, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
শেরপুরের শ্রীবরদী সীমান্তে বিজিবির অভিযান ইজিবাইকসহ ১১ লাখ টাকার ভারতীয় কসমেটিকস জ-ব্দ কাউনিয়ায় আধুনিক প্রযুক্তিতে টেকসই কৃষি উন্নয়নে কৃষকদের প্রশিক্ষণ নওগাঁর ধামইরহাটে ড্রেন থেকে নবজাতক মৃ-ত উ-দ্ধার হাত ভা-ঙা নিয়েও টানা ১৫ দিন অফিস করলেন বর্ণি ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান সামাদ মুন্সী দেবীগঞ্জে স্বাস্থ্য সনদ ছাড়াই পশু জ-বা-ই, নজরদারির ঘাটতিতে বাড়ছে জনস্বাস্থ্য ঝুঁ-কি কাউনিয়ায় কেওয়াইএসডিও’র প্রধান কার্যালয় পরিদর্শন ও মতবিনিময় চিলমারীতে গভীর রাতে মধ্যযুগীয় বর্বরতায় নারীর গ-র্ভ-স্খ-লন ও ঘর-বাড়িতে অগ্নি সংযোগের প্রতিবাদে মানব বন্ধন কাউখালীতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান-এর বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত বিদ্যালয়ের দায়িত্বে ফাঁকি, গরুর হাটে ব্যবসা—পঞ্চগড়ে অফিস সহায়ককে ঘিরে অ-ভি-যোগ বিশেষ চাহিদাসম্পন্নদের মুখে হাসি ফোটালো শাহজাদপুরের ‘এবিলিটি ক্লাব’

দেবীগঞ্জে স্বাস্থ্য সনদ ছাড়াই পশু জ-বা-ই, নজরদারির ঘাটতিতে বাড়ছে জনস্বাস্থ্য ঝুঁ-কি

দেবীগঞ্জে স্বাস্থ্য সনদ ছাড়াই পশু জ-বা-ই, নজরদারির ঘাটতিতে বাড়ছে জনস্বাস্থ্য ঝুঁ-কি

১৬

দেবীগঞ্জে পশু জবাইয়ের আগে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও সনদ নেওয়ার নিয়ম থাকলেও তা মানছেন না অনেক মাংস ব্যবসায়ী। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কেউ প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে স্বাস্থ্য সনদ নেননি, আবার কয়েকজন এখন পর্যন্ত একবারও সনদ নেননি। এতে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ছাড়াই অসুস্থ বা রোগাক্রান্ত পশু জবাই করে মাংস বাজারজাত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেবীগঞ্জ পৌরসভাসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গরু জবাইয়ের সঙ্গে জড়িত ব্যবসায়ীদের পশুর স্বাস্থ্য সনদ নেওয়ার বিষয়ে নির্দেশনা রয়েছে। তবে বাস্তবে অনেক ব্যবসায়ী নিয়মিত এ সনদ নিচ্ছেন না। সর্বশেষ সনদ গ্রহণের তারিখ পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, কয়েকজন নিয়মিত সনদ নিলেও অনেকের ক্ষেত্রে সনদ নেওয়ার মধ্যে দীর্ঘ বিরতি রয়েছে।

তথ্য অনুযায়ী, চিলাহাটি ইউনিয়নের মো. আজিম উদ্দিন সর্বশেষ স্বাস্থ্য সনদ নিয়েছেন ১৬ আগস্ট এবং রাজু ইসলাম নিয়েছেন ৭ আগস্ট। অর্থাৎ ২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তাদের সর্বশেষ সনদ নেওয়ার পর যথাক্রমে প্রায় ১৭ ও ২৬ দিন পেরিয়ে গেছে।

দেবীগঞ্জ পৌর এলাকার এলএসডি মোড়ের ইউসুফ ১৮ আগস্ট এবং মধ্য বাজারের আনিছার ৩০ আগস্ট স্বাস্থ্য সনদ নিয়েছেন। এদিকে এলএসডি মোড় এলাকার ফয়জুল বাইরে থেকে মাংস এনে বিক্রি করছেন বলে নিজেই স্বীকার করেন।

সুন্দরদিঘী ইউনিয়নের হাফেজ উদ্দিন সর্বশেষ সনদ নিয়েছেন ২১ আগস্ট। দণ্ডপাল ইউনিয়নের ইউনুস আলী নিয়েছেন ২৪ আগস্ট। দেবীডুবা ইউনিয়নের নাজিরুল ২২ আগস্ট, মালেক ২৭ আগস্ট এবং ভাদু ৩১ আগস্ট সর্বশেষ স্বাস্থ্য সনদ গ্রহণ করেছেন।

