, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পিরোজপুরে মানব পা/চার মামলায় পাঁচ জনের দশ বছর করে কা/রা/দ/ণ্ড গোপালগঞ্জে ৩ কেজি গাঁ/জা/সহ চারজন আটক বকশীগঞ্জে কৃষককে হ/ত্যা/র চেষ্টা ও জমি দখলের প্রতিবাদে দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে জিআইজেড প্রতিনিধিদের সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সিরাজগঞ্জে সুজন হত্যা মামলায় দুইজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড মাগুরা শ্রীপুর দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৫: বাড়িঘরে ভাঙচুর ও লুটপাট মাগুরা শ্রীপুরে প্রবাসীর বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট, নিরাপত্তাহীনতায় বৃদ্ধ মা- বাবা টেপামধুপুর ইউনিয়নে কমিউনিটি ঝুঁকি মূল্যায়ন চিলমারীতে ৬৮ পিচ ইয়াবাসহ যুবক আটক কাউনিয়ায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬-এর সমাপনী অনুষ্ঠান

গোবিন্দপুর ইউপিতে গ্রাম আদালতে জনমনে ফিরেছে স্বস্তি কমছে ভোগান্তি বেড়েছে নাগরিক সেবা

গোবিন্দপুর ইউপিতে গ্রাম আদালতে জনমনে ফিরেছে স্বস্তি কমছে ভোগান্তি বেড়েছে নাগরিক সেবা

৪৯

দিন যত যাচ্ছে সেবার মান ও ততো বাড়ছে। আর আধুনিকতার ছোঁয়ায় জীবন যাত্রায় আমুল পরিবর্তন,সেবাগ্রহীতারা হাতের নাগালে স্থানীয় ইউপিতে পাচ্ছেন নাগরিক সেবা থেকে গ্রাম আদালতে সর্বোচ্চ সেবা। বর্তমানে গ্রাম আদালতের বিচারক কার্যক্রমে জনগণের মাঝে স্বস্তি ফিরেছে। এমনটি দেখা গেছে, বগুড়া জেলার দুপচাঁচিয়া উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়ন পরিষদে। সেখান নিয়মিত গ্রাম আদালত পরিচালনার মাধ্যমে স্থানীয় বিরোধ নিষ্পত্তিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন চেয়ারম্যান মোঃ সাখাওয়াত হোসেন মল্লিক । এতে গ্রামবাসীর মাঝে সৃষ্টি হয়েছে স্বস্তি, আস্থা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ।

সরজমিনে গিয়ে জানা যায়, এই ইউনিয়ন পরিষদ, প্রতি সপ্তাহের বুধবার সকাল ১০টা ৩০ মিনিট থেকে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে গ্রাম আদালতের কার্যক্রম শুরু হয়। মামলা দায়েরের পর দ্রুত শুনানি গ্রহণ করা হয় এবং নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিচার কার্যক্রম চলমান থাকে। পাঁচ সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত এই গ্রাম আদালত। যেখানে আবেদনকারী ও বিবাদী পক্ষ থেকে দুজন করে প্রতিনিধি এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে নিয়ে আদালত প্যানেল গঠন করা হয়। নারীর স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে নারী সদস্য অন্তর্ভুক্তি বাধ্যতামূলক। আদালতে উভয় পক্ষের বক্তব্য, প্রমাণ উপস্থাপন ও পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত ও ন্যায়সঙ্গত সমাধানের চেষ্টা করা হয়। ফলে অল্প সময় ও কম খরচে বিরোধ নিষ্পত্তি সম্ভব হচ্ছে। গ্রাম আদালতের বিচারক কার্যক্রম পরিচালনা সম্পর্কে জানতে চাইলে, পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ সাখাওয়াত হোসেন মল্লিক বলেন“গ্রাম আদালতের মাধ্যমে স্থানীয় ছোটখাটো বিরোধ দ্রুত সমাধান করা হচ্ছে।এতে মানুষের সময় ও অর্থ সাশ্রয় হচ্ছে এবং সামাজিক সম্প্রীতি বজায় থাকছে।”

তিনি আরও বলেন, গোবিন্দপুর ইউনিয়ন পরিষদে গ্রাম আদালতের মাধ্যমে সর্বোচ্চ ৩ লাখ টাকার মামলা নিষ্পত্তি করা হয়। তার এই ইউনিয়নে প্রায় ৪২ হাজার লোকের বসবাস। ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা পলাশ কুমার হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মোঃ শাইন আলম ও গ্রাম আদালতের পেশকার, উদ্যোক্তা ইউপি সদস্য সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্যসহ উপস্থিত স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়,নিয়মিত গ্রাম আদালত পরিচালনার ফলে জমি-জমা,পারিবারিক ও সামাজিক বিভিন্ন বিরোধ সহজেই মীমাংসা হচ্ছে। এতে আদালতমুখী জটিলতা কমছে এবং গ্রামীণ সমাজে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকছে। স্থানীয়রা জানান এখানকার গ্রাম আদালত পরিচালনায় মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরেছে কমেছে ভোগান্তি।। চেয়ারম্যান সাখাওয়াত হোসেন মল্লিক প্রসাশনিক ও সাংগঠনিক দক্ষতায় দিন দিন এই ইউনিয়ন পরিষদে নাগরিক সেবা বেড়েই চলেছে।এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে সকল নাগরিক সেবাসহ,তৃণমূল পর্যায়ে বিচারপ্রাপ্তি আরও সহজ, দ্রুত ও কার্যকর হবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

