, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পিরোজপুরে মানব পা/চার মামলায় পাঁচ জনের দশ বছর করে কা/রা/দ/ণ্ড গোপালগঞ্জে ৩ কেজি গাঁ/জা/সহ চারজন আটক বকশীগঞ্জে কৃষককে হ/ত্যা/র চেষ্টা ও জমি দখলের প্রতিবাদে দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে জিআইজেড প্রতিনিধিদের সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সিরাজগঞ্জে সুজন হত্যা মামলায় দুইজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড মাগুরা শ্রীপুর দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৫: বাড়িঘরে ভাঙচুর ও লুটপাট মাগুরা শ্রীপুরে প্রবাসীর বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট, নিরাপত্তাহীনতায় বৃদ্ধ মা- বাবা টেপামধুপুর ইউনিয়নে কমিউনিটি ঝুঁকি মূল্যায়ন চিলমারীতে ৬৮ পিচ ইয়াবাসহ যুবক আটক কাউনিয়ায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬-এর সমাপনী অনুষ্ঠান

রুমায় বন্যায় সাত লাখ টাকার ক্ষতি ও ঋণের চাপে সন্তানদের পড়ালেখা বন্ধের শঙ্কায় কৃষাণী

  • MD KAMRUL HASAN, NEWS EDITOR, DAINIK AMAR PATRIKA
  • আপডেট সময় ০৫:১২:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
  • 34

রুমায় বন্যায় সাত লাখ টাকার ক্ষতি ও ঋণের চাপে সন্তানদের পড়ালেখা বন্ধের শঙ্কায় কৃষাণী

৪৭

‘হাতে ও ঘরে কোনো টাকা নেই। বাজার করা দূরের কথা, এক খিলি পান খাওয়ার টাকাও শেষ। কৃষিই ছিল একমাত্র আয়ের উৎস। সাঙ্গু নদীর বন্যার পানি সবকিছু শেষ করে দিয়েছে আমাকে। এখন আমি ঋণের বোঝা হয়ে গেছি।

কথাগুলো বলছিলেন বান্দরবানের রুমা উপজেলার সদর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের নামিপাড়া এলাকার কৃষাণী গোলাপ্রু মার্মা (৪৭)। গত মঙ্গলবার বিকেলে রুমা সদরঘাট এলাকার একটি দোকানে এই প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে তিনি সাম্প্রতিক বন্যায় নিজের ক্ষয়ক্ষতির বর্ণনা দেন।

গোলাপ্রু মার্মার সংসারে দুই মেয়ে ও এক ছেলে। গত ৩০ বছর ধরে কৃষিকাজ ও সবজি চাষের মাধ্যমে সংসার চালিয়ে আসছেন তিনি। তাঁর দাবি, এত দীর্ঘ কৃষিজীবনে কখনো এমন বিপর্যয়ের মুখে পড়তে হয়নি। একই এলাকায় আরও ১২ থেকে ১৪টি পরিবার কৃষিকাজ করলেও তাঁর মতো এত বড় ক্ষতির শিকার আর কেউ হননি।

গোলাপ্রু মার্মা জানান, প্রবল বর্ষণে সৃষ্ট বন্যায় তাঁর মাছের পুকুর, পেঁপে বাগান, ধান ও বিভিন্ন সবজির ক্ষেত পানিতে তলিয়ে যায়। সব মিলিয়ে তাঁর প্রায় সাত লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

তিনি বলেন, উপজেলা প্রশাসনের কাছ থেকে লিজ নেওয়া একটি পুকুরে গত বছর ৭৫ হাজার টাকা ব্যয়ে চিংড়ি ও মাছের পোনা অবমুক্ত করেছিলেন। মাছ ও চিংড়িগুলো বিক্রির উপযোগী হয়ে উঠেছিল। বন্যার পানিতে সব ভেসে যাওয়ায় বছর শেষে সম্ভাব্য সাড়ে চার লাখ টাকার আয়ের আশা শেষ হয়ে গেছে।

