, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
হিমছড়ি ঢালায় ডাকাতির ঘটনায় তদন্তে অগ্রগতি, গ্রেপ্তার এক শিবচরে এক বছরে ২,৪৩১ বিয়ে, বিচ্ছেদ ১,২৩৭! কেন ভাঙছে এত সংসার? এসআরবি-১৫-এর অভিযানে সাতকানিয়ায় ৯ মামলার আসামি গ্রেপ্তার লালপুরে ভুল স্বীকার করে বিএনপিতে ফিরতে চান যুবদল ও ছাত্রদলের নেতারা কাউনিয়ায় হত্যা মামলায় ইউপি সদস্যকে আসামি করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন চৌদ্দগ্রামে মাদক, চুরি ও ডাকাতির বিরুদ্ধে আলোচনা সভা উখিয়ায় ইয়াবাসহ যুবক আটক, উদ্ধার দুটি দা শাহজাদপুরে মরহুম আবু তালেব মাস্টারের স্মরণে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত কাউনিয়ায় তকিপল বাজার যুব সংঘের আহ্বায়ক কমিটি গঠন চৌদ্দগ্রাম কনকাপৈতে তাফসিরুল কোরআন মাহফিল অনুষ্ঠিত

হাত ভা-ঙা নিয়েও টানা ১৫ দিন অফিস করলেন বর্ণি ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান সামাদ মুন্সী

  • Avatar photo মোঃ ছাইম খাঁন
  • আপডেট সময় ০৫:০৯:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • 90

হাত ভাঙা নিয়েও টানা ১৫ দিন অফিস করলেন বর্ণি ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান সামাদ মুন্সী

১১৫

শারীরিক অসুস্থতা ও হাত ভাঙার কষ্টকে উপেক্ষা করে টানা ১৫ দিন ইউনিয়ন পরিষদে অফিস করেছেন গোপালগঞ্জের বর্ণি ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান সামাদ মুন্সী। তাঁর এমন দায়িত্বশীলতা ও সাধারণ মানুষের প্রতি আন্তরিকতার প্রশংসা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

সরেজমিনে বর্ণি ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে দেখা যায়, হাত ভাঙার পরও প্যানেল চেয়ারম্যান সামাদ মুন্সী নিয়মিত পরিষদে উপস্থিত থেকে সাধারণ মানুষের বিভিন্ন সমস্যা শুনছেন এবং ইউনিয়ন পরিষদের সেবা কার্যক্রমে সময় দিচ্ছেন।

এলাকাবাসী জানান, জন্মনিবন্ধন, ট্রেড লাইসেন্স, নাগরিক সনদসহ বিভিন্ন সেবা নিতে ইউনিয়ন পরিষদে আসা সাধারণ মানুষ প্রয়োজনীয় স্বাক্ষর ও অন্যান্য কাজে তাঁর সহযোগিতা পাচ্ছেন। শারীরিক অসুস্থতার মধ্যেও তিনি টানা ১৫ দিন পরিষদে উপস্থিত থেকে মানুষের সেবা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন।

স্থানীয়দের দাবি, বর্ণি ইউনিয়নের মানুষের সুখে-দুঃখে ও বিপদে-আপদে প্যানেল চেয়ারম্যান সামাদ মুন্সীকে পাশে পাওয়া যায়। নিজের শারীরিক কষ্টের কথা চিন্তা না করে পরিষদে এসে সাধারণ মানুষের সেবা দেওয়ায় তাঁর প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করেছেন অনেকেই।

এ বিষয়ে বর্ণি ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান সামাদ মুন্সী বলেন, “আমি প্যানেল চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই চেষ্টা করে আসছি, মানুষের সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার। আমি চাই, একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে মানুষ যেন আমাকে ভালোভাবে মনে রাখে। একজন চেয়ারম্যান সবার চোখে ভালো হতে পারেন না, তারপরও আমি আমার জায়গা থেকে সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা করি।”

