, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ঈশ্বরগঞ্জের সরিষা মারুয়াখালীতে তরুণীকে ধ-র্ষ-ণের অভিযোগ, তিন আসামি গ্রে-প্তার দক্ষিণবঙ্গের কৃতি সন্তান জনতা ব্যাংকের ডিএমজি মরহুম কাজী রইস উদ্দিন আহমেদের স্মরণে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অ-বৈধ অনুপ্রবেশ, বাঙালি যুবকের ৩ মাসের কা-রাদ-ণ্ড মহাসড়কে শিক্ষার্থীদের নির্বিঘ্নে যাতায়াত ও ছিন-তাই রোধে চৌদ্দগ্রাম যুবদল নেতা জাকিরের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ কাউনিয়ায় আমনের বাম্পার ফলনের আশা, শেষ বেলায় পোকার শঙ্কা বকশীগঞ্জে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে সাংবাদিকদের মানববন্ধন শ্রীপুর গোয়ালদা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নবগঠিত ব্যবস্থাপনা কমিটির পরিচিত সভা অনুষ্ঠিত কক্সবাজারে ই-য়া-বাসহ দুইজন গ্রে-প্তার, মোটরসাইকেল জ-ব্দ ডেঙ্গু প্রতিরোধে বাকৃবি রোভার স্কাউটের পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি মাগুরা শ্রীপুরে স্বাক্ষর জা-ল ও মিথ্যা মা-ম-লার প্রতিবাদে শিমু খাতুনের সংবাদ সম্মেলন

গভীর রাতে রাসেল সাংবাদিকের আয়োজনে জমজমাট মজলিস, গানে-আবেগে মাতোয়ারা চর দৌলতদিয়ার মানুষ

  • Avatar photo রাসেল মোল্লা
  • আপডেট সময় ১০:৫০:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • 34

গভীর রাতে রাসেল সাংবাদিকের আয়োজনে জমজমাট মজলিস, গানে-আবেগে মাতোয়ারা চর দৌলতদিয়ার মানুষ

৪৯

গভীর রাত। চারপাশ যখন নীরবতায় ঢাকা, ঠিক তখনই মজলিসের গানের সুরে মুখর হয়ে উঠল চর দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ওয়ার্ডের তমিজদ্দিন মৃধার পাড়া। জামতলা এলাকার তালেব মোল্লার চায়ের দোকানকে ঘিরে জমে ওঠে প্রাণের মজলিস। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের উপস্থিতিও বাড়তে থাকে। একপর্যায়ে শত শত মানুষের মিলনমেলায় পরিণত হয় পুরো এলাকা।

মজলিসের গানে কখনো আনন্দ, কখনো বেদনা, আবার কখনো স্বজন হারানোর কষ্টে আবেগঘন হয়ে ওঠে পরিবেশ। মজলিসের আসর মাতিয়ে তোলেন বিল্লাল মোল্লা। ভাই হারানোর বেদনা, সন্তান হারানোর কষ্টসহ জীবনের নানা দুঃখ-বেদনার কথা গানের সুরে তুলে ধরে তিনি উপস্থিত মানুষের হৃদয় ছুঁয়ে যান। গানের সঙ্গে সঙ্গে অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। কারও চোখে পানি, আবার কেউ গানের তালে তালে মিশে যান আনন্দের উচ্ছ্বাসে।

অনুষ্ঠানের সার্বিক আয়োজন ও গানের কার্যক্রমে ছিলেন রাসেল সাংবাদিক, দৈনিক নয়া কন্ঠ পত্রিকা। তাঁর সার্বিক উদ্যোগে আয়োজিত এই মজলিসে সহযোগিতায় ছিলেন আরব মোল্লা (প্রবাসী) এবং ফরিদুল ইসলাম ফরিদ, সভাপতি, দৌলতদিয়া ইউনিয়ন অটো শ্রমিকদল ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার পদপ্রার্থী।

মজলিসে গান পরিবেশন করেন বারেক মোল্লার শিল্পী দল। পাশাপাশি স্থানীয় বিভিন্ন শিল্পী ও গায়ক দলও গান পরিবেশন করেন। তাঁদের পরিবেশনায় গভীর রাত পর্যন্ত জমে থাকে মজলিসের আসর।

এমন ব্যতিক্রমী আয়োজন নিয়ে এলাকার মানুষের মাঝেও দেখা গেছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। স্থানীয় কয়েকজন বলেন, “রাসেল সাংবাদিক হিসেবে তাঁর দায়িত্ববোধের জায়গা থেকে অল্প সময়ের মধ্যে এত সুন্দর একটি আয়োজন করেছেন—এমন আয়োজন আমরা আগে কখনো দেখিনি। পুরো এলাকার মানুষ আনন্দ পেয়েছে।”

অনুষ্ঠান ঘিরে স্থানীয়দের মুখে মুখে ছিল একই কথা—“এমন মজলিস আগে কখনো দেখিনি, আয়োজনটা ছিল অসাধারণ।”

জানা যায়, আয়োজনটি সফল করতে রাসেল সাংবাদিক নিজ উদ্যোগে উল্লেখযোগ্য অর্থ ব্যয় করেন। তবে অর্থ খরচকে বড় করে দেখছেন না তিনি। রাসেল সাংবাদিক বলেন, “টাকা-পয়সা বড় বিষয় নয়, মূল বিষয় হলো মানুষের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করা। মানুষকে নিয়ে আনন্দ করতে পারাটাই সবচেয়ে বড় পাওয়া। কেউ টাকা দিয়ে আনন্দ কিনতে পারে না; মানুষের ভালোবাসার মধ্যেই আসল আনন্দ।”

