, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
শারদীয় দুর্গা পূজা উপলক্ষে ফুলবাড়ীতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির প্রস্তুতিমূলক বৈঠক উখিয়ায় ডুবন্ত কাঠের ক্যারিয়ার উদ্ধার,ইয়াবা পাচারে অভিনব কৌশল কাউনিয়ায় আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত ময়মনসিংহ জেলা ফুলবাড়ী উপজেলা শাখার আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ ডিবির হাতে গ্রেপ্তার লালপুরে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত নেছারাবাদে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে আইসক্রিম উৎপাদন: কারখানা মালিককে জরিমানা ও সিলগালা কাউনিয়ায় আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত নেছারাবাদে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে আইসক্রিম উৎপাদন: কারখানা মালিককে জরিমানা ও সিলগালা রাজশাহীর কেশরহাটে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা পেলেন ১৭০০ অসহায় মানুষ; উদ্যোক্তাদের প্রশংসায় এলাকাবাসী চট্টগ্রামের মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি রামুতে গ্রেপ্তার

ভাঙ্গুড়ার মাগুড়া মাদ্রাসায় ১৯ জনই অকৃতকার্য

১১৭

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় এবারের দাখিল পরীক্ষার ফলাফলে হতাশাজনক চিত্র দেখা গেছে মাগুড়া দাখিল মাদ্রাসায়। প্রতিষ্ঠানটি থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১৯ জন শিক্ষার্থীর একজনও পাস করতে পারেনি। এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার মান, পাঠদান ও সার্বিক শিক্ষা কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের দাখিল পরীক্ষায় মাগুড়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে মোট ১৯ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। ফল প্রকাশের পর দেখা যায়, তাদের সবাই অকৃতকার্য হয়েছে। অর্থাৎ প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার দাঁড়িয়েছে শূন্য শতাংশে।

অন্যদিকে একই উপজেলার লতিফা-আয়শা দাখিল মাদ্রাসা থেকে ২০ জন শিক্ষার্থী দাখিল পরীক্ষায় অংশ নিয়ে মাত্র একজন উত্তীর্ণ হয়েছে। ওই প্রতিষ্ঠানের পাসের হারও বেশ হতাশাজনক।

ভাঙ্গুড়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আতিকুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত মাগুড়া দাখিল মাদ্রাসাটি ২০০১ সালে এমপিওভুক্ত হয়। দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালিত হলেও সাম্প্রতিক সময়ে শিক্ষার্থী সংখ্যা কমে আসছে বলে অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি নিয়মিত ও মানসম্মত পাঠদান নিয়েও স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে।

স্থানীয় কয়েকজনের অভিযোগ, শিক্ষকরা পাঠদানে আগ্রহী না হওয়ায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ কমছে। ফলে একদিকে যেমন শিক্ষার্থী সংকট তৈরি হচ্ছে, অন্যদিকে পরীক্ষার ফলাফলও ক্রমেই নিম্নমুখী হচ্ছে।

তবে অভিযোগের বিষয়ে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য ভিন্ন। মাদ্রাসার সুপার মো. জাকির হোসেন বলেন, “ভাই, রেজাল্ট খারাপ। আমরা ভালো নাই। গ্রাম এলাকার প্রতিষ্ঠান, ছেলে-মেয়েরা পড়তে যায় না।”

একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষার্থীদের শূন্য পাসের ফলাফল শুধু শিক্ষার্থীদের ব্যর্থতা নয়, বরং প্রতিষ্ঠানের পাঠদান, ব্যবস্থাপনা ও শিক্ষার পরিবেশ নিয়েও নতুন করে ভাবার সুযোগ তৈরি করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জনপ্রিয় সংবাদ
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা

শারদীয় দুর্গা পূজা উপলক্ষে ফুলবাড়ীতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির প্রস্তুতিমূলক বৈঠক

ভাঙ্গুড়ার মাগুড়া মাদ্রাসায় ১৯ জনই অকৃতকার্য

আপডেট সময় ১১:৪৩:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬
১১৭

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় এবারের দাখিল পরীক্ষার ফলাফলে হতাশাজনক চিত্র দেখা গেছে মাগুড়া দাখিল মাদ্রাসায়। প্রতিষ্ঠানটি থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১৯ জন শিক্ষার্থীর একজনও পাস করতে পারেনি। এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার মান, পাঠদান ও সার্বিক শিক্ষা কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের দাখিল পরীক্ষায় মাগুড়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে মোট ১৯ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। ফল প্রকাশের পর দেখা যায়, তাদের সবাই অকৃতকার্য হয়েছে। অর্থাৎ প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার দাঁড়িয়েছে শূন্য শতাংশে।

অন্যদিকে একই উপজেলার লতিফা-আয়শা দাখিল মাদ্রাসা থেকে ২০ জন শিক্ষার্থী দাখিল পরীক্ষায় অংশ নিয়ে মাত্র একজন উত্তীর্ণ হয়েছে। ওই প্রতিষ্ঠানের পাসের হারও বেশ হতাশাজনক।

ভাঙ্গুড়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আতিকুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত মাগুড়া দাখিল মাদ্রাসাটি ২০০১ সালে এমপিওভুক্ত হয়। দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালিত হলেও সাম্প্রতিক সময়ে শিক্ষার্থী সংখ্যা কমে আসছে বলে অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি নিয়মিত ও মানসম্মত পাঠদান নিয়েও স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে।

স্থানীয় কয়েকজনের অভিযোগ, শিক্ষকরা পাঠদানে আগ্রহী না হওয়ায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ কমছে। ফলে একদিকে যেমন শিক্ষার্থী সংকট তৈরি হচ্ছে, অন্যদিকে পরীক্ষার ফলাফলও ক্রমেই নিম্নমুখী হচ্ছে।

তবে অভিযোগের বিষয়ে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য ভিন্ন। মাদ্রাসার সুপার মো. জাকির হোসেন বলেন, “ভাই, রেজাল্ট খারাপ। আমরা ভালো নাই। গ্রাম এলাকার প্রতিষ্ঠান, ছেলে-মেয়েরা পড়তে যায় না।”

একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষার্থীদের শূন্য পাসের ফলাফল শুধু শিক্ষার্থীদের ব্যর্থতা নয়, বরং প্রতিষ্ঠানের পাঠদান, ব্যবস্থাপনা ও শিক্ষার পরিবেশ নিয়েও নতুন করে ভাবার সুযোগ তৈরি করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।