, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
৪৫তম বিসিএসে কৃষি ক্যাডার সুপারিশপ্রাপ্ত মীর তানভীরের রহস্যজনক মৃ/ত্যু: দু/র্ঘ/টনা নাকি হ/ত্যা/কাণ্ড? রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে বিভিন্ন অনিয়ম, রোগী ও স্বজনদের ভোগান্তি জামালপুরে ৭ দফা দাবিতে দলিল লেখক সমিতির স্মারকলিপি ময়মনসিংহ নগরীর দুর্গা বাড়ি রোড ঔষধের দোকানে অভিযান নাটোর বনপাড়া বিএনপির দুই গ্রুপের সং/ঘ/র্ষে আহত ৫ শিবচরের বাখরের কান্দিতে অজ্ঞাত তরুণীর ম/র/দেহ উ/দ্ধার ২০০ বছরের বেশি পুরনো ঐতিহ্যবাহী নৌকার হাট বাকৃবিতে ২৯ তম ‘বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ’ শেষে সনদ পেলেন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৫ জন কর্মকর্তা বকশীগঞ্জে সীমান্তে ৩৫ বিজিবির অভিযানে ভারতীয় ম/দ উ/দ্ধার গোপালগঞ্জে ৬৪ হাজারের বেশি ই/য়া/বাসহ দুইজন গ্রে/প্তার

পরীক্ষার্থী ১০জন, পাস শূন্য: মঠবাড়িয়ার দুই মাদ্রাসার করুণ চিত্র

পরীক্ষার্থী ১০জন, পাস শূন্য: মঠবাড়িয়ার দুই মাদ্রাসার করুণ চিত্র

১৮

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার আলগী বালিকা দাখিল মাদ্রাসায় ১০ জন পরীক্ষার্থী এ বছরের দাখিল পরীক্ষার ফরম ফিলাপ করলেও পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে মাত্র ১ জন।একমাত্র ওই পরীক্ষার্থী ফেল করায় মাদ্রাসার শিক্ষা ব্যবস্থার চরম চিত্র শিক্ষকদের দায়িত্বহীনতার পরিচয় ফুটে উঠেছে।

মাদ্রাসাটির সুপার হারুন অর রশীদের বক্তব্য -বালিকা মাদ্রাসায় দাখিল পরীক্ষার আগেই মেয়েদের বিবাহ হয়ে যায়। এবারও ১০ জন শিক্ষার্থীর ৯ জনেরই বিবাহ হয়ে গেছে।আর পরীক্ষায় অংশ নেওয়া একমাত্র শিক্ষার্থী ইতিহাস পরীক্ষার দিন অসুস্থ হয়ে পড়ে।এর ফলে এ বছর কেউ পাস করতে পারেনি।

মঠবাড়িয়া উপজেলার আরেকটি মাদ্রাসা মধ্য বড় শৌলা ইসলামীয়া দাখিল মাদ্রাসা। এ মাদ্রাসা থেকেও এ বছরের দাখিল পরীক্ষায় ১০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪ জন অংশগ্রহণ করে ৪ জনই ফেল করেছে।

এ ব্যাপারে মাদ্রাসাটির সুপারিন্টেন্ডেন্ট মাওলানা নাসরুল্লাহ জানান,শিক্ষক সংকট ও লেখাপড়ার প্রতি শিক্ষার্থীদের অবহেলার জন্যই রেজাল্ট খারাপ হয়েছে। ১০ বছর ধরে বাংলা শিক্ষকের পদ শূন্য। আর ইংরেজি শিক্ষকের পদ শূন্য ৩ বছর ধরে।২১ জন শিক্ষক কর্মচারীর মধ্যে ১২টি পদই শূন্য।এছাড়া পরীক্ষা কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের খবর শুনে ১০ জনের মধ্যে ৬ জনই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেনি।

মঠবাড়িয়া উপজেলার এ দুই প্রতিষ্ঠানে কেউ পাস না করার বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জাহাঙ্গীর হোসেন।

