, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
লালপুরে স্বামী-স্ত্রীসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার, আড়াই কেজি গাঁজা উদ্ধার টুঙ্গিপাড়ায় জলাবদ্ধতায় দুর্ভোগ, পানিবন্দী শতাধিক পরিবার ঐতিহ্যবাহী খেইশ্বর গ্রামে প্রীতি ফুটবল ম্যাচে অবিবাহিত একাদশের শিরোপা জয় প্রণয় থেকে পরিণয়: ভূরুঙ্গামারীতে কৃষি কর্মকর্তা ও মহিলা দলের নেত্রীর বিয়ে খাল খনন শেষে ৬০ লক্ষ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়ে প্রশংসায় ভাসছেন- নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আলী সুজা পত্নীতলা থানা: দুই শতাব্দীরও বেশি ইতিহাস বহনকারী নওগাঁর অন্যতম প্রাচীন থানা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ রংপুর জেলা কমিটির শপথ গ্রহণ কালাই পৌরসভা নির্বাচন: মেয়র পদপ্রার্থী মোঃ আনিছুর রহমান তালুকদারের কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত ঠাকূরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে দৃষ্টিনন্দন মডেল মসজিদে উদ্বোধন বরিশালে হ্যাব হেলথ কেয়ার এন্ড নার্সিং হোম এর শুভ উদ্বোধন

খাল খনন শেষে ৬০ লক্ষ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়ে প্রশংসায় ভাসছেন- নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আলী সুজা

খাল খনন শেষে ৬০ লক্ষ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়ে প্রশংসায় ভাসছেন- নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আলী সুজা

৩০

মোঃ কাওছার হোসেন, বরিশাল প্রতিনিধিঃ বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়ায় সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে শতভাগ মান বজায় রেখে খাল খননের কাজ শেষে সাশ্রয় হওয়া ৬০ লক্ষ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়ে সাধারণ মানুষ ও সুশীল সমাজের কাছে প্রশংসায় ভাসছেন মানবিক, সৎ, দক্ষ ও বরিশাল জেলার শ্রেষ্ঠ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আলী সুজা।

সাম্প্রতিক সময়ে এমন সততা ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতার বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তিনি। সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা,জবাবদিহি ও সরকারি অর্থের সাশ্রয়কৃত(উদ্ধৃত) বড় অংকের অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়ে প্রশংসা ও সুনাম কুড়িয়ে নিয়েছেন উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আলী সুজা।

জানা যায় উপজেলার গুঠিয়া ইউনিয়নে ১০ কিলোমিটার খাল খনন প্রকল্পের কাজ শেষে উদ্বৃত্ত ৬০ লক্ষ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে। এছাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আলী সুজার সার্বিক তত্ত্বাবধানে প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হওয়ার পরেও ৬০ লক্ষ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়।
গুঠিয়া ইউনিয়নে ১০ কিলোমিটার খাল খননের জন্য সরকারি ভাবে ২ কেটি ৫৭ লাখ টাকা বরাদ্দ হয়। এরপর উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আলী সুজার সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ মোশারফ হোসাইন এর বাস্তবায়নে প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হয়।
কাজ শেষে সাশ্রয়কৃত ৬০ লক্ষ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়।এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আলী সুজা জানান, খাল খনন প্রকল্পের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ জনগণের করের টাকা।
সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে জনগণের এই অর্থের যথাযথ ব্যবহার ও সংরক্ষণ করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। প্রকল্পের কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার পর যে অর্থ উদ্বৃত্ত ছিল, তা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে। সরকার এ অর্থ দেশের অন্যান্য উন্নয়নমূলক কাজে ব্যবহার করতে পারবে। সরকার যে দায়িত্বই প্রদান করুক না কেন, তা সততা, স্বচ্ছতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করা উচিত। সরকারি প্রকল্পের অর্থ যথাযথভাবে ব্যয় ও ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে দেশের উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, কোনো প্রকল্পের বরাদ্দকৃত অর্থ পুরোপুরি ব্যয় করাই লক্ষ্য হওয়া উচিত নয়। প্রকল্পের নির্ধারিত কাজ যথাযথভাবে সম্পন্ন করে অব্যয়িত অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া সরকারি অর্থের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ও জবাবদিহিতার একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত। উজিরপুরে এই উদ্যোগ সরকারি প্রকল্পের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির ক্ষেত্রে একটি উজ্জ্বল ও অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা

লালপুরে স্বামী-স্ত্রীসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার, আড়াই কেজি গাঁজা উদ্ধার

খাল খনন শেষে ৬০ লক্ষ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়ে প্রশংসায় ভাসছেন- নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আলী সুজা

আপডেট সময় ১১:৫২:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬
৩০

মোঃ কাওছার হোসেন, বরিশাল প্রতিনিধিঃ বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়ায় সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে শতভাগ মান বজায় রেখে খাল খননের কাজ শেষে সাশ্রয় হওয়া ৬০ লক্ষ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়ে সাধারণ মানুষ ও সুশীল সমাজের কাছে প্রশংসায় ভাসছেন মানবিক, সৎ, দক্ষ ও বরিশাল জেলার শ্রেষ্ঠ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আলী সুজা।

সাম্প্রতিক সময়ে এমন সততা ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতার বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তিনি। সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা,জবাবদিহি ও সরকারি অর্থের সাশ্রয়কৃত(উদ্ধৃত) বড় অংকের অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়ে প্রশংসা ও সুনাম কুড়িয়ে নিয়েছেন উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আলী সুজা।

জানা যায় উপজেলার গুঠিয়া ইউনিয়নে ১০ কিলোমিটার খাল খনন প্রকল্পের কাজ শেষে উদ্বৃত্ত ৬০ লক্ষ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে। এছাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আলী সুজার সার্বিক তত্ত্বাবধানে প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হওয়ার পরেও ৬০ লক্ষ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়।
গুঠিয়া ইউনিয়নে ১০ কিলোমিটার খাল খননের জন্য সরকারি ভাবে ২ কেটি ৫৭ লাখ টাকা বরাদ্দ হয়। এরপর উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আলী সুজার সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ মোশারফ হোসাইন এর বাস্তবায়নে প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হয়।
কাজ শেষে সাশ্রয়কৃত ৬০ লক্ষ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়।এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আলী সুজা জানান, খাল খনন প্রকল্পের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ জনগণের করের টাকা।
সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে জনগণের এই অর্থের যথাযথ ব্যবহার ও সংরক্ষণ করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। প্রকল্পের কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার পর যে অর্থ উদ্বৃত্ত ছিল, তা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে। সরকার এ অর্থ দেশের অন্যান্য উন্নয়নমূলক কাজে ব্যবহার করতে পারবে। সরকার যে দায়িত্বই প্রদান করুক না কেন, তা সততা, স্বচ্ছতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করা উচিত। সরকারি প্রকল্পের অর্থ যথাযথভাবে ব্যয় ও ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে দেশের উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, কোনো প্রকল্পের বরাদ্দকৃত অর্থ পুরোপুরি ব্যয় করাই লক্ষ্য হওয়া উচিত নয়। প্রকল্পের নির্ধারিত কাজ যথাযথভাবে সম্পন্ন করে অব্যয়িত অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া সরকারি অর্থের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ও জবাবদিহিতার একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত। উজিরপুরে এই উদ্যোগ সরকারি প্রকল্পের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির ক্ষেত্রে একটি উজ্জ্বল ও অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।