, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
মাগুরা শ্রীপুরে কর্মী সমাবেশে অনুষ্ঠিত নিয়ামতপুর থানার মাদক বিরোধী অভিযান ৫৫০ লিটার চোলাইমদ সহ তিন জন গ্রেফতার চাউলের পুষ্টি মেশানো নিয়ে অনিয়ম ; চিলমারীতে খাদ্য বান্ধব কর্মসূচি ভেস্তে যেতে বসেছে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ১৬ এপি বি এন এর হাতে ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামি গ্রেফতার ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর সান্ধ্য আকাশে চাঁদ ও উজ্জ্বল জ্যোতিষ্কের অপূর্ব সংযতি সন্ধ্যার আকাশে বিরল দৃশ্য অবলোকন। জামালপুরে ৭ দফা দাবীতে দলিল লেখক সমিতির সমাবেশ জামালপুরে ট্রেনে কাটা পড়ে বৃদ্ধের মৃত্যু পিরোজপুর জেলার মঠবাড়ীয়া উপজেলার বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান, বিপণি ভবন, খাল ও বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রমের সার্বিক অবস্থা সরেজমিন পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব আবু সাঈদ। আজ ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ (সোমবার) জেলা প্রশাসকের মঠবাড়ীয়া উপজেলা পরিদর্শন কর্মসূচির অংশ হিসেবে দিনব্যাপী এসব কার্যক্রম পরিচালিত হয়। সফরের শুরুতে গ্রাম পুলিশদের মাঝে বাইসাইকেল বিতরণ করা হয়। এরপর পশ্চিম মিঠাকালী কমিউনিটি ক্লিনিক পরিদর্শন করে স্থানীয় পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমের সার্বিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন জেলা প্রশাসক। পরবর্তীতে বড় মাছুয়া ইউনাইটেড হাই ইনস্টিটিউশনের অভিভাবক সমাবেশে যোগদান করেন তিনি। এ সময় শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতকরণ, শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের সার্বিক বিকাশে অভিভাবকদের সক্রিয় ভূমিকার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। এ ছাড়া ৮ নং বড় মাছুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করে বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম ও সার্বিক পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করেন জেলা প্রশাসক। পরিদর্শন কর্মসূচির অংশ হিসেবে বড় মাছুয়া ইউনিয়ন পরিষদ এবং মঠবাড়ীয়া বহুতল বিশিষ্ট বিপণি ভবন (ফিস মার্কেট) পরিদর্শন করা হয়। একই সঙ্গে উপজেলা ভূমি অফিস, মঠবাড়ীয়া পরিদর্শন করে ভূমি-সংক্রান্ত সরকারি সেবা কার্যক্রমের সার্বিক বিষয় পর্যবেক্ষণ করা হয়। দিনব্যাপী সফরের অংশ হিসেবে মিরুখালী-সাফা খালের ভাঙ্গাপোল এবং ধানীসাফা ইউনিয়নের ভাঙ্গাপোল হতে মিরুখালী বাজার পর্যন্ত মডেল খাল দর্শন করেন জেলা প্রশাসক। এ সময় খালগুলোর বর্তমান অবস্থা ও সংশ্লিষ্ট এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করা হয়। সফরের সর্বশেষ পর্যায়ে মঠবাড়ীয়া উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন করে এসব প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি ও সার্বিক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন জেলা প্রশাসক। জেলা প্রশাসকের এ ধরনের মাঠপর্যায়ের সরেজমিন পরিদর্শনের মাধ্যমে সরকারি সেবা কার্যক্রমের বাস্তব চিত্র জানা, স্থানীয় পর্যায়ের বিভিন্ন বিষয় পর্যবেক্ষণ এবং উন্নয়ন কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হচ্ছে। জনসেবার মানোন্নয়ন, সরকারি কার্যক্রমে গতিশীলতা বৃদ্ধি এবং মাঠপর্যায়ে প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও কার্যকর করার লক্ষ্যে জেলা প্রশাসনের এ ধরনের সরেজমিন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। চাঁদের পাশে ‘সন্ধ্যাতারা’, মুগ্ধ আকাশপ্রেমীরা

মাগুরার শ্রীপুরে ভোর রাতে ডা-কা-তির অভিযোগ

মাগুরার শ্রীপুরে ভোর রাতে ডা-কা-তির অভিযোগ

২৬

মাগুরার শ্রীপুরে ভোরে এক বাড়িতে ঢুকে পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে গেছে মুখোশধারী ডাকাত দল। এ ঘটনায় শ্রীপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আজ ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রোববার ভোর আনুমানিক ৫টার দিকে উপজেলার শ্রীপুর গ্রামের মো. অলিয়ার শেখ নামাজ পড়তে মসজিদে যান। সকাল সাড়ে ৫টার দিকে নামাজ শেষে বাড়ি ফিরে আসার সময় সংবাদ পান তার বসতবাড়িতে ৭/৮ জনের একটি দল ডাকাতি করে পালিয়ে গেছে।

