, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
লালপুরে মাজার ও মসজিদে চুরি মা-ইলিশ রক্ষা নিষেধাজ্ঞা: সাগরে নামার আগেই ঋণের জালে আব্দুল মান্নান,নুরনবি সহ হালিশহরের অসংখ্য মৎস্যজীবীরা সন্দেহজনক বোটে থামার সংকেত, পালিয়ে গেল পাচারকারীরা উত্তরে জেলা ঠাকূরগাঁওয়ে শীতের আগাম বার্তা। দক্ষিণ আফ্রিকায় যাওয়ার পথে জিম্বাবুয়ের জঙ্গলে প্রাণ গেল রাণীশংকৈলের নুর আলমের স্থানীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রার্থীরা ঘুরছেন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ভারতে অচেতন অবস্থায় উদ্ধারের সাত মাস পর সুস্থতার পথে বাকৃবির সাংবাদিক জীম এমপি জিলানীর সঙ্গে দুর্গামন্দির পরিদর্শনে বিএনপি নেতা অলিউর রহমান ও যুবদল নেতা শেহাব মোল্লা উখিয়ায় বিজিবির অভিযানে ২০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার লালপুরে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ৪৬ মণ্ডপে দুর্গাপূজার বিসর্জন

হাত ভা-ঙা নিয়েও টানা ১৫ দিন অফিস করলেন বর্ণি ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান সামাদ মুন্সী

  • Avatar photo মোঃ ছাইম খাঁন
  • আপডেট সময় ০৫:০৯:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • 86

হাত ভাঙা নিয়েও টানা ১৫ দিন অফিস করলেন বর্ণি ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান সামাদ মুন্সী

১০৭

শারীরিক অসুস্থতা ও হাত ভাঙার কষ্টকে উপেক্ষা করে টানা ১৫ দিন ইউনিয়ন পরিষদে অফিস করেছেন গোপালগঞ্জের বর্ণি ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান সামাদ মুন্সী। তাঁর এমন দায়িত্বশীলতা ও সাধারণ মানুষের প্রতি আন্তরিকতার প্রশংসা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

সরেজমিনে বর্ণি ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে দেখা যায়, হাত ভাঙার পরও প্যানেল চেয়ারম্যান সামাদ মুন্সী নিয়মিত পরিষদে উপস্থিত থেকে সাধারণ মানুষের বিভিন্ন সমস্যা শুনছেন এবং ইউনিয়ন পরিষদের সেবা কার্যক্রমে সময় দিচ্ছেন।

এলাকাবাসী জানান, জন্মনিবন্ধন, ট্রেড লাইসেন্স, নাগরিক সনদসহ বিভিন্ন সেবা নিতে ইউনিয়ন পরিষদে আসা সাধারণ মানুষ প্রয়োজনীয় স্বাক্ষর ও অন্যান্য কাজে তাঁর সহযোগিতা পাচ্ছেন। শারীরিক অসুস্থতার মধ্যেও তিনি টানা ১৫ দিন পরিষদে উপস্থিত থেকে মানুষের সেবা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন।

স্থানীয়দের দাবি, বর্ণি ইউনিয়নের মানুষের সুখে-দুঃখে ও বিপদে-আপদে প্যানেল চেয়ারম্যান সামাদ মুন্সীকে পাশে পাওয়া যায়। নিজের শারীরিক কষ্টের কথা চিন্তা না করে পরিষদে এসে সাধারণ মানুষের সেবা দেওয়ায় তাঁর প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করেছেন অনেকেই।

এ বিষয়ে বর্ণি ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান সামাদ মুন্সী বলেন, “আমি প্যানেল চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই চেষ্টা করে আসছি, মানুষের সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার। আমি চাই, একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে মানুষ যেন আমাকে ভালোভাবে মনে রাখে। একজন চেয়ারম্যান সবার চোখে ভালো হতে পারেন না, তারপরও আমি আমার জায়গা থেকে সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা করি।”

