, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
কাউনিয়ায় দুর্গোৎসব উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীর সাথে বিএনপির মতবিনিময় সভা মাদক সমাজ ও রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ অন্ধকার করে দিচ্ছে: এমপি জাহান্দার আলী জাহান। টেকনাফে কালবের নির্বাচনে ছয়জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ইসলামপুরে সার ব্যবসায়ী হত্যা: বিচার ও ফাঁসির দাবি, গ্রেপ্তার ২ এপিবিএনের অভিযানে উদ্ধার নিখোঁজ তিন রোহিঙ্গা কিশোর স্বামী হত্যার অভিযোগে স্ত্রী আটক চৌদ্দগ্রাম দত্তসার রহমানীয়া মাদ্রাসার বার্ষিক মাহফিলের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হোয়াইক্যং চেকপোস্টে যৌথ বাহিনীর অভিযানে আটক ১২ সাবেক চেয়ারম্যান বাবুর ১৬তম শাহাদাত বার্ষিকী: বড়াইগ্রামে স্মরণসভা ভাঙ্গুড়া-চাটমোহর-ফরিদপুরের সাংবাদিকদের সঙ্গে এমপি রুমার মতবিনিময় সভা

মাগুরার শ্রীপুরে ভোর রাতে ডা-কা-তির অভিযোগ

মাগুরার শ্রীপুরে ভোর রাতে ডা-কা-তির অভিযোগ

৭১

মাগুরার শ্রীপুরে ভোরে এক বাড়িতে ঢুকে পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে গেছে মুখোশধারী ডাকাত দল। এ ঘটনায় শ্রীপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আজ ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রোববার ভোর আনুমানিক ৫টার দিকে উপজেলার শ্রীপুর গ্রামের মো. অলিয়ার শেখ নামাজ পড়তে মসজিদে যান। সকাল সাড়ে ৫টার দিকে নামাজ শেষে বাড়ি ফিরে আসার সময় সংবাদ পান তার বসতবাড়িতে ৭/৮ জনের একটি দল ডাকাতি করে পালিয়ে গেছে।

অভিযোগকারী অলিয়ার শেখ বলেন, “আমি নামাজ শেষে বাড়িতে এসে দেখি আমার স্ত্রী মোসা. রুমা বেগমের কান্না করছেন। পরে বসতঘরে প্রবেশ করে আমার স্ত্রীর কাছ থেকে জানতে পারি তারা আমার স্ত্রী ও সন্তানদের জিম্মি করে রেখে আমার স্ত্রীর হাত-পা বেঁধে ডাকাতরা ঘরের আলমারি ও শো-কেস ভেঙে নগদ ৩ লাখ ২৫ হাজার টাকা এবং আনুমানিক ৩ লাখ টাকা মূল্যের স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে পালিয়ে গেছে। এসময় স্ত্রী ও সন্তানদের মারপিট করে খুন-জখমের ভয় দেখিয়ে একটি মাইক্রোবাসে করে ডাকাতরা শ্রীপুর বাজারের দিকে চলে যায়।

ভুক্তভোগী রুমা বেগম জানান, ভোরে আমার স্বামী নামাজ পড়তে মসজিদে গেলে আমি রান্না ঘরে রান্নার কাজে যায়। হঠাৎ তিনজন এসে আমার হাত পা ধরে মুখ চেপে রাখে এবং হুমকি দেয়। পরে বাকি তিন চার জন আমার ঘরে ডুকে টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে চলে যায়। তারা চলে যাবার সময় আমাকে ছেড়ে দিলে আমার কান্না কাটি ও চিৎকারে পাশের লোকজন চল।

প্রতিবেশী আখি বেগম জানান, চিল্লাচিল্লি ও কান্না সুনে এগিয়ে এসে দেখি রুমা বেগম ভয়ে কাঁপছে। পরে সে ডাকাতির কথা জানালে আমরা ঘরে প্রবেশ করে দেখি তার ঘরের বিভিন্ন জিনিসপত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।

ঘটনার বিষয়ে শ্রীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলে দাবি করেন মো. অলিয়ার শেখ। অভিযোগে অজ্ঞাতনামা ৭/৮ জনকে আসামি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে শ্রীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ওলি মিয়া জানান, পার্শ্ববর্তী ছোনগাছা এলাকায় মারামারির ঘটনায় সেখানে রয়েছেন। ডাকাতির কোন অভিযোগ তিনি পাননি। পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা

কাউনিয়ায় দুর্গোৎসব উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীর সাথে বিএনপির মতবিনিময় সভা

মাগুরার শ্রীপুরে ভোর রাতে ডা-কা-তির অভিযোগ

আপডেট সময় ০৮:০৫:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৭১

মাগুরার শ্রীপুরে ভোরে এক বাড়িতে ঢুকে পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে গেছে মুখোশধারী ডাকাত দল। এ ঘটনায় শ্রীপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আজ ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রোববার ভোর আনুমানিক ৫টার দিকে উপজেলার শ্রীপুর গ্রামের মো. অলিয়ার শেখ নামাজ পড়তে মসজিদে যান। সকাল সাড়ে ৫টার দিকে নামাজ শেষে বাড়ি ফিরে আসার সময় সংবাদ পান তার বসতবাড়িতে ৭/৮ জনের একটি দল ডাকাতি করে পালিয়ে গেছে।

অভিযোগকারী অলিয়ার শেখ বলেন, “আমি নামাজ শেষে বাড়িতে এসে দেখি আমার স্ত্রী মোসা. রুমা বেগমের কান্না করছেন। পরে বসতঘরে প্রবেশ করে আমার স্ত্রীর কাছ থেকে জানতে পারি তারা আমার স্ত্রী ও সন্তানদের জিম্মি করে রেখে আমার স্ত্রীর হাত-পা বেঁধে ডাকাতরা ঘরের আলমারি ও শো-কেস ভেঙে নগদ ৩ লাখ ২৫ হাজার টাকা এবং আনুমানিক ৩ লাখ টাকা মূল্যের স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে পালিয়ে গেছে। এসময় স্ত্রী ও সন্তানদের মারপিট করে খুন-জখমের ভয় দেখিয়ে একটি মাইক্রোবাসে করে ডাকাতরা শ্রীপুর বাজারের দিকে চলে যায়।

ভুক্তভোগী রুমা বেগম জানান, ভোরে আমার স্বামী নামাজ পড়তে মসজিদে গেলে আমি রান্না ঘরে রান্নার কাজে যায়। হঠাৎ তিনজন এসে আমার হাত পা ধরে মুখ চেপে রাখে এবং হুমকি দেয়। পরে বাকি তিন চার জন আমার ঘরে ডুকে টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে চলে যায়। তারা চলে যাবার সময় আমাকে ছেড়ে দিলে আমার কান্না কাটি ও চিৎকারে পাশের লোকজন চল।

প্রতিবেশী আখি বেগম জানান, চিল্লাচিল্লি ও কান্না সুনে এগিয়ে এসে দেখি রুমা বেগম ভয়ে কাঁপছে। পরে সে ডাকাতির কথা জানালে আমরা ঘরে প্রবেশ করে দেখি তার ঘরের বিভিন্ন জিনিসপত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।

ঘটনার বিষয়ে শ্রীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলে দাবি করেন মো. অলিয়ার শেখ। অভিযোগে অজ্ঞাতনামা ৭/৮ জনকে আসামি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে শ্রীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ওলি মিয়া জানান, পার্শ্ববর্তী ছোনগাছা এলাকায় মারামারির ঘটনায় সেখানে রয়েছেন। ডাকাতির কোন অভিযোগ তিনি পাননি। পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।