচ্চা! আল্ট্রাসনোগ্রাম রিপোর্ট নিয়ে চাঞ্চল্য ও স্বাস্থ্য ঝুঁকি

১১

রাজবাড়ীর পাংশায় অবস্থিত লিজা হেলথ কেয়ার নামক একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের আল্ট্রাসনোগ্রাম রিপোর্ট ঘিরে তোলপাড় তৈরি হয়েছে। প্রাপ্ত এক আল্ট্রাসনোগ্রাম রিপোর্টে ৩৩ সপ্তাহ গর্ভবতী এক নারীর গর্ভস্থ সন্তানের ওজন উল্লেখ করা হয়েছে ১৮,০০০ হাজার গ্রাম (১৮ কেজি)।

সাধারণত গর্ভাবস্থার ৩৩ সপ্তাহে একটি শিশুর গড় ওজন ১.৮ কেজি থেকে ২ কেজি (১৮০০ গ্রাম) হয়ে থাকে। কিন্তু রিপোর্টে ১৮,০০০ গ্রাম লেখা দেখে রোগী ও তার স্বজনদের মধ্যে চরম বিস্ময় ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়।

গত ৭ আগষ্ট ভুক্তভোগী ওই নারী লিজা হেলথ কেয়ারের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ শাহজাহান এস সোয়েবের কাছে চিকিৎসা নিতে আসেন। পরবর্তীতে তিনি আল্ট্রাসনোগ্রাম শেষে রিপোর্ট প্রদান করেন। যেখানে দেখা যায় বাচ্চার ওজন ১৮ কেজি।

চিকিৎসাবিজ্ঞান ও আল্ট্রাসনোগ্রাম বিশেষজ্ঞদের মতে, ৩৩ সপ্তাহের কোনো গর্ভস্থ সন্তানের ওজন ১৮ কেজি হওয়া একেবারেই অসম্ভব। রিপোর্টিং ডাটা এন্ট্রি বা প্রিন্টিংয়ের সময় চিকিৎসকের সহকারী অথবা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কম্পিউটার অপারেটরের অসাবধানতাবশত একটি ভুল।

সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বলছেন, ডাঃ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে। যখন একজন নারী জানবে যে তার পেটে ১৮ কেজির বাচ্চা আছে তখন তার কি অবস্থা হবে। তাই এধরনের কাজ যারা করেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া। আর যারা কাজ করেন তাদের উচিত আরও সতর্ক ভাবে রিপোর্ট তৈরি করা।

রোগীর স্বজনরা জানিয়েছেন, রিপোর্ট নিয়ে একটা ফার্মেসিতে ওষুধ কিনতে গেলে বিষয়টি নজরে আসে রিপোর্ট দেখে বিস্মিত হই। পরে বিষয়টি নিয়ে তারা সংশ্লিষ্ট ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সাথে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় সংশোধনের দাবি জানান। পরবর্তীতে তারা সংশোধন করা হয়।

লিজা হেলথ কেয়ারের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ শাহজাহান এস সোয়েব বলেন, সহকারীর ভুলের কারণে অতিরিক্ত একটি (শূন্য) যুক্ত হওয়ার ফলেই ১৮০০ শত গ্রাম-এর পরিবর্তে ১৮০০০ হাজার গ্রাম লেখা হয়েছে। তিনি আলোচনা তবে রিপোর্টটি আমার দিকে দেওয়া উচিত ছিল এটা আমার ভুল হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা

টুঙ্গিপাড়ায় বাশুড়িয়া সেনেরচর উচ্চ বিদ্যালয়ের ভবন বেহাল: আতঙ্কে শিক্ষার্থীরা, দ্রুত সংস্কারের দাবি

গর্ভবতী নারীর পেটে ১৮ কেজির বাচ্চা! আল্ট্রাসনোগ্রাম রিপোর্ট নিয়ে চাঞ্চল্য ও স্বাস্থ্য ঝুঁকি

আপডেট সময় ০৭:১৯:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬
১১

রাজবাড়ীর পাংশায় অবস্থিত লিজা হেলথ কেয়ার নামক একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের আল্ট্রাসনোগ্রাম রিপোর্ট ঘিরে তোলপাড় তৈরি হয়েছে। প্রাপ্ত এক আল্ট্রাসনোগ্রাম রিপোর্টে ৩৩ সপ্তাহ গর্ভবতী এক নারীর গর্ভস্থ সন্তানের ওজন উল্লেখ করা হয়েছে ১৮,০০০ হাজার গ্রাম (১৮ কেজি)।

সাধারণত গর্ভাবস্থার ৩৩ সপ্তাহে একটি শিশুর গড় ওজন ১.৮ কেজি থেকে ২ কেজি (১৮০০ গ্রাম) হয়ে থাকে। কিন্তু রিপোর্টে ১৮,০০০ গ্রাম লেখা দেখে রোগী ও তার স্বজনদের মধ্যে চরম বিস্ময় ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়।

গত ৭ আগষ্ট ভুক্তভোগী ওই নারী লিজা হেলথ কেয়ারের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ শাহজাহান এস সোয়েবের কাছে চিকিৎসা নিতে আসেন। পরবর্তীতে তিনি আল্ট্রাসনোগ্রাম শেষে রিপোর্ট প্রদান করেন। যেখানে দেখা যায় বাচ্চার ওজন ১৮ কেজি।

চিকিৎসাবিজ্ঞান ও আল্ট্রাসনোগ্রাম বিশেষজ্ঞদের মতে, ৩৩ সপ্তাহের কোনো গর্ভস্থ সন্তানের ওজন ১৮ কেজি হওয়া একেবারেই অসম্ভব। রিপোর্টিং ডাটা এন্ট্রি বা প্রিন্টিংয়ের সময় চিকিৎসকের সহকারী অথবা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কম্পিউটার অপারেটরের অসাবধানতাবশত একটি ভুল।

সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বলছেন, ডাঃ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে। যখন একজন নারী জানবে যে তার পেটে ১৮ কেজির বাচ্চা আছে তখন তার কি অবস্থা হবে। তাই এধরনের কাজ যারা করেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া। আর যারা কাজ করেন তাদের উচিত আরও সতর্ক ভাবে রিপোর্ট তৈরি করা।

রোগীর স্বজনরা জানিয়েছেন, রিপোর্ট নিয়ে একটা ফার্মেসিতে ওষুধ কিনতে গেলে বিষয়টি নজরে আসে রিপোর্ট দেখে বিস্মিত হই। পরে বিষয়টি নিয়ে তারা সংশ্লিষ্ট ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সাথে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় সংশোধনের দাবি জানান। পরবর্তীতে তারা সংশোধন করা হয়।

লিজা হেলথ কেয়ারের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ শাহজাহান এস সোয়েব বলেন, সহকারীর ভুলের কারণে অতিরিক্ত একটি (শূন্য) যুক্ত হওয়ার ফলেই ১৮০০ শত গ্রাম-এর পরিবর্তে ১৮০০০ হাজার গ্রাম লেখা হয়েছে। তিনি আলোচনা তবে রিপোর্টটি আমার দিকে দেওয়া উচিত ছিল এটা আমার ভুল হয়েছে।