, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নাটোরের বড়াইগ্রামে পুকুরে গোসল করতে নেমে স্কুলছাত্রের মৃত্যু শ্রীবরদীতে ১৮ লাখ টাকার ভারতীয় কসমেটিকস জব্দ করল বিজিবি বাহাদুরপুরে চুরির সময় জনতার হাতে চোর আটক রাণীশংকৈলে মির্জা রুহুল আমিন স্মৃতি গোল্ডকাপ ফুটবল টূর্নামেন্টের উদ্বোধন গোপালগঞ্জে ১৫ আগস্ট ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা, মোতায়েন পাঁচ প্লাটুন বিজিবি কুড়িগ্রামে বাস-মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়নের ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন যাকে কেউ ফেরাতে চায় না, সংকটই তাকে ফিরিয়ে আনতে পারে উজানচর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে পর পর দুইবার চুরি, নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন সিরাজগঞ্জের চর অঞ্চলের মানুষ চাঁদাবাজি বন্ধের দাবিতে ২৭ গ্রামের মানুশের মানববন্ধন মাগুরা শ্রীপুরে দেড় শতাধিক দরিদ্র পরিবার পেলো খাদ্য সামগ্রী

নাটোরের বড়াইগ্রামে পুকুরে গোসল করতে নেমে স্কুলছাত্রের মৃত্যু

নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলা পরিষদের পুকুরে গোসল করতে গিয়ে পানিতে ডুবে তাসিন (১২) নামে এক স্কুলছাত্রের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৬টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা তার মরদেহ উদ্ধার করেন।

নিহত তাসিন বনপাড়া পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের মূধাপাড়া এলাকার মজিবুর রহমানের ছেলে। সে বনপাড়া সেন্ট যোসেফস স্কুল এন্ড কলেজ ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকাল আনুমানিক ১০.৩০ মিনিট এর দিকে গোসলের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয় তাসিন। দীর্ঘ সময় পরও বাড়িতে না ফেরায় দুপুরের পর পরিবারের সদস্যরা তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।একপর্যায়ে বড়াইগ্রাম উপজেলা পরিষদের পুকুরপাড়ে তার স্যান্ডেল পাওয়া যায়।

পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সহযোগিতায় উপজেলা পরিষদের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করা হয়। ফুটেজে সকাল ১০.৩০ মিনিট থেকে তাসিনকে পুকুরের আশপাশে দেখা যায়। এরপর পুকুরে তল্লাশি চালিয়ে না পেয়ে বনপাড়া ফায়ার সার্ভিসে খবর দেওয়া হয়।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযান চালান। পরে বিকেল ৬.৩০ মিনিট এর দিকে পুকুর থেকে তাসিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

বড়াইগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব লায়লা জান্নাতুল ফেরদৌস দৈনিক কালবেলা কে জানান শিশু তাহসানির পরিবার তার কাছে তিনটা ৪৯ মিনিটে ফোন করে সিসি ফুটেজ দেখার জন্য পরবর্তী সময়ে তিনি সিসি ফুটেজ দেখার ব্যবস্থা করেন এবং সিটি ফুটেজ দেখে নিশ্চিত হন তাহসিন পানিতে নেমেছে কিন্তু আর উঠেনি পরবর্তী টাইমে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয় এবং তাহসানের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। একই সঙ্গে শিশুদের পুকুর বা জলাশয়ে গোসল ও চলাচলের ক্ষেত্রে অভিভাবকদের আরও সতর্ক থাকার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে সচেতনতা তৈরি হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা

নাটোরের বড়াইগ্রামে পুকুরে গোসল করতে নেমে স্কুলছাত্রের মৃত্যু

নাটোরের বড়াইগ্রামে পুকুরে গোসল করতে নেমে স্কুলছাত্রের মৃত্যু

আপডেট সময় ১০:০৪:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬

নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলা পরিষদের পুকুরে গোসল করতে গিয়ে পানিতে ডুবে তাসিন (১২) নামে এক স্কুলছাত্রের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৬টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা তার মরদেহ উদ্ধার করেন।

নিহত তাসিন বনপাড়া পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের মূধাপাড়া এলাকার মজিবুর রহমানের ছেলে। সে বনপাড়া সেন্ট যোসেফস স্কুল এন্ড কলেজ ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকাল আনুমানিক ১০.৩০ মিনিট এর দিকে গোসলের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয় তাসিন। দীর্ঘ সময় পরও বাড়িতে না ফেরায় দুপুরের পর পরিবারের সদস্যরা তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।একপর্যায়ে বড়াইগ্রাম উপজেলা পরিষদের পুকুরপাড়ে তার স্যান্ডেল পাওয়া যায়।

পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সহযোগিতায় উপজেলা পরিষদের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করা হয়। ফুটেজে সকাল ১০.৩০ মিনিট থেকে তাসিনকে পুকুরের আশপাশে দেখা যায়। এরপর পুকুরে তল্লাশি চালিয়ে না পেয়ে বনপাড়া ফায়ার সার্ভিসে খবর দেওয়া হয়।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযান চালান। পরে বিকেল ৬.৩০ মিনিট এর দিকে পুকুর থেকে তাসিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

বড়াইগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব লায়লা জান্নাতুল ফেরদৌস দৈনিক কালবেলা কে জানান শিশু তাহসানির পরিবার তার কাছে তিনটা ৪৯ মিনিটে ফোন করে সিসি ফুটেজ দেখার জন্য পরবর্তী সময়ে তিনি সিসি ফুটেজ দেখার ব্যবস্থা করেন এবং সিটি ফুটেজ দেখে নিশ্চিত হন তাহসিন পানিতে নেমেছে কিন্তু আর উঠেনি পরবর্তী টাইমে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয় এবং তাহসানের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। একই সঙ্গে শিশুদের পুকুর বা জলাশয়ে গোসল ও চলাচলের ক্ষেত্রে অভিভাবকদের আরও সতর্ক থাকার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে সচেতনতা তৈরি হয়েছে।