, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
গোপালগঞ্জে এস এ পরিবহনে কোটি টাকার মা-দ-ক চোরা-চালান” ম্যানেজার আটক কালাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী নওগাঁ জেলায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন সিরাজগঞ্জে হ-ত্যা মাম-লার ৬ জনের যাব-জ্জীবন কারাদণ্ড কাউনিয়ায় নিরাপদ অভিবাসন নিয়ে প্রবাসবন্ধু ফোরামের ত্রৈমাসিক সভা কাউনিয়ায় পাকা সেতু না থাকায় ডিঙি নৌকায় ঝুঁকি নিয়ে নদী পারাপার সিটি কর্পোরেশনের খেলার মাঠের সুব্যবস্থাকরণের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের সভাপতিত্বে সভা অনুষ্ঠিত রাজশাহী সদর দলিল লেখক সমিতির পক্ষ থেকে জেলা পরিষদের প্রশাসককে ফুলেল শুভেচ্ছা ভেটেরিনারি চিকিৎসকের ওপর হা-ম-লার ঘটনায় বাকৃবিতে প্রতিবাদ রাষ্ট্রপতির একান্ত সচিব পদে ঠাকূরগাঁওয়ের কৃতি সন্তান আউয়াল আহমেদ

ফসলের ন্যায্য দাম না পেয়ে লোকসানে কৃষক, চাষাবাদ নিয়ে শঙ্কা

ফসলের ন্যায্য দাম না পেয়ে লোকসানে কৃষক, চাষাবাদ নিয়ে শঙ্কা

১৮

জীবিকার তাগিদে কৃষক মাঠে ফসল ফলান। রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে মাসের পর মাস পরিশ্রম করে উৎপাদন করেন বিভিন্ন ধরনের কৃষিপণ্য। তবে সেই ফসল বাজারে বিক্রি করতে গিয়ে ন্যায্য দাম না পাওয়ায় লোকসানের মুখে পড়ছেন অনেক কৃষক। এতে আগামী মৌসুমে চাষাবাদ অব্যাহত রাখা নিয়েও দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা।

ফরিদপুর লোহার ব্রিজ সংলগ্ন আড়ত এলাকায় রয়েছে কাঁচামালের অন্যতম বড় বাজার। প্রতিদিন আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে কৃষকরা তাদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য নিয়ে এই বাজারে আসেন। কিন্তু বর্তমান বাজারদরে প্রত্যাশিত মূল্য না পাওয়ায় হতাশ হয়ে ফিরতে হচ্ছে অনেক কৃষককে।

কৃষকদের অভিযোগ, বীজ, সার, কীটনাশক, সেচ, শ্রমিক ও পরিবহনসহ ফসল উৎপাদনে তাদের যে পরিমাণ খরচ হয়, সেই তুলনায় বাজারে ফসলের দাম অনেক কম। ফলে ফসল বিক্রি করেও উৎপাদন খরচ উঠছে না। এতে অনেক কৃষকই লোকসান গুনছেন।

এক কৃষক বলেন, “অনেক কষ্ট করে ফসল ফলাই। কিন্তু বাজারে এসে যদি ন্যায্য দাম না পাই, তাহলে এই লোকসান কীভাবে সামলাব? বারবার লোকসান হলে আগামীতে চাষাবাদ করব কীভাবে?”

কৃষকরা আরও বলেন, তারা যদি ফসলের ন্যায্য মূল্য না পান এবং লোকসানের কারণে চাষাবাদ কমিয়ে দেন, তাহলে ভবিষ্যতে কৃষিপণ্যের উৎপাদন কমে যেতে পারে। এতে বাজারে পণ্যের সংকট তৈরি হওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের চাহিদা পূরণেও সমস্যা দেখা দিতে পারে।

কৃষকদের দাবি, উৎপাদন খরচ বিবেচনায় নিয়ে কৃষিপণ্যের ন্যায্য ও লাভজনক দাম নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমিয়ে কৃষক যেন সরাসরি ন্যায্য বাজারমূল্য পান, সে ব্যবস্থারও দাবি জানিয়েছেন তারা।

জনপ্রিয় সংবাদ
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা

গোপালগঞ্জে এস এ পরিবহনে কোটি টাকার মা-দ-ক চোরা-চালান” ম্যানেজার আটক

ফসলের ন্যায্য দাম না পেয়ে লোকসানে কৃষক, চাষাবাদ নিয়ে শঙ্কা

আপডেট সময় ০৯:৩৯:৪০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬
১৮

জীবিকার তাগিদে কৃষক মাঠে ফসল ফলান। রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে মাসের পর মাস পরিশ্রম করে উৎপাদন করেন বিভিন্ন ধরনের কৃষিপণ্য। তবে সেই ফসল বাজারে বিক্রি করতে গিয়ে ন্যায্য দাম না পাওয়ায় লোকসানের মুখে পড়ছেন অনেক কৃষক। এতে আগামী মৌসুমে চাষাবাদ অব্যাহত রাখা নিয়েও দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা।

ফরিদপুর লোহার ব্রিজ সংলগ্ন আড়ত এলাকায় রয়েছে কাঁচামালের অন্যতম বড় বাজার। প্রতিদিন আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে কৃষকরা তাদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য নিয়ে এই বাজারে আসেন। কিন্তু বর্তমান বাজারদরে প্রত্যাশিত মূল্য না পাওয়ায় হতাশ হয়ে ফিরতে হচ্ছে অনেক কৃষককে।

কৃষকদের অভিযোগ, বীজ, সার, কীটনাশক, সেচ, শ্রমিক ও পরিবহনসহ ফসল উৎপাদনে তাদের যে পরিমাণ খরচ হয়, সেই তুলনায় বাজারে ফসলের দাম অনেক কম। ফলে ফসল বিক্রি করেও উৎপাদন খরচ উঠছে না। এতে অনেক কৃষকই লোকসান গুনছেন।

এক কৃষক বলেন, “অনেক কষ্ট করে ফসল ফলাই। কিন্তু বাজারে এসে যদি ন্যায্য দাম না পাই, তাহলে এই লোকসান কীভাবে সামলাব? বারবার লোকসান হলে আগামীতে চাষাবাদ করব কীভাবে?”

কৃষকরা আরও বলেন, তারা যদি ফসলের ন্যায্য মূল্য না পান এবং লোকসানের কারণে চাষাবাদ কমিয়ে দেন, তাহলে ভবিষ্যতে কৃষিপণ্যের উৎপাদন কমে যেতে পারে। এতে বাজারে পণ্যের সংকট তৈরি হওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের চাহিদা পূরণেও সমস্যা দেখা দিতে পারে।

কৃষকদের দাবি, উৎপাদন খরচ বিবেচনায় নিয়ে কৃষিপণ্যের ন্যায্য ও লাভজনক দাম নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমিয়ে কৃষক যেন সরাসরি ন্যায্য বাজারমূল্য পান, সে ব্যবস্থারও দাবি জানিয়েছেন তারা।