, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
কাউনিয়ায় নজরুল বর্ষের উদ্বোধন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শ্রীনগরে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতি প্রতিযোগিতার শুভ উদ্বোধন উত্তর ধর্মপুরে কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত বিলাইছড়িতে সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে নজরুল বর্ষের উদ্বোধন অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে গিয়ে হা-মলা-র শি-কার পল্লী বিদ্যুতের ৬ জন সাবেক আইজিপি ড. এম. এনামুল হকের জানাজায় আরডিএ চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ সুইট বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজশাহী মহানগরীতে সাজ সাজ রব বকশীগঞ্জে ভ-য়া-বহ অ-গ্নি-কা-ণ্ড: খাবারের হোটেলসহ ৮ দোকান ভস্মীভূত ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সং/ঘ/র্ষ হয়েছে সন্দ্বীপে কোস্ট গার্ডের যৌথ অভিযান, ই-য়া-বা ও অ-স্ত্র-সহ মা-দক কা-র-বা-রি আ-টক

অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে গিয়ে হা-মলা-র শি-কার পল্লী বিদ্যুতের ৬ জন

অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে গিয়ে হা-মলা-র শি-কার পল্লী বিদ্যুতের ৬ জন

১১

পিরোজপুর সদর উপজেলার শংকরপাশা ইউনিয়নের কালিকাঠী এলাকায় অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে গিয়ে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ছয় কর্মকর্তা-কর্মচারী হামলার শিকার হয়েছেন।

এ ঘটনায় করা মামলার প্রধান আসামি মো. মুসা মহাজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরিফুল ইসলাম।

এর আগে, শনিবার (২৯ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে শংকরপাশা ইউনিয়নের কালিকাঠী এলাকার খোকন মহাজনের বাড়িতে হামলার ঘটনাটি ঘটে।

হামলায় আহতরা হলেন—পিরোজপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সহকারী জেনারেল ম্যানেজার (আইটি) ফাহাদ হোসেন, সহকারী জেনারেল ম্যানেজার (ওএ্যান্ডএম) তানজিম আল মাহমুদ, জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার ইমরান হোসেন, মিটার রিডার কাম ম্যাসেঞ্জার ইমন খান, মিটার রিডার জিসান দেওয়ান ও লাইন টেকনিশিয়ান জাকির হোসেন।

পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির এজিএম (আইটি) ফাহাদ হোসেন বাদী হয়ে পিরোজপুর সদর থানায় করা মামলায় মো. মুসা মহাজন, সজিব মহাজন, নিজাম উদ্দিন মহাজন, আখি ও রোকেয়া বেগমসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৫০ থেকে ৫৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।

এজাহারে উল্লেখ করা হয়, কালিকাঠী এলাকায় মুসা মহাজন ও সজিব মহাজনের বাড়িতে মিটারের সার্ভিস তার বাইপাস করে কৃত্রিম পদ্ধতিতে অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হচ্ছে—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিষয়টি যাচাই করতে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির একটি দল সেখানে যায়।

ঘটনাস্থলে গিয়ে দলটি অবৈধ সংযোগ শনাক্ত করে সংযোগ বিচ্ছিন্নের কাজ শুরু করলে অভিযুক্তরা তাতে বাধা দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ সময় তাদের সঙ্গে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে অভিযুক্তরা লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ওপর হামলা চালান বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

এজাহারে আরও বলা হয়, মুসা মহাজনের হাতে থাকা লাঠির আঘাতে জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার ইমরান হোসেন আহত হন। তাকে উদ্ধারে এগিয়ে গেলে বাদী ফাহাদ হোসেনকেও লাঠি দিয়ে মারধর করা হয়। পরে মিটার রিডার কাম ম্যাসেঞ্জার ইমন খান তাদের উদ্ধারে এগিয়ে গেলে তার মাথার পেছনে লাঠি দিয়ে আঘাত করা হয়। এতে তিনি অচেতন হয়ে পড়েন।

এ সময় অন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাদের উদ্ধারে এগিয়ে গেলে তাদের ওপরও হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। হামলাকারীরা আশপাশের আরও ৪০ থেকে ৫০ জনকে ডেকে এনে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মারধর ও হুমকি দেন বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের ব্যবহৃত সরকারি মোটরসাইকেল ভাঙচুরের অভিযোগও করা হয়েছে।