অন্যদিকে সোনাহার ইউনিয়নের তৌহিদুল এবং দণ্ডপাল ইউনিয়নের রনি ইসলাম এখন পর্যন্ত কোনো স্বাস্থ্য সনদ নেননি বলে সংশ্লিষ্ট তথ্য থেকে জানা গেছে। এছাড়া শালডাঙা, পামুলি ও চেংঠী হাজরাডাঙ্গা ইউনিয়নে নিয়মিত গরু জবাই হয় না বলে তথ্য পাওয়া গেছে।

এর আগে পশু জবাইয়ের আগে প্রাণীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও সনদ গ্রহণের বাধ্যবাধকতা নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর দেবীগঞ্জের মাংস ব্যবসায়ীদের মধ্যে কিছুদিন সনদ নেওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের পক্ষ থেকেও ব্যবসায়ীদের সচেতন করা এবং নিয়ম মেনে পশু জবাইয়ের বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়। তবে সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে অনেক ব্যবসায়ী আবারও নিয়মিত সনদ গ্রহণ থেকে সরে গেছেন।

সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, শুধু ব্যবসায়ীদের সচেতন করলেই এ নিয়ম বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। নিয়মিত বাজার পরিদর্শন, জবাইয়ের আগে পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং সনদ যাচাই নিশ্চিত করতে প্রশাসনিক তদারকি প্রয়োজন। তবে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরে পর্যাপ্ত জনবল না থাকায় এবং উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পৌর শহরসহ ইউনিয়নের মাংসের দোকানগুলোতে নিয়মিত নজরদারি করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এর ফলে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ছাড়াই অসুস্থ বা রোগাক্রান্ত পশু জবাইয়ের আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। একই সঙ্গে জবাইয়ের পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মাংস বিক্রি না করা, বাইরে থেকে মাংস এনে বিক্রি করা এবং সংরক্ষণ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের অভিযোগও কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়ছে। এতে স্বাস্থ্য সনদ নিতে ব্যবসায়ীদের অনীহা এবং পর্যাপ্ত প্রশাসনিক তদারকির অভাব ভোক্তাদের জন্য নতুন করে জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি করছে।

স্থানীয় ভোক্তাদের দাবি, মাংস ব্যবসায়ীদের নিয়মিত স্বাস্থ্য সনদ গ্রহণ নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের পাশাপাশি উপজেলা প্রশাসনেরও কার্যকর নজরদারি প্রয়োজন। বিশেষ করে যেসব ব্যবসায়ী দীর্ঘদিন ধরে সনদ নিচ্ছেন না, তাদের বিরুদ্ধে সতর্কতা ও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি নিয়মিত বাজার মনিটরিং জোরদার করা দরকার।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আখতারুজ্জামান বলেন, “জনবল সংকটের কারণে আমাদের নিয়মিত তদারকি কার্যক্রম কিছুটা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এরপরও জবাইয়ের আগে পশুর স্বাস্থ্য সনদ গ্রহণের বিষয়ে ব্যবসায়ীদের উদ্বুদ্ধ করার চেষ্টা করছি। এ কার্যক্রম আরও কার্যকরভাবে বাস্তবায়নে উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতা নেওয়া হবে।”

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইন্দ্রজীৎ সাহা বলেন, “আমি উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলব। নিয়মিত পশুর স্বাস্থ্য সনদ গ্রহণের বিষয়টি যেন কার্যকরভাবে প্রচলিত হয়, সে বিষয়ে আমরা প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেব।”

জনপ্রিয় সংবাদ
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা

শেরপুরের শ্রীবরদী সীমান্তে বিজিবির অভিযান ইজিবাইকসহ ১১ লাখ টাকার ভারতীয় কসমেটিকস জ-ব্দ

দেবীগঞ্জে স্বাস্থ্য সনদ ছাড়াই পশু জ-বা-ই, নজরদারির ঘাটতিতে বাড়ছে জনস্বাস্থ্য ঝুঁ-কি

আপডেট সময় ০৫:০৬:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১৬

দেবীগঞ্জে পশু জবাইয়ের আগে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও সনদ নেওয়ার নিয়ম থাকলেও তা মানছেন না অনেক মাংস ব্যবসায়ী। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কেউ প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে স্বাস্থ্য সনদ নেননি, আবার কয়েকজন এখন পর্যন্ত একবারও সনদ নেননি। এতে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ছাড়াই অসুস্থ বা রোগাক্রান্ত পশু জবাই করে মাংস বাজারজাত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেবীগঞ্জ পৌরসভাসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গরু জবাইয়ের সঙ্গে জড়িত ব্যবসায়ীদের পশুর স্বাস্থ্য সনদ নেওয়ার বিষয়ে নির্দেশনা রয়েছে। তবে বাস্তবে অনেক ব্যবসায়ী নিয়মিত এ সনদ নিচ্ছেন না। সর্বশেষ সনদ গ্রহণের তারিখ পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, কয়েকজন নিয়মিত সনদ নিলেও অনেকের ক্ষেত্রে সনদ নেওয়ার মধ্যে দীর্ঘ বিরতি রয়েছে।

