, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
দীর্ঘ ১৯ বছর পর শিমুলবাড়ী ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা জিপিএ ৫ পেয়েছে মুনাঈম শূন্য পাসের নেপথ্যে সম্মিলিত ব্যর্থতা, দায় একক কারও নয় গোপালগঞ্জে এসএসসিতে অকৃতকার্য হয়ে শিক্ষার্থীর আত্ম*হত্যা আজ সাবেক মন্ত্রী ফজলুর রহমান পটলের ১০ মৃত্যু বার্ষিকী নাজিরপুর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতকরণে অংশীজনদের নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ঢাকা-গোপালগঞ্জ রুটে চালু হলো ‘অভিযাত্রী কমিউটার’ ট্রেন চরভদ্রাসন উপজেলায় চায়না দুয়ারির দাপট, প্রশাসন ‘বাজেট সংকটে’ পিরোজপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অভিভাবক সঙ্গে মতবিনিময় সভা লালপুরে ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ভূরুঙ্গামারীতে ৮ শতক জমি বিরোধে শহিদুল নিহত,পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে গ্রেপ্তার ১৭

ঠাকূরগাঁওয়ে পাসের হার শূন্য: ৫টি বিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থীই পাশ করতে পারেনি

১৩

চলতি এসএসসি পরীক্ষায় ঠাকূরগাঁও জেলার ৫টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ফলাফল অত্যন্ত হতাশ ব্যঞ্জক । এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে অংশগ্রহণকারী কোনো পরীক্ষার্থীই কৃতকার্য হতে পারে নি। অর্থাৎ পাসের হার শূন্য (০%)।
​পাশ না করা বিদ্যালয়গুলো হলো:

১. আকচা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়
২. অনভারডিঘি উচ্চ বিদ্যালয়
৩. মাধবপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
৪. তাওরিগাঁ উচ্চ বিদ্যালয়
৫. রামপূর ভাতুরিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়।

​শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা জানান, শিক্ষক সংকট, নিয়মিত ক্লাসের অভাব এবং তদারকির ঘাটতির কারণে এই বিপর্যয় ঘটেছে। স্থানীয় সচেতন মহল এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সার্বিক শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এবং জরুরি ভিত্তিতে প্রশাসনিক নজরদারির দাবি জানিয়েছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা

দীর্ঘ ১৯ বছর পর শিমুলবাড়ী ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা জিপিএ ৫ পেয়েছে মুনাঈম

ঠাকূরগাঁওয়ে পাসের হার শূন্য: ৫টি বিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থীই পাশ করতে পারেনি

আপডেট সময় ১১:৪৬:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬
১৩

চলতি এসএসসি পরীক্ষায় ঠাকূরগাঁও জেলার ৫টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ফলাফল অত্যন্ত হতাশ ব্যঞ্জক । এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে অংশগ্রহণকারী কোনো পরীক্ষার্থীই কৃতকার্য হতে পারে নি। অর্থাৎ পাসের হার শূন্য (০%)।
​পাশ না করা বিদ্যালয়গুলো হলো:

১. আকচা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়
২. অনভারডিঘি উচ্চ বিদ্যালয়
৩. মাধবপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
৪. তাওরিগাঁ উচ্চ বিদ্যালয়
৫. রামপূর ভাতুরিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়।

​শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা জানান, শিক্ষক সংকট, নিয়মিত ক্লাসের অভাব এবং তদারকির ঘাটতির কারণে এই বিপর্যয় ঘটেছে। স্থানীয় সচেতন মহল এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সার্বিক শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এবং জরুরি ভিত্তিতে প্রশাসনিক নজরদারির দাবি জানিয়েছেন।