অভিযোগকারী অলিয়ার শেখ বলেন, “আমি নামাজ শেষে বাড়িতে এসে দেখি আমার স্ত্রী মোসা. রুমা বেগমের কান্না করছেন। পরে বসতঘরে প্রবেশ করে আমার স্ত্রীর কাছ থেকে জানতে পারি তারা আমার স্ত্রী ও সন্তানদের জিম্মি করে রেখে আমার স্ত্রীর হাত-পা বেঁধে ডাকাতরা ঘরের আলমারি ও শো-কেস ভেঙে নগদ ৩ লাখ ২৫ হাজার টাকা এবং আনুমানিক ৩ লাখ টাকা মূল্যের স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে পালিয়ে গেছে। এসময় স্ত্রী ও সন্তানদের মারপিট করে খুন-জখমের ভয় দেখিয়ে একটি মাইক্রোবাসে করে ডাকাতরা শ্রীপুর বাজারের দিকে চলে যায়।

ভুক্তভোগী রুমা বেগম জানান, ভোরে আমার স্বামী নামাজ পড়তে মসজিদে গেলে আমি রান্না ঘরে রান্নার কাজে যায়। হঠাৎ তিনজন এসে আমার হাত পা ধরে মুখ চেপে রাখে এবং হুমকি দেয়। পরে বাকি তিন চার জন আমার ঘরে ডুকে টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে চলে যায়। তারা চলে যাবার সময় আমাকে ছেড়ে দিলে আমার কান্না কাটি ও চিৎকারে পাশের লোকজন চল।

প্রতিবেশী আখি বেগম জানান, চিল্লাচিল্লি ও কান্না সুনে এগিয়ে এসে দেখি রুমা বেগম ভয়ে কাঁপছে। পরে সে ডাকাতির কথা জানালে আমরা ঘরে প্রবেশ করে দেখি তার ঘরের বিভিন্ন জিনিসপত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।

ঘটনার বিষয়ে শ্রীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলে দাবি করেন মো. অলিয়ার শেখ। অভিযোগে অজ্ঞাতনামা ৭/৮ জনকে আসামি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে শ্রীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ওলি মিয়া জানান, পার্শ্ববর্তী ছোনগাছা এলাকায় মারামারির ঘটনায় সেখানে রয়েছেন। ডাকাতির কোন অভিযোগ তিনি পাননি। পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা

মাগুরা শ্রীপুরে কর্মী সমাবেশে অনুষ্ঠিত

মাগুরার শ্রীপুরে ভোর রাতে ডা-কা-তির অভিযোগ

আপডেট সময় ০৮:০৫:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২৬

মাগুরার শ্রীপুরে ভোরে এক বাড়িতে ঢুকে পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে গেছে মুখোশধারী ডাকাত দল। এ ঘটনায় শ্রীপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আজ ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রোববার ভোর আনুমানিক ৫টার দিকে উপজেলার শ্রীপুর গ্রামের মো. অলিয়ার শেখ নামাজ পড়তে মসজিদে যান। সকাল সাড়ে ৫টার দিকে নামাজ শেষে বাড়ি ফিরে আসার সময় সংবাদ পান তার বসতবাড়িতে ৭/৮ জনের একটি দল ডাকাতি করে পালিয়ে গেছে।

অভিযোগকারী অলিয়ার শেখ বলেন, “আমি নামাজ শেষে বাড়িতে এসে দেখি আমার স্ত্রী মোসা. রুমা বেগমের কান্না করছেন। পরে বসতঘরে প্রবেশ করে আমার স্ত্রীর কাছ থেকে জানতে পারি তারা আমার স্ত্রী ও সন্তানদের জিম্মি করে রেখে আমার স্ত্রীর হাত-পা বেঁধে ডাকাতরা ঘরের আলমারি ও শো-কেস ভেঙে নগদ ৩ লাখ ২৫ হাজার টাকা এবং আনুমানিক ৩ লাখ টাকা মূল্যের স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে পালিয়ে গেছে। এসময় স্ত্রী ও সন্তানদের মারপিট করে খুন-জখমের ভয় দেখিয়ে একটি মাইক্রোবাসে করে ডাকাতরা শ্রীপুর বাজারের দিকে চলে যায়।

ভুক্তভোগী রুমা বেগম জানান, ভোরে আমার স্বামী নামাজ পড়তে মসজিদে গেলে আমি রান্না ঘরে রান্নার কাজে যায়। হঠাৎ তিনজন এসে আমার হাত পা ধরে মুখ চেপে রাখে এবং হুমকি দেয়। পরে বাকি তিন চার জন আমার ঘরে ডুকে টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে চলে যায়। তারা চলে যাবার সময় আমাকে ছেড়ে দিলে আমার কান্না কাটি ও চিৎকারে পাশের লোকজন চল।

প্রতিবেশী আখি বেগম জানান, চিল্লাচিল্লি ও কান্না সুনে এগিয়ে এসে দেখি রুমা বেগম ভয়ে কাঁপছে। পরে সে ডাকাতির কথা জানালে আমরা ঘরে প্রবেশ করে দেখি তার ঘরের বিভিন্ন জিনিসপত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।

ঘটনার বিষয়ে শ্রীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলে দাবি করেন মো. অলিয়ার শেখ। অভিযোগে অজ্ঞাতনামা ৭/৮ জনকে আসামি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে শ্রীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ওলি মিয়া জানান, পার্শ্ববর্তী ছোনগাছা এলাকায় মারামারির ঘটনায় সেখানে রয়েছেন। ডাকাতির কোন অভিযোগ তিনি পাননি। পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।