তথ্য অনুযায়ী, চিলাহাটি ইউনিয়নের মো. আজিম উদ্দিন সর্বশেষ স্বাস্থ্য সনদ নিয়েছেন ১৬ আগস্ট এবং রাজু ইসলাম নিয়েছেন ৭ আগস্ট। অর্থাৎ ২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তাদের সর্বশেষ সনদ নেওয়ার পর যথাক্রমে প্রায় ১৭ ও ২৬ দিন পেরিয়ে গেছে।

দেবীগঞ্জ পৌর এলাকার এলএসডি মোড়ের ইউসুফ ১৮ আগস্ট এবং মধ্য বাজারের আনিছার ৩০ আগস্ট স্বাস্থ্য সনদ নিয়েছেন। এদিকে এলএসডি মোড় এলাকার ফয়জুল বাইরে থেকে মাংস এনে বিক্রি করছেন বলে নিজেই স্বীকার করেন।

সুন্দরদিঘী ইউনিয়নের হাফেজ উদ্দিন সর্বশেষ সনদ নিয়েছেন ২১ আগস্ট। দণ্ডপাল ইউনিয়নের ইউনুস আলী নিয়েছেন ২৪ আগস্ট। দেবীডুবা ইউনিয়নের নাজিরুল ২২ আগস্ট, মালেক ২৭ আগস্ট এবং ভাদু ৩১ আগস্ট সর্বশেষ স্বাস্থ্য সনদ গ্রহণ করেছেন।

অন্যদিকে সোনাহার ইউনিয়নের তৌহিদুল এবং দণ্ডপাল ইউনিয়নের রনি ইসলাম এখন পর্যন্ত কোনো স্বাস্থ্য সনদ নেননি বলে সংশ্লিষ্ট তথ্য থেকে জানা গেছে। এছাড়া শালডাঙা, পামুলি ও চেংঠী হাজরাডাঙ্গা ইউনিয়নে নিয়মিত গরু জবাই হয় না বলে তথ্য পাওয়া গেছে।

এর আগে পশু জবাইয়ের আগে প্রাণীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও সনদ গ্রহণের বাধ্যবাধকতা নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর দেবীগঞ্জের মাংস ব্যবসায়ীদের মধ্যে কিছুদিন সনদ নেওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের পক্ষ থেকেও ব্যবসায়ীদের সচেতন করা এবং নিয়ম মেনে পশু জবাইয়ের বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়। তবে সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে অনেক ব্যবসায়ী আবারও নিয়মিত সনদ গ্রহণ থেকে সরে গেছেন।

সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, শুধু ব্যবসায়ীদের সচেতন করলেই এ নিয়ম বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। নিয়মিত বাজার পরিদর্শন, জবাইয়ের আগে পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং সনদ যাচাই নিশ্চিত করতে প্রশাসনিক তদারকি প্রয়োজন। তবে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরে পর্যাপ্ত জনবল না থাকায় এবং উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পৌর শহরসহ ইউনিয়নের মাংসের দোকানগুলোতে নিয়মিত নজরদারি করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এর ফলে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ছাড়াই অসুস্থ বা রোগাক্রান্ত পশু জবাইয়ের আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। একই সঙ্গে জবাইয়ের পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মাংস বিক্রি না করা, বাইরে থেকে মাংস এনে বিক্রি করা এবং সংরক্ষণ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের অভিযোগও কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়ছে। এতে স্বাস্থ্য সনদ নিতে ব্যবসায়ীদের অনীহা এবং পর্যাপ্ত প্রশাসনিক তদারকির অভাব ভোক্তাদের জন্য নতুন করে জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি করছে।

স্থানীয় ভোক্তাদের দাবি, মাংস ব্যবসায়ীদের নিয়মিত স্বাস্থ্য সনদ গ্রহণ নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের পাশাপাশি উপজেলা প্রশাসনেরও কার্যকর নজরদারি প্রয়োজন। বিশেষ করে যেসব ব্যবসায়ী দীর্ঘদিন ধরে সনদ নিচ্ছেন না, তাদের বিরুদ্ধে সতর্কতা ও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি নিয়মিত বাজার মনিটরিং জোরদার করা দরকার।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আখতারুজ্জামান বলেন, “জনবল সংকটের কারণে আমাদের নিয়মিত তদারকি কার্যক্রম কিছুটা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এরপরও জবাইয়ের আগে পশুর স্বাস্থ্য সনদ গ্রহণের বিষয়ে ব্যবসায়ীদের উদ্বুদ্ধ করার চেষ্টা করছি। এ কার্যক্রম আরও কার্যকরভাবে বাস্তবায়নে উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতা নেওয়া হবে।”

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইন্দ্রজীৎ সাহা বলেন, “আমি উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলব। নিয়মিত পশুর স্বাস্থ্য সনদ গ্রহণের বিষয়টি যেন কার্যকরভাবে প্রচলিত হয়, সে বিষয়ে আমরা প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেব।”