শুধু মাছের খামারই নয়, তাঁর ৪২০টি হাইব্রিড পেঁপে গাছেও ভালো ফলন এসেছিল। এক সপ্তাহ পর থেকে বিক্রি শুরুর কথা ভাবছিলেন তিনি । প্রতি সপ্তাহে প্রায় ১০ মণ পেঁপে ২৫ থেকে ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করবেন। তাঁর হিসাবে, বন্যা না হলে এ বাগান থেকে বছরে প্রায় চার লাখ টাকা আয় হতে পারত। তাও বোন নেই শেষ হয়ে গেল।

এ ছাড়া ওলকচু চাষে প্রায় ৫০ হাজার টাকা বিনিয়োগ করেছিলেন। কিন্তু বন্যার পানিতে ক্ষেত তলিয়ে যাওয়ায় সব পচে নষ্ট হয়েছে। হাইব্রিড ধানের চারা রোপণে আরও প্রায় ২৫ হাজার টাকা খরচ করেছিলেন। তাঁর আশা ছিল, মৌসুম শেষে অন্তত ৩০০ আড়ি ধান ঘরে তুলতে পারবেন। কিন্তু বন্যার পানিতে ধানের চারাগুলো কাদার সঙ্গে মিশে গেছে।

আধা কানি জমিতে শশা এবং আধা কানি জমিতে বরবটির চাষ করেছিলেন। এসব সবজি বিক্রি করে প্রতি হাটে তিন থেকে চার হাজার টাকা আয় হতো। বন্যার আগে প্রায় এক মাস ধরে সেই আয়েই সংসারের সব খরচ চলছিল। কিন্তু প্রবল বর্ষণে সৃষ্ট বন্যায় সেই আয়ের পথও বন্ধ হয়ে গেছে।

কৃষিকাজে বিনিয়োগ করতে বিভিন্ন উৎস থেকে ঋণ নিয়েছিলেন গোলাপ্রু মার্মা। বর্তমানে কৃষি ব্যাংক থেকে নেওয়া ১ লাখ ২০ হাজার টাকা, বেসরকারি সংস্থা আইডিএফের ১ লাখ টাকা এবং প্রতিবেশীদের কাছ থেকে ধার নেওয়া ৫০ হাজার, ৩০ হাজার ও ১৫ হাজার টাকাসহ মোট কয়েক লাখ টাকার ঋণের বোঝা তাঁকে দুশ্চিন্তায় ফেলেছে।

তিনি বলেন, ‘ঋণের কিস্তির কথা চিন্তা করে মাথায় কিছুই কাজ করছে না। কীভাবে এই ঋণ শোধ করব, বুঝতে পারছি না।’

বন্যার প্রভাব পড়েছে তাঁর সন্তানদের শিক্ষাজীবনেও। বড় মেয়ে সম্প্রতি মাস্টার্সে ভর্তি হয়েছেন এবং জাপানে উচ্চশিক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। ছোট মেয়ে বর্তমানে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন। তাঁদের পড়াশোনার জন্য প্রতি মাসে প্রায় ১৮ হাজার টাকা পাঠাতে হতো। কিন্তু কৃষি থেকে আয়ের সব পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দুই মেয়েকেই বাড়ি ফিরে আসতে বলেছেন তিনি।

গত ৬ থেকে ১১ জুলাই পর্যন্ত টানা ছয় দিনের ভারী বর্ষণে রুমা উপজেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত সাঙ্গু নদীতে পাহাড়ি ঢল নামে। নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এতে নদীতীরবর্তী এলাকার মাছের খামার, ধান ও সবজির ক্ষেত ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তার সাথে পাহাড়ের বাগান ও পাহাড়ে জুম চাষের পাহাড় ধসে ব্যাপক হারে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

রুমা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফরিদুল হক বলেন, সাম্প্রতিক বন্যায় উপজেলার কৃষকরাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। প্রাথমিকভাবে অন্তত ৩৫০ জন কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত না হওয়া পর্যন্ত সঠিক সংখ্যা বলা সম্ভব নয়। ইতিমধ্যে মাঠপর্যায়ে সরেজমিন পরিদর্শনের পাশাপাশি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও কৃষকদের সহযোগিতায় প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুতের কাজ চলছে।

