, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
মাদকমুক্ত ও মডেল ইউনিয়ন গড়ার প্রত্যয়ে চেয়ারম্যান পদে লড়তে চান মুক্তার হোসেন মোল্লা মঠবাড়িয়ার মিরুখালী ইউনিয়নের ৯টি পূজা মণ্ডপে যুবদল নেতা এ আর মামুন খানের আর্থিক সহায়তা প্রদান তিন জেলার ৬৩ পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় কোস্ট গার্ড পঞ্চগড়ে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত ৩৫ পরিবার পেল ঢেউটিন ও ঘর মেরামতের টাকা স্থানীয় নির্বাচন করতে পারবেন এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা চৌদ্দগ্রাম বন্ধন কাফেলার উদ্যোগে নিহত রং মেস্তরির পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান। শিবচরে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট উত্তরণে সরকারের উদ্যোগ প্রচার এবং লিফলেট বিতরণ “আল আরবে দুই বাংলাদেশী খুন: আসল অপরাধী সৌদি স্বৈরতন্ত্র বললেন আল্লামা ইমাম হায়াত” মিরুখালীতে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করলেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ নাজমুল ইসলাম রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযানে ১৭ জনের কারাদণ্ড

ফসলের ন্যায্য দাম না পেয়ে লোকসানে কৃষক, চাষাবাদ নিয়ে শঙ্কা

ফসলের ন্যায্য দাম না পেয়ে লোকসানে কৃষক, চাষাবাদ নিয়ে শঙ্কা

৯২

জীবিকার তাগিদে কৃষক মাঠে ফসল ফলান। রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে মাসের পর মাস পরিশ্রম করে উৎপাদন করেন বিভিন্ন ধরনের কৃষিপণ্য। তবে সেই ফসল বাজারে বিক্রি করতে গিয়ে ন্যায্য দাম না পাওয়ায় লোকসানের মুখে পড়ছেন অনেক কৃষক। এতে আগামী মৌসুমে চাষাবাদ অব্যাহত রাখা নিয়েও দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা।

ফরিদপুর লোহার ব্রিজ সংলগ্ন আড়ত এলাকায় রয়েছে কাঁচামালের অন্যতম বড় বাজার। প্রতিদিন আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে কৃষকরা তাদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য নিয়ে এই বাজারে আসেন। কিন্তু বর্তমান বাজারদরে প্রত্যাশিত মূল্য না পাওয়ায় হতাশ হয়ে ফিরতে হচ্ছে অনেক কৃষককে।

কৃষকদের অভিযোগ, বীজ, সার, কীটনাশক, সেচ, শ্রমিক ও পরিবহনসহ ফসল উৎপাদনে তাদের যে পরিমাণ খরচ হয়, সেই তুলনায় বাজারে ফসলের দাম অনেক কম। ফলে ফসল বিক্রি করেও উৎপাদন খরচ উঠছে না। এতে অনেক কৃষকই লোকসান গুনছেন।

এক কৃষক বলেন, “অনেক কষ্ট করে ফসল ফলাই। কিন্তু বাজারে এসে যদি ন্যায্য দাম না পাই, তাহলে এই লোকসান কীভাবে সামলাব? বারবার লোকসান হলে আগামীতে চাষাবাদ করব কীভাবে?”

কৃষকরা আরও বলেন, তারা যদি ফসলের ন্যায্য মূল্য না পান এবং লোকসানের কারণে চাষাবাদ কমিয়ে দেন, তাহলে ভবিষ্যতে কৃষিপণ্যের উৎপাদন কমে যেতে পারে। এতে বাজারে পণ্যের সংকট তৈরি হওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের চাহিদা পূরণেও সমস্যা দেখা দিতে পারে।

কৃষকদের দাবি, উৎপাদন খরচ বিবেচনায় নিয়ে কৃষিপণ্যের ন্যায্য ও লাভজনক দাম নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমিয়ে কৃষক যেন সরাসরি ন্যায্য বাজারমূল্য পান, সে ব্যবস্থারও দাবি জানিয়েছেন তারা।

জনপ্রিয় সংবাদ
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা

মাদকমুক্ত ও মডেল ইউনিয়ন গড়ার প্রত্যয়ে চেয়ারম্যান পদে লড়তে চান মুক্তার হোসেন মোল্লা

ফসলের ন্যায্য দাম না পেয়ে লোকসানে কৃষক, চাষাবাদ নিয়ে শঙ্কা

আপডেট সময় ০৯:৩৯:৪০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬
৯২

জীবিকার তাগিদে কৃষক মাঠে ফসল ফলান। রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে মাসের পর মাস পরিশ্রম করে উৎপাদন করেন বিভিন্ন ধরনের কৃষিপণ্য। তবে সেই ফসল বাজারে বিক্রি করতে গিয়ে ন্যায্য দাম না পাওয়ায় লোকসানের মুখে পড়ছেন অনেক কৃষক। এতে আগামী মৌসুমে চাষাবাদ অব্যাহত রাখা নিয়েও দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা।

ফরিদপুর লোহার ব্রিজ সংলগ্ন আড়ত এলাকায় রয়েছে কাঁচামালের অন্যতম বড় বাজার। প্রতিদিন আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে কৃষকরা তাদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য নিয়ে এই বাজারে আসেন। কিন্তু বর্তমান বাজারদরে প্রত্যাশিত মূল্য না পাওয়ায় হতাশ হয়ে ফিরতে হচ্ছে অনেক কৃষককে।

কৃষকদের অভিযোগ, বীজ, সার, কীটনাশক, সেচ, শ্রমিক ও পরিবহনসহ ফসল উৎপাদনে তাদের যে পরিমাণ খরচ হয়, সেই তুলনায় বাজারে ফসলের দাম অনেক কম। ফলে ফসল বিক্রি করেও উৎপাদন খরচ উঠছে না। এতে অনেক কৃষকই লোকসান গুনছেন।

এক কৃষক বলেন, “অনেক কষ্ট করে ফসল ফলাই। কিন্তু বাজারে এসে যদি ন্যায্য দাম না পাই, তাহলে এই লোকসান কীভাবে সামলাব? বারবার লোকসান হলে আগামীতে চাষাবাদ করব কীভাবে?”

কৃষকরা আরও বলেন, তারা যদি ফসলের ন্যায্য মূল্য না পান এবং লোকসানের কারণে চাষাবাদ কমিয়ে দেন, তাহলে ভবিষ্যতে কৃষিপণ্যের উৎপাদন কমে যেতে পারে। এতে বাজারে পণ্যের সংকট তৈরি হওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের চাহিদা পূরণেও সমস্যা দেখা দিতে পারে।

কৃষকদের দাবি, উৎপাদন খরচ বিবেচনায় নিয়ে কৃষিপণ্যের ন্যায্য ও লাভজনক দাম নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমিয়ে কৃষক যেন সরাসরি ন্যায্য বাজারমূল্য পান, সে ব্যবস্থারও দাবি জানিয়েছেন তারা।