তবে স্থানীয়রা জানান,মাদ্রাসার অনিয়ম অসঙ্গতি দেখার কেউ নেই।অভিভাবকহীন যদি কোন প্রতিষ্ঠান থাকে তা হলো মাদ্রাসা।সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ টাকা পেলেই ম্যানেজ।মিনিস্ট্রি অডিটের জন্য শিক্ষক কর্মচারীরা এক মাসের বিল দেওয়ার একটি রেওয়াজ তৈরি হয়ে গেছে। এভাবে বছরের পর বছর একজন শিক্ষার্থী পাস না করলেও তাদের কিছু যায় আসেনা।মাদ্রাসা অধিদপ্তর টাকার জন্য তাকিয়ে থাকে।টাকা দিলেই শোকজের জবাব সন্তোষজনক হয়।এই ধরনের অপসংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসা উচিত বলে মনে করছেন অনেকেই।

জনপ্রিয় সংবাদ
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা

৪৫তম বিসিএসে কৃষি ক্যাডার সুপারিশপ্রাপ্ত মীর তানভীরের রহস্যজনক মৃ/ত্যু: দু/র্ঘ/টনা নাকি হ/ত্যা/কাণ্ড?

পরীক্ষার্থী ১০জন, পাস শূন্য: মঠবাড়িয়ার দুই মাদ্রাসার করুণ চিত্র

আপডেট সময় ১০:৪৮:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬
১৮

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার আলগী বালিকা দাখিল মাদ্রাসায় ১০ জন পরীক্ষার্থী এ বছরের দাখিল পরীক্ষার ফরম ফিলাপ করলেও পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে মাত্র ১ জন।একমাত্র ওই পরীক্ষার্থী ফেল করায় মাদ্রাসার শিক্ষা ব্যবস্থার চরম চিত্র শিক্ষকদের দায়িত্বহীনতার পরিচয় ফুটে উঠেছে।

মাদ্রাসাটির সুপার হারুন অর রশীদের বক্তব্য -বালিকা মাদ্রাসায় দাখিল পরীক্ষার আগেই মেয়েদের বিবাহ হয়ে যায়। এবারও ১০ জন শিক্ষার্থীর ৯ জনেরই বিবাহ হয়ে গেছে।আর পরীক্ষায় অংশ নেওয়া একমাত্র শিক্ষার্থী ইতিহাস পরীক্ষার দিন অসুস্থ হয়ে পড়ে।এর ফলে এ বছর কেউ পাস করতে পারেনি।

মঠবাড়িয়া উপজেলার আরেকটি মাদ্রাসা মধ্য বড় শৌলা ইসলামীয়া দাখিল মাদ্রাসা। এ মাদ্রাসা থেকেও এ বছরের দাখিল পরীক্ষায় ১০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪ জন অংশগ্রহণ করে ৪ জনই ফেল করেছে।

এ ব্যাপারে মাদ্রাসাটির সুপারিন্টেন্ডেন্ট মাওলানা নাসরুল্লাহ জানান,শিক্ষক সংকট ও লেখাপড়ার প্রতি শিক্ষার্থীদের অবহেলার জন্যই রেজাল্ট খারাপ হয়েছে। ১০ বছর ধরে বাংলা শিক্ষকের পদ শূন্য। আর ইংরেজি শিক্ষকের পদ শূন্য ৩ বছর ধরে।২১ জন শিক্ষক কর্মচারীর মধ্যে ১২টি পদই শূন্য।এছাড়া পরীক্ষা কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের খবর শুনে ১০ জনের মধ্যে ৬ জনই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেনি।

মঠবাড়িয়া উপজেলার এ দুই প্রতিষ্ঠানে কেউ পাস না করার বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জাহাঙ্গীর হোসেন।

তবে স্থানীয়রা জানান,মাদ্রাসার অনিয়ম অসঙ্গতি দেখার কেউ নেই।অভিভাবকহীন যদি কোন প্রতিষ্ঠান থাকে তা হলো মাদ্রাসা।সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ টাকা পেলেই ম্যানেজ।মিনিস্ট্রি অডিটের জন্য শিক্ষক কর্মচারীরা এক মাসের বিল দেওয়ার একটি রেওয়াজ তৈরি হয়ে গেছে। এভাবে বছরের পর বছর একজন শিক্ষার্থী পাস না করলেও তাদের কিছু যায় আসেনা।মাদ্রাসা অধিদপ্তর টাকার জন্য তাকিয়ে থাকে।টাকা দিলেই শোকজের জবাব সন্তোষজনক হয়।এই ধরনের অপসংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসা উচিত বলে মনে করছেন অনেকেই।