, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
জামালপুরে পাহাড়ি ঢলে ক্ষতিগ্রস্তদের ৩৫ বিজিবির উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান কাউনিয়ায় বৃক্ষরোপণ প্রণোদনার চারা, জৈব সার ও বাঁশের খুঁটি বিতরণ রায়গঞ্জে মাদক সেবনে বাধা, সংঘর্ষে কুপিয়ে আহত ২; একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক নীলডুমুর ১৭ বিজিবির উদ্যোগে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ সহায়তা বিতরণ ফুলবাড়ীতে ফেসবুকে মাদক মামলার পোস্ট: এনসিপি নেতার থানায় অভিযোগ কুড়িগ্রামে নদী ভাঙন রোধে জিও ব্যাগ ফেলা কাজের শুভ উদ্বোধন রুমায় বন্যায় সাত লাখ টাকার ক্ষতি ও ঋণের চাপে সন্তানদের পড়ালেখা বন্ধের শঙ্কায় কৃষাণী বকশীগঞ্জে মাদক সেবনের দায়ে যুবকের ৬ মাসের কারাদণ্ড কাউনিয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন আত্রাইয়ে নদ-নদীতে পানি বৃদ্ধি, জেলেদের মাছ শিকারের ধুম

কুড়িগ্রামে নদী ভাঙন রোধে জিও ব্যাগ ফেলা কাজের শুভ উদ্বোধন

  • আপডেট সময় ০৫:২৬:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
  • 17

কুড়িগ্রামে নদী ভাঙন রোধে জিও ব্যাগ ফেলা কাজের শুভ উদ্বোধন

২১

কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী উপজেলায় নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের গোরকমন্ডপ অঞ্চলের তীব্র নদী ভাঙন কবলিত মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে এবং ফসলি জমি ও ঘরবাড়ি রক্ষার্থে জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলার কাজ শুরু হয়েছে। গত (১৪-০৭-২০২৬ ইং তারিখ) কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদ প্রশাসক সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ আনুষ্ঠানিকভাবে এই কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন।

​নদী তীরের ভাঙন প্রবণ এলাকায় আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে জিও ব্যাগ ফেলে এই কাজের সূচনা করা হয়।
​জনগণের স্বস্তি ও আশার আলো।

উদ্বোধনকালে জেলা পরিষদ প্রশাসক সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ বলেন, “নদী ভাঙন এ অঞ্চলের একটি অন্যতম প্রধান সমস্যা। ভাঙনের ফলে প্রতি বছর বহু মানুষ নিঃস্ব হয়ে পড়ে। বর্তমান সরকার জনগণের জানমাল রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই জিও ব্যাগ ফেলার মাধ্যমে সাময়িকভাবে ভাঙন রোধ করা সম্ভব হবে এবং পরবর্তীতে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

​তিনি আরও জানান, কাজের গুণগত মান বজায় রেখে দ্রুততার সাথে যেন এই কাজ শেষ করা হয়, সে ব্যাপারে কঠোর নজরদারি রাখা হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, জেলা পরিষদের কর্মকর্তা-কর্মচারী, পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রতিনিধি এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও ভাঙন কবলিত এলাকার শত শত সাধারণ মানুষ নদী তীরে এসে ভিড় জমান। দীর্ঘদিন পর ভাঙন রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করায় স্থানীয় বাসিন্দারা জেলা প্রশাসন ও জেলা পরিষদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, প্রাথমিকভাবে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অংশগুলোতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে। বর্ষা মৌসুমের তীব্র স্রোত ও ভাঙন থেকে এলাকাকে রক্ষা করতে এই উদ্যোগ অত্যন্ত সময়োপযোগী ও কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

জামালপুরে পাহাড়ি ঢলে ক্ষতিগ্রস্তদের ৩৫ বিজিবির উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান

কুড়িগ্রামে নদী ভাঙন রোধে জিও ব্যাগ ফেলা কাজের শুভ উদ্বোধন

আপডেট সময় ০৫:২৬:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
২১

কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী উপজেলায় নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের গোরকমন্ডপ অঞ্চলের তীব্র নদী ভাঙন কবলিত মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে এবং ফসলি জমি ও ঘরবাড়ি রক্ষার্থে জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলার কাজ শুরু হয়েছে। গত (১৪-০৭-২০২৬ ইং তারিখ) কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদ প্রশাসক সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ আনুষ্ঠানিকভাবে এই কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন।

​নদী তীরের ভাঙন প্রবণ এলাকায় আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে জিও ব্যাগ ফেলে এই কাজের সূচনা করা হয়।
​জনগণের স্বস্তি ও আশার আলো।

উদ্বোধনকালে জেলা পরিষদ প্রশাসক সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ বলেন, “নদী ভাঙন এ অঞ্চলের একটি অন্যতম প্রধান সমস্যা। ভাঙনের ফলে প্রতি বছর বহু মানুষ নিঃস্ব হয়ে পড়ে। বর্তমান সরকার জনগণের জানমাল রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই জিও ব্যাগ ফেলার মাধ্যমে সাময়িকভাবে ভাঙন রোধ করা সম্ভব হবে এবং পরবর্তীতে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

​তিনি আরও জানান, কাজের গুণগত মান বজায় রেখে দ্রুততার সাথে যেন এই কাজ শেষ করা হয়, সে ব্যাপারে কঠোর নজরদারি রাখা হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, জেলা পরিষদের কর্মকর্তা-কর্মচারী, পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রতিনিধি এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও ভাঙন কবলিত এলাকার শত শত সাধারণ মানুষ নদী তীরে এসে ভিড় জমান। দীর্ঘদিন পর ভাঙন রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করায় স্থানীয় বাসিন্দারা জেলা প্রশাসন ও জেলা পরিষদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, প্রাথমিকভাবে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অংশগুলোতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে। বর্ষা মৌসুমের তীব্র স্রোত ও ভাঙন থেকে এলাকাকে রক্ষা করতে এই উদ্যোগ অত্যন্ত সময়োপযোগী ও কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।