তিনি আরও বলেন, “হাত ভাঙার পর শারীরিকভাবে কিছুটা কষ্ট হচ্ছে। তারপরও সাধারণ মানুষ যেন ইউনিয়ন পরিষদে এসে সেবা থেকে বঞ্চিত না হন, সে জন্য নিয়মিত অফিস করার চেষ্টা করেছি। যতদিন দায়িত্বে আছি, ততদিন মানুষের পাশে থেকে সেবা করে যেতে চাই।”

স্থানীয়রা বলেন, জনপ্রতিনিধিদের মূল দায়িত্বই হলো জনগণের পাশে থাকা। শারীরিক অসুস্থতার মধ্যেও ইউনিয়ন পরিষদে উপস্থিত থেকে মানুষের সেবা দেওয়ার এমন উদ্যোগ জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্ববোধের একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা

হিমছড়ি ঢালায় ডাকাতির ঘটনায় তদন্তে অগ্রগতি, গ্রেপ্তার এক

হাত ভা-ঙা নিয়েও টানা ১৫ দিন অফিস করলেন বর্ণি ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান সামাদ মুন্সী

আপডেট সময় ০৫:০৯:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১১৫

শারীরিক অসুস্থতা ও হাত ভাঙার কষ্টকে উপেক্ষা করে টানা ১৫ দিন ইউনিয়ন পরিষদে অফিস করেছেন গোপালগঞ্জের বর্ণি ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান সামাদ মুন্সী। তাঁর এমন দায়িত্বশীলতা ও সাধারণ মানুষের প্রতি আন্তরিকতার প্রশংসা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

সরেজমিনে বর্ণি ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে দেখা যায়, হাত ভাঙার পরও প্যানেল চেয়ারম্যান সামাদ মুন্সী নিয়মিত পরিষদে উপস্থিত থেকে সাধারণ মানুষের বিভিন্ন সমস্যা শুনছেন এবং ইউনিয়ন পরিষদের সেবা কার্যক্রমে সময় দিচ্ছেন।

এলাকাবাসী জানান, জন্মনিবন্ধন, ট্রেড লাইসেন্স, নাগরিক সনদসহ বিভিন্ন সেবা নিতে ইউনিয়ন পরিষদে আসা সাধারণ মানুষ প্রয়োজনীয় স্বাক্ষর ও অন্যান্য কাজে তাঁর সহযোগিতা পাচ্ছেন। শারীরিক অসুস্থতার মধ্যেও তিনি টানা ১৫ দিন পরিষদে উপস্থিত থেকে মানুষের সেবা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন।

স্থানীয়দের দাবি, বর্ণি ইউনিয়নের মানুষের সুখে-দুঃখে ও বিপদে-আপদে প্যানেল চেয়ারম্যান সামাদ মুন্সীকে পাশে পাওয়া যায়। নিজের শারীরিক কষ্টের কথা চিন্তা না করে পরিষদে এসে সাধারণ মানুষের সেবা দেওয়ায় তাঁর প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করেছেন অনেকেই।

এ বিষয়ে বর্ণি ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান সামাদ মুন্সী বলেন, “আমি প্যানেল চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই চেষ্টা করে আসছি, মানুষের সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার। আমি চাই, একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে মানুষ যেন আমাকে ভালোভাবে মনে রাখে। একজন চেয়ারম্যান সবার চোখে ভালো হতে পারেন না, তারপরও আমি আমার জায়গা থেকে সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা করি।”

তিনি আরও বলেন, “হাত ভাঙার পর শারীরিকভাবে কিছুটা কষ্ট হচ্ছে। তারপরও সাধারণ মানুষ যেন ইউনিয়ন পরিষদে এসে সেবা থেকে বঞ্চিত না হন, সে জন্য নিয়মিত অফিস করার চেষ্টা করেছি। যতদিন দায়িত্বে আছি, ততদিন মানুষের পাশে থেকে সেবা করে যেতে চাই।”

স্থানীয়রা বলেন, জনপ্রতিনিধিদের মূল দায়িত্বই হলো জনগণের পাশে থাকা। শারীরিক অসুস্থতার মধ্যেও ইউনিয়ন পরিষদে উপস্থিত থেকে মানুষের সেবা দেওয়ার এমন উদ্যোগ জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্ববোধের একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকতে পারে।