তিনি আরও বলেন, “হাত ভাঙার পর শারীরিকভাবে কিছুটা কষ্ট হচ্ছে। তারপরও সাধারণ মানুষ যেন ইউনিয়ন পরিষদে এসে সেবা থেকে বঞ্চিত না হন, সে জন্য নিয়মিত অফিস করার চেষ্টা করেছি। যতদিন দায়িত্বে আছি, ততদিন মানুষের পাশে থেকে সেবা করে যেতে চাই।”

স্থানীয়রা বলেন, জনপ্রতিনিধিদের মূল দায়িত্বই হলো জনগণের পাশে থাকা। শারীরিক অসুস্থতার মধ্যেও ইউনিয়ন পরিষদে উপস্থিত থেকে মানুষের সেবা দেওয়ার এমন উদ্যোগ জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্ববোধের একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা

লালপুরে মাজার ও মসজিদে চুরি

হাত ভা-ঙা নিয়েও টানা ১৫ দিন অফিস করলেন বর্ণি ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান সামাদ মুন্সী

আপডেট সময় ০৫:০৯:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১০৭

শারীরিক অসুস্থতা ও হাত ভাঙার কষ্টকে উপেক্ষা করে টানা ১৫ দিন ইউনিয়ন পরিষদে অফিস করেছেন গোপালগঞ্জের বর্ণি ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান সামাদ মুন্সী। তাঁর এমন দায়িত্বশীলতা ও সাধারণ মানুষের প্রতি আন্তরিকতার প্রশংসা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

সরেজমিনে বর্ণি ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে দেখা যায়, হাত ভাঙার পরও প্যানেল চেয়ারম্যান সামাদ মুন্সী নিয়মিত পরিষদে উপস্থিত থেকে সাধারণ মানুষের বিভিন্ন সমস্যা শুনছেন এবং ইউনিয়ন পরিষদের সেবা কার্যক্রমে সময় দিচ্ছেন।

এলাকাবাসী জানান, জন্মনিবন্ধন, ট্রেড লাইসেন্স, নাগরিক সনদসহ বিভিন্ন সেবা নিতে ইউনিয়ন পরিষদে আসা সাধারণ মানুষ প্রয়োজনীয় স্বাক্ষর ও অন্যান্য কাজে তাঁর সহযোগিতা পাচ্ছেন। শারীরিক অসুস্থতার মধ্যেও তিনি টানা ১৫ দিন পরিষদে উপস্থিত থেকে মানুষের সেবা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন।

স্থানীয়দের দাবি, বর্ণি ইউনিয়নের মানুষের সুখে-দুঃখে ও বিপদে-আপদে প্যানেল চেয়ারম্যান সামাদ মুন্সীকে পাশে পাওয়া যায়। নিজের শারীরিক কষ্টের কথা চিন্তা না করে পরিষদে এসে সাধারণ মানুষের সেবা দেওয়ায় তাঁর প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করেছেন অনেকেই।

এ বিষয়ে বর্ণি ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান সামাদ মুন্সী বলেন, “আমি প্যানেল চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই চেষ্টা করে আসছি, মানুষের সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার। আমি চাই, একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে মানুষ যেন আমাকে ভালোভাবে মনে রাখে। একজন চেয়ারম্যান সবার চোখে ভালো হতে পারেন না, তারপরও আমি আমার জায়গা থেকে সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা করি।”

তিনি আরও বলেন, “হাত ভাঙার পর শারীরিকভাবে কিছুটা কষ্ট হচ্ছে। তারপরও সাধারণ মানুষ যেন ইউনিয়ন পরিষদে এসে সেবা থেকে বঞ্চিত না হন, সে জন্য নিয়মিত অফিস করার চেষ্টা করেছি। যতদিন দায়িত্বে আছি, ততদিন মানুষের পাশে থেকে সেবা করে যেতে চাই।”

স্থানীয়রা বলেন, জনপ্রতিনিধিদের মূল দায়িত্বই হলো জনগণের পাশে থাকা। শারীরিক অসুস্থতার মধ্যেও ইউনিয়ন পরিষদে উপস্থিত থেকে মানুষের সেবা দেওয়ার এমন উদ্যোগ জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্ববোধের একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকতে পারে।