রুমা সদর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অংসিনু মার্মা বলেন, টানা বৃষ্টিতে সৃষ্ট বন্যা ও পাহাড়ধসে অন্তত এক হাজার পরিবার বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে প্রাথমিক ধারণা করা হচ্ছে। ইউনিয়নের নয়জন সদস্য ও তিনজন সংর

ক্ষিত নারী সদস্যের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুতের কাজ চলছে। দুই-এক দিনের মধ্যে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা সম্ভব হবে।

অন্যদিকে গালেঙ্গ্যা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মেনরত ম্রো জানান, তাঁর ইউনিয়নে প্রাথমিকভাবে ৮৩টি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা

পিরোজপুরে মানব পা/চার মামলায় পাঁচ জনের দশ বছর করে কা/রা/দ/ণ্ড

রুমায় বন্যায় সাত লাখ টাকার ক্ষতি ও ঋণের চাপে সন্তানদের পড়ালেখা বন্ধের শঙ্কায় কৃষাণী

আপডেট সময় ০৫:১২:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
৪৭

‘হাতে ও ঘরে কোনো টাকা নেই। বাজার করা দূরের কথা, এক খিলি পান খাওয়ার টাকাও শেষ। কৃষিই ছিল একমাত্র আয়ের উৎস। সাঙ্গু নদীর বন্যার পানি সবকিছু শেষ করে দিয়েছে আমাকে। এখন আমি ঋণের বোঝা হয়ে গেছি।

কথাগুলো বলছিলেন বান্দরবানের রুমা উপজেলার সদর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের নামিপাড়া এলাকার কৃষাণী গোলাপ্রু মার্মা (৪৭)। গত মঙ্গলবার বিকেলে রুমা সদরঘাট এলাকার একটি দোকানে এই প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে তিনি সাম্প্রতিক বন্যায় নিজের ক্ষয়ক্ষতির বর্ণনা দেন।

গোলাপ্রু মার্মার সংসারে দুই মেয়ে ও এক ছেলে। গত ৩০ বছর ধরে কৃষিকাজ ও সবজি চাষের মাধ্যমে সংসার চালিয়ে আসছেন তিনি। তাঁর দাবি, এত দীর্ঘ কৃষিজীবনে কখনো এমন বিপর্যয়ের মুখে পড়তে হয়নি। একই এলাকায় আরও ১২ থেকে ১৪টি পরিবার কৃষিকাজ করলেও তাঁর মতো এত বড় ক্ষতির শিকার আর কেউ হননি।

গোলাপ্রু মার্মা জানান, প্রবল বর্ষণে সৃষ্ট বন্যায় তাঁর মাছের পুকুর, পেঁপে বাগান, ধান ও বিভিন্ন সবজির ক্ষেত পানিতে তলিয়ে যায়। সব মিলিয়ে তাঁর প্রায় সাত লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

তিনি বলেন, উপজেলা প্রশাসনের কাছ থেকে লিজ নেওয়া একটি পুকুরে গত বছর ৭৫ হাজার টাকা ব্যয়ে চিংড়ি ও মাছের পোনা অবমুক্ত করেছিলেন। মাছ ও চিংড়িগুলো বিক্রির উপযোগী হয়ে উঠেছিল। বন্যার পানিতে সব ভেসে যাওয়ায় বছর শেষে সম্ভাব্য সাড়ে চার লাখ টাকার আয়ের আশা শেষ হয়ে গেছে।

শুধু মাছের খামারই নয়, তাঁর ৪২০টি হাইব্রিড পেঁপে গাছেও ভালো ফলন এসেছিল। এক সপ্তাহ পর থেকে বিক্রি শুরুর কথা ভাবছিলেন তিনি । প্রতি সপ্তাহে প্রায় ১০ মণ পেঁপে ২৫ থেকে ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করবেন। তাঁর হিসাবে, বন্যা না হলে এ বাগান থেকে বছরে প্রায় চার লাখ টাকা আয় হতে পারত। তাও বোন নেই শেষ হয়ে গেল।

