, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
লালপুরে পৌরসভা কার্যালয়ে চাঁদা দাবির অভিযোগে গ্রেপ্তার ১ শ্রেণিকক্ষে ঘুমানোর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর শিক্ষিকাকে শোকজ চৌদ্দগ্রামে ফ্রেন্ডস্ গ্রুপের উদ্যোগে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতায় হ্নীলায় যুবকের অংশগ্রহণ বাকৃবিতে স্বল্পমূল্যে কলা বিতরণ শুরু, দুধ-ডিমে পরবর্তী উদ্যোগের কথা জানাল প্রশাসন টুঙ্গিপাড়ায় ৩০০ জেলে পরিবার পেল ৭.৫ টন ভিজিএফের চাল কাশিয়ানীতে ৩০ বোতল স্কাফসহ মাদক কারবারি আটক ভাঙ্গুড়ায় নকল দুধ তৈরির কারখানায় অভিযান, লাখ টাকা জরিমানা ঠাকূরগাঁওয়ে ১০৬ গ্রাহকের সাড়ে ৯ লাখ টাকা নিয়ে উধাও পল্লী বিদ্যুতের মিটার রিডার! কাউনিয়ায় ‘আমাদের ডাক্তার’ স্ট্যাটিক ক্লিনিকের উদ্বোধন

টুঙ্গিপাড়ায় ৩০০ জেলে পরিবার পেল ৭.৫ টন ভিজিএফের চাল

৬

মা ইলিশ সংরক্ষণে ২২ দিনের মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞার মধ্যে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় ৩০০ নিবন্ধিত জেলে পরিবারের মধ্যে সরকারি খাদ্য সহায়তা হিসেবে ৭ দশমিক ৫ মেট্রিক টন ভিজিএফের চাল বিতরণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে উপজেলার পাটগাতী, ডুমুরিয়া ও কুশলী ইউনিয়ন এবং টুঙ্গিপাড়া পৌরসভার নির্ধারিত কেন্দ্রে এ চাল বিতরণ শুরু হয়। এর আগে উপজেলা খাদ্যগুদামে আনুষ্ঠানিকভাবে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. দিদারুল আলম।

এ সময় উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা দেবাশীষ বাছার, খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আজহারুল ইসলাম, পাটগাতী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সুভাষ চন্দ্র বিশ্বাসসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা মৎস্য বিভাগ জানায়, টুঙ্গিপাড়ার মধুমতি, বাঘিয়ার ঘাট ও দাড়িয়ার কুলসহ বিভিন্ন নদ-নদীতে ইলিশের বিচরণ রয়েছে। ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমকে সামনে রেখে মা ইলিশ রক্ষায় ৭ অক্টোবর দিবাগত মধ্যরাত থেকে ২৯ অক্টোবর দিবাগত মধ্যরাত পর্যন্ত ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা কার্যকর রয়েছে।

খাদ্য সহায়তা বিতরণের আগে জেলেদের নিয়ে সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ইউএনও মো. দিদারুল আলম নিষেধাজ্ঞার পুরো সময় নদীতে মাছ ধরা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে কেউ মাছ ধরলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, নিষেধাজ্ঞার সময় মাছ ধরতে না পারায় জেলে পরিবারগুলোর সাময়িক আর্থিক সংকট তৈরি হয়। এ পরিস্থিতিতে তাদের সহায়তা দিতে সরকারের পক্ষ থেকে ভিজিএফের চাল দেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে একদিকে জেলেদের খাদ্য সহায়তা নিশ্চিত করা হচ্ছে, অন্যদিকে নির্বিঘ্নে মা ইলিশের প্রজননের পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে।

চাল বিতরণকালে জেলেদের সরকারি নিষেধাজ্ঞা যথাযথভাবে মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে নিষেধাজ্ঞার সময়ে মা ইলিশ আহরণ, পরিবহন, বিক্রি ও মজুতের বিরুদ্ধে অভিযান ও আইনগত ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

মৎস্য কর্মকর্তারা বলেন, ইলিশের উৎপাদন ও প্রজনন বাড়াতে নিষেধাজ্ঞা কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে জেলেদের সচেতনতা ও প্রশাসনের সঙ্গে তাদের সহযোগিতা মা ইলিশ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা

লালপুরে পৌরসভা কার্যালয়ে চাঁদা দাবির অভিযোগে গ্রেপ্তার ১

টুঙ্গিপাড়ায় ৩০০ জেলে পরিবার পেল ৭.৫ টন ভিজিএফের চাল

আপডেট সময় ০৬:৩৬:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬
৬

মা ইলিশ সংরক্ষণে ২২ দিনের মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞার মধ্যে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় ৩০০ নিবন্ধিত জেলে পরিবারের মধ্যে সরকারি খাদ্য সহায়তা হিসেবে ৭ দশমিক ৫ মেট্রিক টন ভিজিএফের চাল বিতরণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে উপজেলার পাটগাতী, ডুমুরিয়া ও কুশলী ইউনিয়ন এবং টুঙ্গিপাড়া পৌরসভার নির্ধারিত কেন্দ্রে এ চাল বিতরণ শুরু হয়। এর আগে উপজেলা খাদ্যগুদামে আনুষ্ঠানিকভাবে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. দিদারুল আলম।

এ সময় উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা দেবাশীষ বাছার, খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আজহারুল ইসলাম, পাটগাতী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সুভাষ চন্দ্র বিশ্বাসসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা মৎস্য বিভাগ জানায়, টুঙ্গিপাড়ার মধুমতি, বাঘিয়ার ঘাট ও দাড়িয়ার কুলসহ বিভিন্ন নদ-নদীতে ইলিশের বিচরণ রয়েছে। ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমকে সামনে রেখে মা ইলিশ রক্ষায় ৭ অক্টোবর দিবাগত মধ্যরাত থেকে ২৯ অক্টোবর দিবাগত মধ্যরাত পর্যন্ত ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা কার্যকর রয়েছে।

খাদ্য সহায়তা বিতরণের আগে জেলেদের নিয়ে সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ইউএনও মো. দিদারুল আলম নিষেধাজ্ঞার পুরো সময় নদীতে মাছ ধরা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে কেউ মাছ ধরলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, নিষেধাজ্ঞার সময় মাছ ধরতে না পারায় জেলে পরিবারগুলোর সাময়িক আর্থিক সংকট তৈরি হয়। এ পরিস্থিতিতে তাদের সহায়তা দিতে সরকারের পক্ষ থেকে ভিজিএফের চাল দেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে একদিকে জেলেদের খাদ্য সহায়তা নিশ্চিত করা হচ্ছে, অন্যদিকে নির্বিঘ্নে মা ইলিশের প্রজননের পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে।

চাল বিতরণকালে জেলেদের সরকারি নিষেধাজ্ঞা যথাযথভাবে মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে নিষেধাজ্ঞার সময়ে মা ইলিশ আহরণ, পরিবহন, বিক্রি ও মজুতের বিরুদ্ধে অভিযান ও আইনগত ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

মৎস্য কর্মকর্তারা বলেন, ইলিশের উৎপাদন ও প্রজনন বাড়াতে নিষেধাজ্ঞা কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে জেলেদের সচেতনতা ও প্রশাসনের সঙ্গে তাদের সহযোগিতা মা ইলিশ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।