, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাগুরা মোহাম্মদপুরে বিএনপির একাংশের প্রতিবাদ মিছিল !

মাগুরা মোহাম্মদপুরে বিএনপির একাংশের প্রতিবাদ মিছিল !

মাগুরা মহম্মদপুরে প্রশাসনকে স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ দেওয়া, প্রশাসনিক দপ্তরে রাজনৈতিক প্রভাব, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে বিএনপির একাংশের প্রতিবাদ মিছিল—একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে।

একটি রাষ্ট্রের উন্নয়ন ও সুশাসন নিশ্চিত করতে হলে প্রশাসনকে অবশ্যই আইন, নীতি ও জনস্বার্থের ভিত্তিতে স্বাধীনভাবে কাজ করার পরিবেশ দিতে হবে। প্রশাসন যদি রাজনৈতিক চাপ বা অন্য কোনো মহলের প্রভাবের মধ্যে থাকে, তাহলে নিরপেক্ষভাবে আইন প্রয়োগ, সেবা প্রদান এবং অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।

রাজনৈতিক দলগুলোর কাজ হলো জনগণের অধিকার ও স্বার্থের কথা বলা, অন্যায়ের প্রতিবাদ করা এবং প্রশাসনের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে ভূমিকা রাখা। কিন্তু প্রশাসনের দৈনন্দিন সিদ্ধান্ত ও আইনগত কার্যক্রমে অযাচিত রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ কোনোভাবেই কাম্য নয়।

প্রশাসনকে হতে হবে জনবান্ধব, নিরপেক্ষ, জবাবদিহিমূলক ও দুর্নীতিমুক্ত। একই সঙ্গে প্রশাসনের কেউ অনিয়ম বা ক্ষমতার অপব্যবহার করলে তার বিরুদ্ধেও আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। দেশ ও সমাজের প্রকৃত উন্নয়ন তখনই সম্ভব, যখন রাজনীতি থাকবে জনগণের পাশে, আর প্রশাসন কাজ করবে আইনের অধীনে—কোনো ব্যক্তির বা গোষ্ঠীর চাপের কাছে নয়। প্রশাসনের স্বাধীনতা মানে স্বেচ্ছাচারিতা নয়; বরং আইনের মধ্যে থেকে নিরপেক্ষভাবে জনসেবা করার স্বাধীনতা।

জনপ্রিয় সংবাদ
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা

আরডিএ মার্কেট পরিদর্শনে চেয়ারম্যান, আধুনিক মার্কেট গড়ার আশ্বাস

মাগুরা মোহাম্মদপুরে বিএনপির একাংশের প্রতিবাদ মিছিল !

আপডেট সময় ০৫:০৯:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

মাগুরা মহম্মদপুরে প্রশাসনকে স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ দেওয়া, প্রশাসনিক দপ্তরে রাজনৈতিক প্রভাব, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে বিএনপির একাংশের প্রতিবাদ মিছিল—একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে।

একটি রাষ্ট্রের উন্নয়ন ও সুশাসন নিশ্চিত করতে হলে প্রশাসনকে অবশ্যই আইন, নীতি ও জনস্বার্থের ভিত্তিতে স্বাধীনভাবে কাজ করার পরিবেশ দিতে হবে। প্রশাসন যদি রাজনৈতিক চাপ বা অন্য কোনো মহলের প্রভাবের মধ্যে থাকে, তাহলে নিরপেক্ষভাবে আইন প্রয়োগ, সেবা প্রদান এবং অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।

রাজনৈতিক দলগুলোর কাজ হলো জনগণের অধিকার ও স্বার্থের কথা বলা, অন্যায়ের প্রতিবাদ করা এবং প্রশাসনের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে ভূমিকা রাখা। কিন্তু প্রশাসনের দৈনন্দিন সিদ্ধান্ত ও আইনগত কার্যক্রমে অযাচিত রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ কোনোভাবেই কাম্য নয়।

প্রশাসনকে হতে হবে জনবান্ধব, নিরপেক্ষ, জবাবদিহিমূলক ও দুর্নীতিমুক্ত। একই সঙ্গে প্রশাসনের কেউ অনিয়ম বা ক্ষমতার অপব্যবহার করলে তার বিরুদ্ধেও আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। দেশ ও সমাজের প্রকৃত উন্নয়ন তখনই সম্ভব, যখন রাজনীতি থাকবে জনগণের পাশে, আর প্রশাসন কাজ করবে আইনের অধীনে—কোনো ব্যক্তির বা গোষ্ঠীর চাপের কাছে নয়। প্রশাসনের স্বাধীনতা মানে স্বেচ্ছাচারিতা নয়; বরং আইনের মধ্যে থেকে নিরপেক্ষভাবে জনসেবা করার স্বাধীনতা।