গভীর রাতের এই মজলিসে গান, হাসি, আবেগ আর ভালোবাসার মেলবন্ধনে যেন কিছু সময়ের জন্য ভুলে গিয়েছিল সবাই জীবনের ব্যস্ততা ও দুঃখ-কষ্ট। স্থানীয়দের মতে, এমন আয়োজন শুধু বিনোদন নয়—এটি মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক ও ভালোবাসার বন্ধন আরও দৃঢ় করে।

জনপ্রিয় সংবাদ
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা

ঈশ্বরগঞ্জের সরিষা মারুয়াখালীতে তরুণীকে ধ-র্ষ-ণের অভিযোগ, তিন আসামি গ্রে-প্তার

গভীর রাতে রাসেল সাংবাদিকের আয়োজনে জমজমাট মজলিস, গানে-আবেগে মাতোয়ারা চর দৌলতদিয়ার মানুষ

আপডেট সময় ১০:৫০:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৪৯

গভীর রাত। চারপাশ যখন নীরবতায় ঢাকা, ঠিক তখনই মজলিসের গানের সুরে মুখর হয়ে উঠল চর দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ওয়ার্ডের তমিজদ্দিন মৃধার পাড়া। জামতলা এলাকার তালেব মোল্লার চায়ের দোকানকে ঘিরে জমে ওঠে প্রাণের মজলিস। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের উপস্থিতিও বাড়তে থাকে। একপর্যায়ে শত শত মানুষের মিলনমেলায় পরিণত হয় পুরো এলাকা।

মজলিসের গানে কখনো আনন্দ, কখনো বেদনা, আবার কখনো স্বজন হারানোর কষ্টে আবেগঘন হয়ে ওঠে পরিবেশ। মজলিসের আসর মাতিয়ে তোলেন বিল্লাল মোল্লা। ভাই হারানোর বেদনা, সন্তান হারানোর কষ্টসহ জীবনের নানা দুঃখ-বেদনার কথা গানের সুরে তুলে ধরে তিনি উপস্থিত মানুষের হৃদয় ছুঁয়ে যান। গানের সঙ্গে সঙ্গে অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। কারও চোখে পানি, আবার কেউ গানের তালে তালে মিশে যান আনন্দের উচ্ছ্বাসে।

অনুষ্ঠানের সার্বিক আয়োজন ও গানের কার্যক্রমে ছিলেন রাসেল সাংবাদিক, দৈনিক নয়া কন্ঠ পত্রিকা। তাঁর সার্বিক উদ্যোগে আয়োজিত এই মজলিসে সহযোগিতায় ছিলেন আরব মোল্লা (প্রবাসী) এবং ফরিদুল ইসলাম ফরিদ, সভাপতি, দৌলতদিয়া ইউনিয়ন অটো শ্রমিকদল ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার পদপ্রার্থী।

মজলিসে গান পরিবেশন করেন বারেক মোল্লার শিল্পী দল। পাশাপাশি স্থানীয় বিভিন্ন শিল্পী ও গায়ক দলও গান পরিবেশন করেন। তাঁদের পরিবেশনায় গভীর রাত পর্যন্ত জমে থাকে মজলিসের আসর।

এমন ব্যতিক্রমী আয়োজন নিয়ে এলাকার মানুষের মাঝেও দেখা গেছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। স্থানীয় কয়েকজন বলেন, “রাসেল সাংবাদিক হিসেবে তাঁর দায়িত্ববোধের জায়গা থেকে অল্প সময়ের মধ্যে এত সুন্দর একটি আয়োজন করেছেন—এমন আয়োজন আমরা আগে কখনো দেখিনি। পুরো এলাকার মানুষ আনন্দ পেয়েছে।”

অনুষ্ঠান ঘিরে স্থানীয়দের মুখে মুখে ছিল একই কথা—“এমন মজলিস আগে কখনো দেখিনি, আয়োজনটা ছিল অসাধারণ।”

জানা যায়, আয়োজনটি সফল করতে রাসেল সাংবাদিক নিজ উদ্যোগে উল্লেখযোগ্য অর্থ ব্যয় করেন। তবে অর্থ খরচকে বড় করে দেখছেন না তিনি। রাসেল সাংবাদিক বলেন, “টাকা-পয়সা বড় বিষয় নয়, মূল বিষয় হলো মানুষের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করা। মানুষকে নিয়ে আনন্দ করতে পারাটাই সবচেয়ে বড় পাওয়া। কেউ টাকা দিয়ে আনন্দ কিনতে পারে না; মানুষের ভালোবাসার মধ্যেই আসল আনন্দ।”

গভীর রাতের এই মজলিসে গান, হাসি, আবেগ আর ভালোবাসার মেলবন্ধনে যেন কিছু সময়ের জন্য ভুলে গিয়েছিল সবাই জীবনের ব্যস্ততা ও দুঃখ-কষ্ট। স্থানীয়দের মতে, এমন আয়োজন শুধু বিনোদন নয়—এটি মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক ও ভালোবাসার বন্ধন আরও দৃঢ় করে।