জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য, সংগীত ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে ঘোষিত নজরুল বর্ষ (২৫ মে ২০২৬ থেকে ২৫ মে ২০২৭) উপলক্ষে দেশব্যাপী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় রাঙ্গামাটির বিলাইছড়িতে সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে নজরুল বর্ষের উদ্বোধন করা হয়েছে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) সকাল ১০টায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা মিলনায়তনে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি এমএ সালাম ফকির, সাধারণ সম্পাদক মো. জাফর আহাম্মদ, থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ওসমান গণি, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সুনীল কান্তি দেওয়ান, প্রভাষক অমৃত চাকমা, রিসোর্স সেন্টারের ইন্সট্রাক্টর বখতেয়ার হোসেন, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নিরালা কান্তি চাকমা, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা জবা রানি বড়ুয়া, বিলাইছড়ি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুরুল ইসলাম, কৃষি অফিসের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা রুবেল বড়ুয়া এবং রাজগুরু উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক কাজলা তঞ্চঙ্গ্যা।
এছাড়াও বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, আবাসিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কেরনছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য, সংগীত, কবিতা ও সাংস্কৃতিক চর্চার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল প্রতিভার বিকাশ, দেশপ্রেম ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা জাগ্রতকরণ এবং জাতীয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এ আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য, সংগীত ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা সম্পর্কে আগ্রহ ও সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
উল্লেখ্য, অনুষ্ঠানে উপস্থিত কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বেশিরভাগ দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত না থাকায় অসন্তোষ প্রকাশ করেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি এমএ সালাম ফকির। তিনি অনুপস্থিতির বিষয়টি খতিয়ে দেখতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন। তবে অনুপস্থিত কর্মকর্তারা কী কারণে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না, সে বিষয়ে তাদের সঙ্গে তাৎক্ষণিকভাবে কথা বলা সম্ভব হয়নি।
সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, রাঙ্গামাটি জেলা প্রতিনিধি

























