দিন যত যাচ্ছে সেবার মান ও ততো বাড়ছে। আর আধুনিকতার ছোঁয়ায় জীবন যাত্রায় আমুল পরিবর্তন,সেবাগ্রহীতারা হাতের নাগালে স্থানীয় ইউপিতে পাচ্ছেন নাগরিক সেবা থেকে গ্রাম আদালতে সর্বোচ্চ সেবা।
বর্তমানে গ্রাম আদালতের বিচারক কার্যক্রমে জনগণের মাঝে স্বস্তি ফিরেছে। এমনটি দেখা গেছে,
বগুড়া জেলার ধনুট উপজেলার মথুরাপুর ইউনিয়ন পরিষদে।
সেখান নিয়মিত গ্রাম আদালত পরিচালনার মাধ্যমে স্থানীয় বিরোধ নিষ্পত্তিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন প্যানেল চেয়ারম্যান মো আব্দুল কাদের। এতে গ্রামবাসীর মাঝে সৃষ্টি হয়েছে স্বস্তি, আস্থা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ।
সরজমিনে গিয়ে জানা যায়, এই ইউনিয়ন পরিষদ, প্রতি সপ্তাহের বুধবার সকাল ১০টা ৩০ মিনিট থেকে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে গ্রাম আদালতের কার্যক্রম শুরু হয়।
মামলা দায়েরের পর দ্রুত শুনানি গ্রহণ করা হয় এবং নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিচার কার্যক্রম চলমান থাকে। পাঁচ সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত এই গ্রাম আদালত। যেখানে আবেদনকারী ও বিবাদী পক্ষ থেকে দুজন করে প্রতিনিধি এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে নিয়ে আদালত প্যানেল গঠন করা হয়।
নারীর স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে নারী সদস্য অন্তর্ভুক্তি বাধ্যতামূলক। আদালতে উভয় পক্ষের বক্তব্য, প্রমাণ উপস্থাপন ও পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত ও ন্যায়সঙ্গত সমাধানের চেষ্টা করা হয়।
ফলে অল্প সময় ও কম খরচে বিরোধ নিষ্পত্তি সম্ভব হচ্ছে।
গ্রাম আদালতের বিচারক কার্যক্রম পরিচালনা সম্পর্কে জানতে চাইলে, পরিষদের পরিষদ প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল কাদের বলেন “গ্রাম আদালতের মাধ্যমে স্থানীয় ছোটখাটো বিরোধ দ্রুত সমাধান করা হচ্ছে।এতে মানুষের সময় ও অর্থ সাশ্রয় হচ্ছে এবং সামাজিক সম্প্রীতি বজায় থাকছে।”
তিনি আরও বলেন, মথুরাপুর ইউনিয়ন পরিষদে গ্রাম আদালতের মাধ্যমে সর্বোচ্চ ৩ লাখ টাকার মামলা নিষ্পত্তি করা হয়। তার এই ইউনিয়নে প্রায় ৪২ হাজার লোকের বসবাস।
ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমান, হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর সনজয় কুমার ও গ্রাম আদালতের পেশকার, উদ্যোক্তা ইউপি সদস্য সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্যসহ উপস্থিত স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়,নিয়মিত গ্রাম আদালত পরিচালনার ফলে জমি-জমা,পারিবারিক ও সামাজিক বিভিন্ন বিরোধ সহজেই মীমাংসা হচ্ছে। এতে আদালতমুখী জটিলতা কমছে এবং গ্রামীণ সমাজে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকছে। স্থানীয়রা জানান এখানকার গ্রাম আদালত পরিচালনায় মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরেছে কমেছে ভোগান্তি।
চেয়ারম্যান আব্দুল কাদেরের প্রসাশনিক ও সাংগঠনিক দক্ষতায় দিন দিন এই ইউনিয়ন পরিষদে নাগরিক সেবা বেড়েই চলেছে।এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে সকল নাগরিক সেবাসহ,তৃণমূল পর্যায়ে বিচারপ্রাপ্তি আরও সহজ, দ্রুত ও কার্যকর হবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।




