এ ছাড়া ওলকচু চাষে প্রায় ৫০ হাজার টাকা বিনিয়োগ করেছিলেন। কিন্তু বন্যার পানিতে ক্ষেত তলিয়ে যাওয়ায় সব পচে নষ্ট হয়েছে। হাইব্রিড ধানের চারা রোপণে আরও প্রায় ২৫ হাজার টাকা খরচ করেছিলেন। তাঁর আশা ছিল, মৌসুম শেষে অন্তত ৩০০ আড়ি ধান ঘরে তুলতে পারবেন। কিন্তু বন্যার পানিতে ধানের চারাগুলো কাদার সঙ্গে মিশে গেছে।

আধা কানি জমিতে শশা এবং আধা কানি জমিতে বরবটির চাষ করেছিলেন। এসব সবজি বিক্রি করে প্রতি হাটে তিন থেকে চার হাজার টাকা আয় হতো। বন্যার আগে প্রায় এক মাস ধরে সেই আয়েই সংসারের সব খরচ চলছিল। কিন্তু প্রবল বর্ষণে সৃষ্ট বন্যায় সেই আয়ের পথও বন্ধ হয়ে গেছে।

কৃষিকাজে বিনিয়োগ করতে বিভিন্ন উৎস থেকে ঋণ নিয়েছিলেন গোলাপ্রু মার্মা। বর্তমানে কৃষি ব্যাংক থেকে নেওয়া ১ লাখ ২০ হাজার টাকা, বেসরকারি সংস্থা আইডিএফের ১ লাখ টাকা এবং প্রতিবেশীদের কাছ থেকে ধার নেওয়া ৫০ হাজার, ৩০ হাজার ও ১৫ হাজার টাকাসহ মোট কয়েক লাখ টাকার ঋণের বোঝা তাঁকে দুশ্চিন্তায় ফেলেছে।

তিনি বলেন, ‘ঋণের কিস্তির কথা চিন্তা করে মাথায় কিছুই কাজ করছে না। কীভাবে এই ঋণ শোধ করব, বুঝতে পারছি না।’

বন্যার প্রভাব পড়েছে তাঁর সন্তানদের শিক্ষাজীবনেও। বড় মেয়ে সম্প্রতি মাস্টার্সে ভর্তি হয়েছেন এবং জাপানে উচ্চশিক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। ছোট মেয়ে বর্তমানে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন। তাঁদের পড়াশোনার জন্য প্রতি মাসে প্রায় ১৮ হাজার টাকা পাঠাতে হতো। কিন্তু কৃষি থেকে আয়ের সব পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দুই মেয়েকেই বাড়ি ফিরে আসতে বলেছেন তিনি।

গত ৬ থেকে ১১ জুলাই পর্যন্ত টানা ছয় দিনের ভারী বর্ষণে রুমা উপজেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত সাঙ্গু নদীতে পাহাড়ি ঢল নামে। নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এতে নদীতীরবর্তী এলাকার মাছের খামার, ধান ও সবজির ক্ষেত ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তার সাথে পাহাড়ের বাগান ও পাহাড়ে জুম চাষের পাহাড় ধসে ব্যাপক হারে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

রুমা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফরিদুল হক বলেন, সাম্প্রতিক বন্যায় উপজেলার কৃষকরাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। প্রাথমিকভাবে অন্তত ৩৫০ জন কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত না হওয়া পর্যন্ত সঠিক সংখ্যা বলা সম্ভব নয়। ইতিমধ্যে মাঠপর্যায়ে সরেজমিন পরিদর্শনের পাশাপাশি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও কৃষকদের সহযোগিতায় প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুতের কাজ চলছে।

রুমা সদর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অংসিনু মার্মা বলেন, টানা বৃষ্টিতে সৃষ্ট বন্যা ও পাহাড়ধসে অন্তত এক হাজার পরিবার বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে প্রাথমিক ধারণা করা হচ্ছে। ইউনিয়নের নয়জন সদস্য ও তিনজন সংর

ক্ষিত নারী সদস্যের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুতের কাজ চলছে। দুই-এক দিনের মধ্যে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা সম্ভব হবে।

অন্যদিকে গালেঙ্গ্যা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মেনরত ম্রো জানান, তাঁর ইউনিয়নে প্রাথমিকভাবে ৮৩টি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে।