, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
মাদকমুক্ত ও মডেল ইউনিয়ন গড়ার প্রত্যয়ে চেয়ারম্যান পদে লড়তে চান মুক্তার হোসেন মোল্লা মঠবাড়িয়ার মিরুখালী ইউনিয়নের ৯টি পূজা মণ্ডপে যুবদল নেতা এ আর মামুন খানের আর্থিক সহায়তা প্রদান তিন জেলার ৬৩ পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় কোস্ট গার্ড পঞ্চগড়ে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত ৩৫ পরিবার পেল ঢেউটিন ও ঘর মেরামতের টাকা স্থানীয় নির্বাচন করতে পারবেন এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা চৌদ্দগ্রাম বন্ধন কাফেলার উদ্যোগে নিহত রং মেস্তরির পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান। শিবচরে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট উত্তরণে সরকারের উদ্যোগ প্রচার এবং লিফলেট বিতরণ “আল আরবে দুই বাংলাদেশী খুন: আসল অপরাধী সৌদি স্বৈরতন্ত্র বললেন আল্লামা ইমাম হায়াত” মিরুখালীতে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করলেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ নাজমুল ইসলাম রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযানে ১৭ জনের কারাদণ্ড

যেখানে জীবনের শেষ ঠিকানা, সেই কবরস্থানই ছিল জঙ্গলে পরিণত—শিক্ষার্থীদের নিয়ে পরিষ্কার করলেন রহমান মন্ডল

যেখানে জীবনের শেষ ঠিকানা, সেই কবরস্থানই ছিল জঙ্গলে পরিণত—শিক্ষার্থীদের নিয়ে পরিষ্কার করলেন রহমান মন্ডল

৯৩

জীবনের শেষ ঠিকানা কবরস্থান। একদিন এই মাটির নিচেই আমাদের সবাইকে শুয়ে থাকতে হবে। অথচ সেই কবরস্থানই যদি অবহেলা আর অযত্নে জঙ্গলে পরিণত হয়, তাহলে বিষয়টি সত্যিই হৃদয় ছুঁয়ে যায়।

এমনই এক চিত্র দেখা গেছে পূর্ব তেনাপেচা আশ্রয়ণ প্রকল্পের কবরস্থানে। দীর্ঘদিন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভাবে কবরস্থানটি আগাছা ও জঙ্গলে পরিণত হয়েছিল। কবরগুলোও অনেকটা অগোচরে চলে যাচ্ছিল।

এ অবস্থায় কবরস্থানটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার উদ্যোগ নেন দৌলতদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল রহমান মন্ডল। তাঁর নেতৃত্বে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে কবরস্থান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কর্মসূচি পরিচালনা করা হয়।

নিজেও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মাঠে নেমে আগাছা ও জঙ্গল পরিষ্কার করতে দেখা যায় রহমান মন্ডলকে। প্রচণ্ড পরিশ্রমে ঘেমে গেলেও তিনি থেমে থাকেননি। তাঁর এমন উদ্যোগে শিক্ষার্থীরাও উৎসাহ নিয়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজে অংশ নেয়।

রহমান মন্ডলের এই উদ্যোগ শুধু একটি কবরস্থান পরিষ্কার করার কর্মসূচি নয়—এটি নতুন প্রজন্মের মাঝে মানবিকতা, দায়িত্ববোধ ও মৃত্যুর কথা স্মরণ করার এক অনন্য শিক্ষা।

স্থানীয়দের অনেকেই বলেন, জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্বে থাকা বা না থাকার বিষয়টি বড় নয়; মানুষের জন্য কাজ করার মানসিকতাই একজন মানুষকে আলাদা করে চেনায়। আর সেই মানবিকতার পরিচয়ই আবারও দিলেন আব্দুল রহমান মন্ডল।

আজ যে মাটিতে অন্যের কবর পরিষ্কার করছি, একদিন হয়তো সেই মাটির নিচেই আমাদের ঠিকানা হবে।
তাই কবরস্থান শুধু একটি জায়গা নয়—এটি আমাদের জীবনের শেষ বাস্তবতার নীরব স্মারক।

রহমান মন্ডলের এমন উদ্যোগকে স্থানীয়রা স্বাগত জানিয়েছেন এবং কবরস্থানটির নিয়মিত পরিচর্যা ও সংরক্ষণের জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা

মাদকমুক্ত ও মডেল ইউনিয়ন গড়ার প্রত্যয়ে চেয়ারম্যান পদে লড়তে চান মুক্তার হোসেন মোল্লা

যেখানে জীবনের শেষ ঠিকানা, সেই কবরস্থানই ছিল জঙ্গলে পরিণত—শিক্ষার্থীদের নিয়ে পরিষ্কার করলেন রহমান মন্ডল

আপডেট সময় ০৮:০০:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬
৯৩

জীবনের শেষ ঠিকানা কবরস্থান। একদিন এই মাটির নিচেই আমাদের সবাইকে শুয়ে থাকতে হবে। অথচ সেই কবরস্থানই যদি অবহেলা আর অযত্নে জঙ্গলে পরিণত হয়, তাহলে বিষয়টি সত্যিই হৃদয় ছুঁয়ে যায়।

এমনই এক চিত্র দেখা গেছে পূর্ব তেনাপেচা আশ্রয়ণ প্রকল্পের কবরস্থানে। দীর্ঘদিন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভাবে কবরস্থানটি আগাছা ও জঙ্গলে পরিণত হয়েছিল। কবরগুলোও অনেকটা অগোচরে চলে যাচ্ছিল।

এ অবস্থায় কবরস্থানটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার উদ্যোগ নেন দৌলতদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল রহমান মন্ডল। তাঁর নেতৃত্বে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে কবরস্থান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কর্মসূচি পরিচালনা করা হয়।

নিজেও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মাঠে নেমে আগাছা ও জঙ্গল পরিষ্কার করতে দেখা যায় রহমান মন্ডলকে। প্রচণ্ড পরিশ্রমে ঘেমে গেলেও তিনি থেমে থাকেননি। তাঁর এমন উদ্যোগে শিক্ষার্থীরাও উৎসাহ নিয়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজে অংশ নেয়।

রহমান মন্ডলের এই উদ্যোগ শুধু একটি কবরস্থান পরিষ্কার করার কর্মসূচি নয়—এটি নতুন প্রজন্মের মাঝে মানবিকতা, দায়িত্ববোধ ও মৃত্যুর কথা স্মরণ করার এক অনন্য শিক্ষা।

স্থানীয়দের অনেকেই বলেন, জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্বে থাকা বা না থাকার বিষয়টি বড় নয়; মানুষের জন্য কাজ করার মানসিকতাই একজন মানুষকে আলাদা করে চেনায়। আর সেই মানবিকতার পরিচয়ই আবারও দিলেন আব্দুল রহমান মন্ডল।

আজ যে মাটিতে অন্যের কবর পরিষ্কার করছি, একদিন হয়তো সেই মাটির নিচেই আমাদের ঠিকানা হবে।
তাই কবরস্থান শুধু একটি জায়গা নয়—এটি আমাদের জীবনের শেষ বাস্তবতার নীরব স্মারক।

রহমান মন্ডলের এমন উদ্যোগকে স্থানীয়রা স্বাগত জানিয়েছেন এবং কবরস্থানটির নিয়মিত পরিচর্যা ও সংরক্ষণের জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।