, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
চাঁদের পাশে ‘সন্ধ্যাতারা’, মুগ্ধ আকাশপ্রেমীরা রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের অপরাধ পর্যালোচনা সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত নিখোঁজের একদিন পর খাল থেকে যুবকের ম-র-দেহ উদ্ধার ভাঙ্গুড়ায় জামায়াতের মেয়র প্রার্থীর গণসংযোগ মাগুরা শ্রীপুরে মহিলা এমপি’র মতবিনিময় ও বিভিন্ন উপকরণ বিতরণ শিক্ষকতা জীবনের ইতি, ভালোবাসায় সিক্ত ঝর্ণা ইয়াসমিনের বিদায় কাউনিয়ায় ২৯ পিস ই-য়াবা-সহ যুবক গ্রে-প্তা-র ফুলবাড়ীতে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ সেলের ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির ঘোষণা গোপালগঞ্জে তিন দিন নিখোঁজের পর পাটখেত থেকে বৃদ্ধার মর-দেহ উ-দ্ধার টুঙ্গিপাড়ায় দুই খাবার হোটেলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জরিমানা ১৪ হাজার টাকা

নিখোঁজের একদিন পর খাল থেকে যুবকের ম-র-দেহ উদ্ধার

নিখোঁজের একদিন পর খাল থেকে যুবকের ম-র-দেহ উদ্ধার

কক্সবাজারের টেকনাফে নিখোঁজের একদিন পর আবসার উদ্দীন নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরের দিকে হ্নীলা ইউনিয়নের মৌলভীবাজার এলাকার ২ নম্বর সুইচগেটসংলগ্ন নাফ নদীর বেড়িবাঁধের পাশের একটি খাল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

আবসার উদ্দীন হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গীখালী এলাকার বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তিনি প্রায় দেড় মাস ধরে হোয়াব্রাং এলাকার একটি মুরগির খামারে দিনমজুর হিসেবে কাজ করছিলেন।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরের দিকে খামার থেকে বের হওয়ার পর আবসার নিখোঁজ হন। এরপর পরিবারের সদস্য ও খামারের মালিক বিভিন্ন স্থানে তাঁর খোঁজ করতে থাকেন।

খামারের মালিক মোহাম্মদ রফিক জানান, নিখোঁজ হওয়ার আগে আবসার কিছুটা অস্বাভাবিক আচরণ করছিলেন। একপর্যায়ে তিনি ‘পুলিশ’ বলে চিৎকার করে খামার থেকে বের হয়ে দৌড়ে চলে যান। পরে তাঁকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। বিষয়টি তাঁর পরিবারের সদস্যদের জানানো হয়।

সোমবার সকালে আবসারের খোঁজে তাঁর স্বজন ও পরিচিতরা বিভিন্ন এলাকায় অনুসন্ধান চালান। একপর্যায়ে মৌলভীবাজার এলাকার ২ নম্বর সুইচগেটসংলগ্ন খালে একটি মরদেহ থাকার খবর পাওয়া যায়। স্থানীয় লোকজন সেখানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। কয়েক ঘণ্টার অনুসন্ধানের পর দুপুরের দিকে পানির মধ্যে মরদেহটির সন্ধান পাওয়া যায়। পরে স্বজনরা মরদেহটি আবসার উদ্দীনের বলে শনাক্ত করেন।

খবর পেয়ে ৬৪ বিজিবির হ্নীলা বিওপির সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পরে টেকনাফ মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শুরু করে।

আবসারের চাচা কামাল হোসাইন বলেন, ‘আবসার ভালো স্বভাবের ছেলে ছিল। কোনো ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে সে জড়িত ছিল বলে আমাদের জানা নেই।’

এদিকে পরিবারের কয়েকজন সদস্য মৃত্যুর কারণ নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। স্থানীয় কয়েকজনও নিখোঁজ হওয়ার আগে আবসারকে দ্রুত দৌড়ে যেতে দেখেছেন বলে জানিয়েছেন। তবে এসব বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে মরদেহে দৃশ্যমান আঘাতের কোনো চিহ্ন পাওয়া গেছে কি না, সে বিষয়ে ময়নাতদন্তের আগে নিশ্চিত সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়নি। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের পর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। তদন্ত অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা

চাঁদের পাশে ‘সন্ধ্যাতারা’, মুগ্ধ আকাশপ্রেমীরা

নিখোঁজের একদিন পর খাল থেকে যুবকের ম-র-দেহ উদ্ধার

আপডেট সময় ০৮:৪১:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কক্সবাজারের টেকনাফে নিখোঁজের একদিন পর আবসার উদ্দীন নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরের দিকে হ্নীলা ইউনিয়নের মৌলভীবাজার এলাকার ২ নম্বর সুইচগেটসংলগ্ন নাফ নদীর বেড়িবাঁধের পাশের একটি খাল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

আবসার উদ্দীন হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গীখালী এলাকার বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তিনি প্রায় দেড় মাস ধরে হোয়াব্রাং এলাকার একটি মুরগির খামারে দিনমজুর হিসেবে কাজ করছিলেন।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরের দিকে খামার থেকে বের হওয়ার পর আবসার নিখোঁজ হন। এরপর পরিবারের সদস্য ও খামারের মালিক বিভিন্ন স্থানে তাঁর খোঁজ করতে থাকেন।

খামারের মালিক মোহাম্মদ রফিক জানান, নিখোঁজ হওয়ার আগে আবসার কিছুটা অস্বাভাবিক আচরণ করছিলেন। একপর্যায়ে তিনি ‘পুলিশ’ বলে চিৎকার করে খামার থেকে বের হয়ে দৌড়ে চলে যান। পরে তাঁকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। বিষয়টি তাঁর পরিবারের সদস্যদের জানানো হয়।

সোমবার সকালে আবসারের খোঁজে তাঁর স্বজন ও পরিচিতরা বিভিন্ন এলাকায় অনুসন্ধান চালান। একপর্যায়ে মৌলভীবাজার এলাকার ২ নম্বর সুইচগেটসংলগ্ন খালে একটি মরদেহ থাকার খবর পাওয়া যায়। স্থানীয় লোকজন সেখানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। কয়েক ঘণ্টার অনুসন্ধানের পর দুপুরের দিকে পানির মধ্যে মরদেহটির সন্ধান পাওয়া যায়। পরে স্বজনরা মরদেহটি আবসার উদ্দীনের বলে শনাক্ত করেন।

খবর পেয়ে ৬৪ বিজিবির হ্নীলা বিওপির সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পরে টেকনাফ মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শুরু করে।

আবসারের চাচা কামাল হোসাইন বলেন, ‘আবসার ভালো স্বভাবের ছেলে ছিল। কোনো ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে সে জড়িত ছিল বলে আমাদের জানা নেই।’

এদিকে পরিবারের কয়েকজন সদস্য মৃত্যুর কারণ নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। স্থানীয় কয়েকজনও নিখোঁজ হওয়ার আগে আবসারকে দ্রুত দৌড়ে যেতে দেখেছেন বলে জানিয়েছেন। তবে এসব বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে মরদেহে দৃশ্যমান আঘাতের কোনো চিহ্ন পাওয়া গেছে কি না, সে বিষয়ে ময়নাতদন্তের আগে নিশ্চিত সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়নি। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের পর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। তদন্ত অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।