, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
হিমছড়ি ঢালায় ডাকাতির ঘটনায় তদন্তে অগ্রগতি, গ্রেপ্তার এক শিবচরে এক বছরে ২,৪৩১ বিয়ে, বিচ্ছেদ ১,২৩৭! কেন ভাঙছে এত সংসার? এসআরবি-১৫-এর অভিযানে সাতকানিয়ায় ৯ মামলার আসামি গ্রেপ্তার লালপুরে ভুল স্বীকার করে বিএনপিতে ফিরতে চান যুবদল ও ছাত্রদলের নেতারা কাউনিয়ায় হত্যা মামলায় ইউপি সদস্যকে আসামি করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন চৌদ্দগ্রামে মাদক, চুরি ও ডাকাতির বিরুদ্ধে আলোচনা সভা উখিয়ায় ইয়াবাসহ যুবক আটক, উদ্ধার দুটি দা শাহজাদপুরে মরহুম আবু তালেব মাস্টারের স্মরণে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত কাউনিয়ায় তকিপল বাজার যুব সংঘের আহ্বায়ক কমিটি গঠন চৌদ্দগ্রাম কনকাপৈতে তাফসিরুল কোরআন মাহফিল অনুষ্ঠিত

পিরোজপুরে মানব পা/চার মামলায় পাঁচ জনের দশ বছর করে কা/রা/দ/ণ্ড

পিরোজপুরে মানব পা/চার মামলায় পাঁচ জনের দশ বছর করে কা/রা/দ/ণ্ড

১১০

পিরোজপুরে মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনের মামলায় পাঁচ আসামিকে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ৫ লাখ টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) পিরোজপুরের মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও জেলা ও দায়রা জজ মেহেদী আল মাসুদ এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন মঠবাড়িয়া উপজেলার ঘটিচোরা এলাকার মো. কুদ্দুস, হবিগঞ্জের বাহুবল এলাকার মো. কাসেম ওরফে কাদের মোল্লা, চাঁদপুরের শাহরাস্তি এলাকার রবিউল আলম ওরফে মানিক, নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকার জামাল সিকদার ওরফে জিয়া এবং কক্সবাজারের কুতুবদিয়া এলাকার পলাশ চৌধুরী।

আদালত সূত্রে জানা যায়, আসামিদের বিরুদ্ধে মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ৭ ধারায় অভিযোগ আনা হয়। এ ঘটনায় মঠবাড়িয়া থানায় ২০১৪ সালের ৩ জুন মামলা দায়ের করা হয়। পরে মামলাটি পিরোজপুরের মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন ছিল।

রায়ে আদালত বলেন, রাষ্ট্রপক্ষের উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণে আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। এ কারণে প্রত্যেককে ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রত্যেককে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি জামাল সিকদার ওরফে জিয়া এবং পলাশ চৌধুরী আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণার পর তাদের সাজা পরোয়ানামূলে পিরোজপুর জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। রায় ঘোষণার দিন থেকেই তাদের সাজা কার্যকর হবে।

অন্যদিকে, পলাতক তিন আসামি মো. কুদ্দুস, মো. কাসেম ওরফে কাদের মোল্লা এবং রবিউল আলম ওরফে মানিকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। তাদের গ্রেপ্তার বা আদালতে আত্মসমর্পণের দিন থেকে সাজা কার্যকর হবে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

জনপ্রিয় সংবাদ
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা

হিমছড়ি ঢালায় ডাকাতির ঘটনায় তদন্তে অগ্রগতি, গ্রেপ্তার এক

পিরোজপুরে মানব পা/চার মামলায় পাঁচ জনের দশ বছর করে কা/রা/দ/ণ্ড

আপডেট সময় ০৮:৫২:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬
১১০

পিরোজপুরে মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনের মামলায় পাঁচ আসামিকে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ৫ লাখ টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) পিরোজপুরের মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও জেলা ও দায়রা জজ মেহেদী আল মাসুদ এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন মঠবাড়িয়া উপজেলার ঘটিচোরা এলাকার মো. কুদ্দুস, হবিগঞ্জের বাহুবল এলাকার মো. কাসেম ওরফে কাদের মোল্লা, চাঁদপুরের শাহরাস্তি এলাকার রবিউল আলম ওরফে মানিক, নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকার জামাল সিকদার ওরফে জিয়া এবং কক্সবাজারের কুতুবদিয়া এলাকার পলাশ চৌধুরী।

আদালত সূত্রে জানা যায়, আসামিদের বিরুদ্ধে মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ৭ ধারায় অভিযোগ আনা হয়। এ ঘটনায় মঠবাড়িয়া থানায় ২০১৪ সালের ৩ জুন মামলা দায়ের করা হয়। পরে মামলাটি পিরোজপুরের মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন ছিল।

রায়ে আদালত বলেন, রাষ্ট্রপক্ষের উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণে আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। এ কারণে প্রত্যেককে ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রত্যেককে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি জামাল সিকদার ওরফে জিয়া এবং পলাশ চৌধুরী আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণার পর তাদের সাজা পরোয়ানামূলে পিরোজপুর জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। রায় ঘোষণার দিন থেকেই তাদের সাজা কার্যকর হবে।

অন্যদিকে, পলাতক তিন আসামি মো. কুদ্দুস, মো. কাসেম ওরফে কাদের মোল্লা এবং রবিউল আলম ওরফে মানিকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। তাদের গ্রেপ্তার বা আদালতে আত্মসমর্পণের দিন থেকে সাজা কার্যকর হবে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।