পরে আহত ইমন খানকে উদ্ধার করে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির গাড়িতে করে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। আহতরা পিরোজপুর সদর হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নেন। ইমন খান ইমুর অবস্থা গুরুতর হওয়ায় চিকিৎসক তাকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার ইমরান হোসেন বলেন, অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ রোধে নিয়মিত অভিযান ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এরই অংশ হিসেবে ওইদিন রাত সাড়ে ৮টার দিকে তারা কালিকাঠী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করতে যান। এ সময় গ্রাহকের বাড়িতে গিয়ে আমরা দেখতে পাই, সার্ভিস তারে ছিদ্র করে সেখান থেকে অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, বিষয়টি আমরা শনাক্ত করার পর ওই গ্রাহক আশপাশের লোকজনকে অন্যভাবে বুঝিয়ে বলেন, আমরা নাকি তার বাড়িতে ডাকাতি করতে গিয়েছি। আমরা যথেষ্ট পরিমাণ ডকুমেন্ট দেখিয়ে বিষয়টি বোঝানোর চেষ্টা করেছি। কিন্তু তারা কোনোভাবেই তা মানতে রাজি হয়নি। একপর্যায়ে তারা লাঠি, শবাঁশ ও দা নিয়ে আমাদের ওপর হামলা শুরু করে।

পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আরেক কর্মচারী ইমন খান বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি আমাদের ডাকাত বলে লোকজন ডাকাডাকি করতে থাকেন। আমরা তাদের বোঝানোর চেষ্টা করেছি। তারা বলছিলেন, ঠিকমতো বিদ্যুৎ পাই না, বারবার লোডশেডিং হয়—এসব কথা বলে হামলা শুরু করেন। মারধরের সময় আমার ঘাড় ও পিঠে আঘাত লাগে। পরে পুলিশকে খবর দিলে তারা ঘটনাস্থলে এসে আমাদের উদ্ধার করে।

পিরোজপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) মো. আলতাপ হোসেন বলেন, শংকরপাশা ইউনিয়নের কালিকাঠী গ্রামে অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হচ্ছে—এমন তথ্য পাওয়ার পর অবৈধ শসংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে আমাদের অফিস থেকে একটি দল সেখানে যায়। অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার পর কিছু লোক একত্রিত হয়ে তাদের ওপর হামলা করে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের আরেকটি দল ও প্রশাসনের লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে। এ বিষয়ে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য থানায় মামলা করা হয়েছে।

পিরোজপুর সদর থানার ওসি শরিফুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় মুসা নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা

কাউনিয়ায় নজরুল বর্ষের উদ্বোধন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে গিয়ে হা-মলা-র শি-কার পল্লী বিদ্যুতের ৬ জন

আপডেট সময় ০৬:০৯:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬
১১

পিরোজপুর সদর উপজেলার শংকরপাশা ইউনিয়নের কালিকাঠী এলাকায় অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে গিয়ে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ছয় কর্মকর্তা-কর্মচারী হামলার শিকার হয়েছেন।

এ ঘটনায় করা মামলার প্রধান আসামি মো. মুসা মহাজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরিফুল ইসলাম।

এর আগে, শনিবার (২৯ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে শংকরপাশা ইউনিয়নের কালিকাঠী এলাকার খোকন মহাজনের বাড়িতে হামলার ঘটনাটি ঘটে।

হামলায় আহতরা হলেন—পিরোজপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সহকারী জেনারেল ম্যানেজার (আইটি) ফাহাদ হোসেন, সহকারী জেনারেল ম্যানেজার (ওএ্যান্ডএম) তানজিম আল মাহমুদ, জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার ইমরান হোসেন, মিটার রিডার কাম ম্যাসেঞ্জার ইমন খান, মিটার রিডার জিসান দেওয়ান ও লাইন টেকনিশিয়ান জাকির হোসেন।

পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির এজিএম (আইটি) ফাহাদ হোসেন বাদী হয়ে পিরোজপুর সদর থানায় করা মামলায় মো. মুসা মহাজন, সজিব মহাজন, নিজাম উদ্দিন মহাজন, আখি ও রোকেয়া বেগমসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৫০ থেকে ৫৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।

এজাহারে উল্লেখ করা হয়, কালিকাঠী এলাকায় মুসা মহাজন ও সজিব মহাজনের বাড়িতে মিটারের সার্ভিস তার বাইপাস করে কৃত্রিম পদ্ধতিতে অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হচ্ছে—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিষয়টি যাচাই করতে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির একটি দল সেখানে যায়।

ঘটনাস্থলে গিয়ে দলটি অবৈধ সংযোগ শনাক্ত করে সংযোগ বিচ্ছিন্নের কাজ শুরু করলে অভিযুক্তরা তাতে বাধা দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ সময় তাদের সঙ্গে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে অভিযুক্তরা লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ওপর হামলা চালান বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

এজাহারে আরও বলা হয়, মুসা মহাজনের হাতে থাকা লাঠির আঘাতে জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার ইমরান হোসেন আহত হন। তাকে উদ্ধারে এগিয়ে গেলে বাদী ফাহাদ হোসেনকেও লাঠি দিয়ে মারধর করা হয়। পরে মিটার রিডার কাম ম্যাসেঞ্জার ইমন খান তাদের উদ্ধারে এগিয়ে গেলে তার মাথার পেছনে লাঠি দিয়ে আঘাত করা হয়। এতে তিনি অচেতন হয়ে পড়েন।

এ সময় অন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাদের উদ্ধারে এগিয়ে গেলে তাদের ওপরও হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। হামলাকারীরা আশপাশের আরও ৪০ থেকে ৫০ জনকে ডেকে এনে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মারধর ও হুমকি দেন বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের ব্যবহৃত সরকারি মোটরসাইকেল ভাঙচুরের অভিযোগও করা হয়েছে।

পরে আহত ইমন খানকে উদ্ধার করে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির গাড়িতে করে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। আহতরা পিরোজপুর সদর হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নেন। ইমন খান ইমুর অবস্থা গুরুতর হওয়ায় চিকিৎসক তাকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার ইমরান হোসেন বলেন, অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ রোধে নিয়মিত অভিযান ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এরই অংশ হিসেবে ওইদিন রাত সাড়ে ৮টার দিকে তারা কালিকাঠী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করতে যান। এ সময় গ্রাহকের বাড়িতে গিয়ে আমরা দেখতে পাই, সার্ভিস তারে ছিদ্র করে সেখান থেকে অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, বিষয়টি আমরা শনাক্ত করার পর ওই গ্রাহক আশপাশের লোকজনকে অন্যভাবে বুঝিয়ে বলেন, আমরা নাকি তার বাড়িতে ডাকাতি করতে গিয়েছি। আমরা যথেষ্ট পরিমাণ ডকুমেন্ট দেখিয়ে বিষয়টি বোঝানোর চেষ্টা করেছি। কিন্তু তারা কোনোভাবেই তা মানতে রাজি হয়নি। একপর্যায়ে তারা লাঠি, শবাঁশ ও দা নিয়ে আমাদের ওপর হামলা শুরু করে।

পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আরেক কর্মচারী ইমন খান বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি আমাদের ডাকাত বলে লোকজন ডাকাডাকি করতে থাকেন। আমরা তাদের বোঝানোর চেষ্টা করেছি। তারা বলছিলেন, ঠিকমতো বিদ্যুৎ পাই না, বারবার লোডশেডিং হয়—এসব কথা বলে হামলা শুরু করেন। মারধরের সময় আমার ঘাড় ও পিঠে আঘাত লাগে। পরে পুলিশকে খবর দিলে তারা ঘটনাস্থলে এসে আমাদের উদ্ধার করে।

পিরোজপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) মো. আলতাপ হোসেন বলেন, শংকরপাশা ইউনিয়নের কালিকাঠী গ্রামে অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হচ্ছে—এমন তথ্য পাওয়ার পর অবৈধ শসংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে আমাদের অফিস থেকে একটি দল সেখানে যায়। অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার পর কিছু লোক একত্রিত হয়ে তাদের ওপর হামলা করে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের আরেকটি দল ও প্রশাসনের লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে। এ বিষয়ে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য থানায় মামলা করা হয়েছে।

পিরোজপুর সদর থানার ওসি শরিফুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় মুসা নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।