, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ঈশ্বরগঞ্জের সরিষা মারুয়াখালীতে তরুণীকে ধ-র্ষ-ণের অভিযোগ, তিন আসামি গ্রে-প্তার দক্ষিণবঙ্গের কৃতি সন্তান জনতা ব্যাংকের ডিএমজি মরহুম কাজী রইস উদ্দিন আহমেদের স্মরণে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অ-বৈধ অনুপ্রবেশ, বাঙালি যুবকের ৩ মাসের কা-রাদ-ণ্ড মহাসড়কে শিক্ষার্থীদের নির্বিঘ্নে যাতায়াত ও ছিন-তাই রোধে চৌদ্দগ্রাম যুবদল নেতা জাকিরের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ কাউনিয়ায় আমনের বাম্পার ফলনের আশা, শেষ বেলায় পোকার শঙ্কা বকশীগঞ্জে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে সাংবাদিকদের মানববন্ধন শ্রীপুর গোয়ালদা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নবগঠিত ব্যবস্থাপনা কমিটির পরিচিত সভা অনুষ্ঠিত কক্সবাজারে ই-য়া-বাসহ দুইজন গ্রে-প্তার, মোটরসাইকেল জ-ব্দ ডেঙ্গু প্রতিরোধে বাকৃবি রোভার স্কাউটের পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি মাগুরা শ্রীপুরে স্বাক্ষর জা-ল ও মিথ্যা মা-ম-লার প্রতিবাদে শিমু খাতুনের সংবাদ সম্মেলন

ভ্যান আত্ম/সাতের জন্য চালককে হ/ত্যা, ৩ বছর পর রহস্য উদঘাটন: গ্রে/প্তার ৩

ভ্যান আত্ম/সাতের জন্য চালককে হ/ত্যা, ৩ বছর পর রহস্য উদঘাটন: গ্রে/প্তার ৩

৫৩

শেরপুরের নকলায় ব্যাটারিচালিত ভ্যান আত্মসাতের উদ্দেশ্যে চালক আব্দুল মন্নাছ (৪৩) হত্যার প্রায় তিন বছর পর রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ ঘটনায় মোস্তাকিম মোস্তাকিন (৩০), শাহীন (৪০) ও স্বপন (৪২) নামে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পিবিআই সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ২৩ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় ভ্যান নিয়ে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন মন্নাছ। ২৫ ডিসেম্বর নকলার পাটাকাটা এলাকার বাঘমারি বিলের একটি জমিতে কাদা ও কচুরিপানার নিচে পুঁতে রাখা অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী আসমা আক্তার বাদী হয়ে নকলা থানায় হত্যা মামলা করেন।

প্রথমে নকলা থানা পুলিশ তদন্ত করলেও রহস্য উদঘাটন না হওয়ায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের নির্দেশে মামলাটি পিবিআই জামালপুরে হস্তান্তর করা হয়।

তদন্তের ধারাবাহিকতায় গত ১৩ আগস্ট মোস্তাকিম মোস্তাকিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ১৭ আগস্ট রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ১৮ আগস্ট শাহীন ও স্বপনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পিবিআই জানায়, পূর্বপরিচিত তিন আসামি ভ্যানটি আত্মসাতের পরিকল্পনা করে মন্নাছকে বাঘমারি বিল এলাকায় নিয়ে যান। সেখানে মোস্তাকিম গলা চেপে ধরেন এবং শাহীন ও স্বপন মারধর করলে একপর্যায়ে মন্নাছ মারা যান। পরে মরদেহ কাদা ও কচুরিপানা দিয়ে ঢেকে তারা ভ্যানটি নিয়ে যায়।

পরবর্তীতে ভ্যানের লোহার বডি ৮ হাজার টাকা এবং চারটি ব্যাটারি ১৪ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়।

পিবিআই জানিয়েছে, গ্রেপ্তার তিন আসামিকে আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির জন্য পাঠানো হয়েছে। মামলার তদন্ত এখনো চলমান রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা

ঈশ্বরগঞ্জের সরিষা মারুয়াখালীতে তরুণীকে ধ-র্ষ-ণের অভিযোগ, তিন আসামি গ্রে-প্তার

ভ্যান আত্ম/সাতের জন্য চালককে হ/ত্যা, ৩ বছর পর রহস্য উদঘাটন: গ্রে/প্তার ৩

আপডেট সময় ০৩:২৮:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬
৫৩

শেরপুরের নকলায় ব্যাটারিচালিত ভ্যান আত্মসাতের উদ্দেশ্যে চালক আব্দুল মন্নাছ (৪৩) হত্যার প্রায় তিন বছর পর রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ ঘটনায় মোস্তাকিম মোস্তাকিন (৩০), শাহীন (৪০) ও স্বপন (৪২) নামে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পিবিআই সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ২৩ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় ভ্যান নিয়ে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন মন্নাছ। ২৫ ডিসেম্বর নকলার পাটাকাটা এলাকার বাঘমারি বিলের একটি জমিতে কাদা ও কচুরিপানার নিচে পুঁতে রাখা অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী আসমা আক্তার বাদী হয়ে নকলা থানায় হত্যা মামলা করেন।

প্রথমে নকলা থানা পুলিশ তদন্ত করলেও রহস্য উদঘাটন না হওয়ায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের নির্দেশে মামলাটি পিবিআই জামালপুরে হস্তান্তর করা হয়।

তদন্তের ধারাবাহিকতায় গত ১৩ আগস্ট মোস্তাকিম মোস্তাকিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ১৭ আগস্ট রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ১৮ আগস্ট শাহীন ও স্বপনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পিবিআই জানায়, পূর্বপরিচিত তিন আসামি ভ্যানটি আত্মসাতের পরিকল্পনা করে মন্নাছকে বাঘমারি বিল এলাকায় নিয়ে যান। সেখানে মোস্তাকিম গলা চেপে ধরেন এবং শাহীন ও স্বপন মারধর করলে একপর্যায়ে মন্নাছ মারা যান। পরে মরদেহ কাদা ও কচুরিপানা দিয়ে ঢেকে তারা ভ্যানটি নিয়ে যায়।

পরবর্তীতে ভ্যানের লোহার বডি ৮ হাজার টাকা এবং চারটি ব্যাটারি ১৪ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়।

পিবিআই জানিয়েছে, গ্রেপ্তার তিন আসামিকে আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির জন্য পাঠানো হয়েছে। মামলার তদন্ত এখনো চলমান রয়েছে।