জনপ্রিয় সংবাদ
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা

পিরোজপুরে মানব পা/চার মামলায় পাঁচ জনের দশ বছর করে কা/রা/দ/ণ্ড

গোবিন্দপুর ইউপিতে গ্রাম আদালতে জনমনে ফিরেছে স্বস্তি কমছে ভোগান্তি বেড়েছে নাগরিক সেবা

আপডেট সময় ১২:৫২:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
৪৯

দিন যত যাচ্ছে সেবার মান ও ততো বাড়ছে। আর আধুনিকতার ছোঁয়ায় জীবন যাত্রায় আমুল পরিবর্তন,সেবাগ্রহীতারা হাতের নাগালে স্থানীয় ইউপিতে পাচ্ছেন নাগরিক সেবা থেকে গ্রাম আদালতে সর্বোচ্চ সেবা। বর্তমানে গ্রাম আদালতের বিচারক কার্যক্রমে জনগণের মাঝে স্বস্তি ফিরেছে। এমনটি দেখা গেছে, বগুড়া জেলার দুপচাঁচিয়া উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়ন পরিষদে। সেখান নিয়মিত গ্রাম আদালত পরিচালনার মাধ্যমে স্থানীয় বিরোধ নিষ্পত্তিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন চেয়ারম্যান মোঃ সাখাওয়াত হোসেন মল্লিক । এতে গ্রামবাসীর মাঝে সৃষ্টি হয়েছে স্বস্তি, আস্থা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ।

সরজমিনে গিয়ে জানা যায়, এই ইউনিয়ন পরিষদ, প্রতি সপ্তাহের বুধবার সকাল ১০টা ৩০ মিনিট থেকে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে গ্রাম আদালতের কার্যক্রম শুরু হয়। মামলা দায়েরের পর দ্রুত শুনানি গ্রহণ করা হয় এবং নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিচার কার্যক্রম চলমান থাকে। পাঁচ সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত এই গ্রাম আদালত। যেখানে আবেদনকারী ও বিবাদী পক্ষ থেকে দুজন করে প্রতিনিধি এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে নিয়ে আদালত প্যানেল গঠন করা হয়। নারীর স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে নারী সদস্য অন্তর্ভুক্তি বাধ্যতামূলক। আদালতে উভয় পক্ষের বক্তব্য, প্রমাণ উপস্থাপন ও পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত ও ন্যায়সঙ্গত সমাধানের চেষ্টা করা হয়। ফলে অল্প সময় ও কম খরচে বিরোধ নিষ্পত্তি সম্ভব হচ্ছে। গ্রাম আদালতের বিচারক কার্যক্রম পরিচালনা সম্পর্কে জানতে চাইলে, পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ সাখাওয়াত হোসেন মল্লিক বলেন“গ্রাম আদালতের মাধ্যমে স্থানীয় ছোটখাটো বিরোধ দ্রুত সমাধান করা হচ্ছে।এতে মানুষের সময় ও অর্থ সাশ্রয় হচ্ছে এবং সামাজিক সম্প্রীতি বজায় থাকছে।”

তিনি আরও বলেন, গোবিন্দপুর ইউনিয়ন পরিষদে গ্রাম আদালতের মাধ্যমে সর্বোচ্চ ৩ লাখ টাকার মামলা নিষ্পত্তি করা হয়। তার এই ইউনিয়নে প্রায় ৪২ হাজার লোকের বসবাস। ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা পলাশ কুমার হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মোঃ শাইন আলম ও গ্রাম আদালতের পেশকার, উদ্যোক্তা ইউপি সদস্য সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্যসহ উপস্থিত স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়,নিয়মিত গ্রাম আদালত পরিচালনার ফলে জমি-জমা,পারিবারিক ও সামাজিক বিভিন্ন বিরোধ সহজেই মীমাংসা হচ্ছে। এতে আদালতমুখী জটিলতা কমছে এবং গ্রামীণ সমাজে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকছে। স্থানীয়রা জানান এখানকার গ্রাম আদালত পরিচালনায় মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরেছে কমেছে ভোগান্তি।। চেয়ারম্যান সাখাওয়াত হোসেন মল্লিক প্রসাশনিক ও সাংগঠনিক দক্ষতায় দিন দিন এই ইউনিয়ন পরিষদে নাগরিক সেবা বেড়েই চলেছে।এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে সকল নাগরিক সেবাসহ,তৃণমূল পর্যায়ে বিচারপ্রাপ্তি আরও সহজ, দ্রুত ও কার্যকর হবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।