, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
গোপালগঞ্জের মাদরাসা থেকে দুই শিক্ষার্থী নিখোঁজ, খোঁজ মিলছে না মাগুরা শ্রীপুর উপজেলার বিভিন্ন দপ্তর ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন গলাচিপায় বসতঘরে আ-গুন, ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ২০ লাখ টাকার মাগুরা শ্রীপুর প্রতিবন্ধী ও অটিজম বিদ্যালয় পরিদর্শন পিরোজপুর শহরে রাস্তা-ড্রেন-ফুটপাত উন্নয়নে জোর, মান নিশ্চিতের নির্দেশ পিরোজপুরে বৃক্ষরোপণ ও মাদকবিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় রাজশাহীর তালাইমারিতে অবস্থিত ক্যামব্রিয়ান ইন্টারন্যাশনাল স্কুল পরিদর্শন পিরোজপুরে দু-র্নী-তি বিরোধী প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত গোপালগঞ্জে এসআই পদে পদোন্নতি পেলেন সোহেল মিয়া বাকৃবি সিএএসআরের ৪০তম সমন্বয়ক হলেন অধ্যাপক রুহুল আমিন

শ্যামনগর কাশিমাড়ীর ১০ হাজার বিঘা জমিতে ধান চাষ ব্যাহত: এলাকায় নেমে এসেছে দুর্ভিক্ষ

  • MD KAMRUL HASAN, NEWS EDITOR, DAINIK AMAR PATRIKA
  • আপডেট সময় ০২:৪০:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬
  • 37

শ্যামনগর কাশিমাড়ীর ১০ হাজার বিঘা জমিতে ধান চাষ ব্যাহত: এলাকায় নেমে এসেছে দুর্ভিক্ষ

৫০

শ্যামনগর উপজেলার কাশিমাড়ীর প্রান খ্যাত মহিষের খালটি প্রভাব শালীরা দখলে রেখে নোনা পানি তুলে মাছ চাষ করায় ১০ হাজার বিঘা জমির ধান চাষ ব্যহত হচ্ছে। উপজেলার কাশিমাড়ী ও আটুলিয়া ইউনিয়নের মধ্যবর্তী খালটি প্রভাব শালীরা অবৈধ ভাবে দখলে রেখে মাছ চাষ করায় ১০ হাজার বিঘা জমিতে ধান চাষ না করতে পেরে খেয়ে না খেয়ে জীবন অবিবাহিত হচ্ছে প্রান্তিক কৃষকদের।

এলাকার মৎস্যজীবি পরিবার গুলো মাছ ধরে জীবন অতিবাহিত না করতে পেরে জীবিকার তাগিদে অন্যত্র পাড়ী জমাচ্ছে। মহিষের খালটি দখলে রেখে শ্রেণি পরিবর্তন করে নোনা পানি তুলে ডুবিয়ে দিচ্ছে এলাকার কৃষক ম্রেণির মানুষের ধানের চাষের জমি গাছ গাছালী। খালটি উনমুক্ত থাকলে এলাকার ২লক্ষাধিক মানুষ বছরে ৩বার ফসল নিতে পারে অথচ প্রভাবশালী ভূমিদস্যুরা দখলে রেখে নোনা পানি তুলে মাছ চাষ করায় এলাকায় নেমে এসেছে চরম দূর্ভোগ।খালটি প্রভাবশালীদের দখলের কারনে অন্তত ২০গ্রামের পানি নিস্কাশন ব্যহত হচ্ছে।খালটি উন্মুক্ত করে খননের জন্য এলাকাবাসী বার বার প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে আবেদন দিয়েছেন। বিভিন্ন মহল বার বার মানববন্ধন ও করেছেন। এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানাযায় কিছু ব্যক্তি খালটি দখল করে রাখার জন্য জাল কাগজপত্র তৈরী করে আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন| যে কারনে প্রশাসন উন্মুক্তর জন্য তেমন উদ্যোগ দিচ্ছেন না। প্রশাসন চাইলেও অর্থের বিনিময়ে থামিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

জয়নগর গ্রামের প্রান্তিক কৃষক মোকসেদ জানান,আমার ২বিঘা জমি রয়েছে যাতে ধান করে আমি পরিবার পরিজনের মুখে খাবার তুলে দেই কিন্ত খালটি দখলে রেখে প্রভাবশারী মহল নোনা পানি তোলায় চিংড়ি ঘেরে হারিতে দিতে হয়েছে যা হারির টাকা পাই তাতে বছরের ২/৩ মাসের খাবার জোগাড় হয় বাকী দিনগুলি অনাহারে অর্ধাহারে অতিবাহিত হয়।

ঝাপালী গ্রামের মজিদ জানান, আমার খালের পাশে ৩ বিঘা জমি রয়েছে তাতে ৩বার ফসল করা সম্ভব কিন্ত প্রভাবশালী ভুমিদস্যুরা মহিষের খালটি দখলে রেখে নোনা পানি তোলায় একটি চিংড়ি ঘেরে হারীতে দিতে হয়েছে যা টাকা পাই তাতে কোন রকম পরিবার পরিজন নিয়ে চলতে হয়|কাশিমাড়ীর প্যানেল চেয়ারম্যান জানান,খালটি প্রভাবশালী মহল দখল করে নোনা পানি তুলে মাছ চাষ করছে তারা জাল কাগজপত্র তৈরী করেছে এবং আদালতে একটি মামলা ও করেছে যে কারনে উন্নমুক্ত সম্ভব হচ্ছে না | তিনি খালটি উন্মুক্ত করে খননের দাবী জানান। এ ব্যাপারে শ্যামনগরের সহকারী কমিশনার রাশেদ হোসাইন বলেন,শুনেছি খালটির উপর একটি মামলা রয়েছে যে কারনে উন্মুক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না।

জনপ্রিয় সংবাদ
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা

গোপালগঞ্জের মাদরাসা থেকে দুই শিক্ষার্থী নিখোঁজ, খোঁজ মিলছে না

শ্যামনগর কাশিমাড়ীর ১০ হাজার বিঘা জমিতে ধান চাষ ব্যাহত: এলাকায় নেমে এসেছে দুর্ভিক্ষ

আপডেট সময় ০২:৪০:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬
৫০

শ্যামনগর উপজেলার কাশিমাড়ীর প্রান খ্যাত মহিষের খালটি প্রভাব শালীরা দখলে রেখে নোনা পানি তুলে মাছ চাষ করায় ১০ হাজার বিঘা জমির ধান চাষ ব্যহত হচ্ছে। উপজেলার কাশিমাড়ী ও আটুলিয়া ইউনিয়নের মধ্যবর্তী খালটি প্রভাব শালীরা অবৈধ ভাবে দখলে রেখে মাছ চাষ করায় ১০ হাজার বিঘা জমিতে ধান চাষ না করতে পেরে খেয়ে না খেয়ে জীবন অবিবাহিত হচ্ছে প্রান্তিক কৃষকদের।

এলাকার মৎস্যজীবি পরিবার গুলো মাছ ধরে জীবন অতিবাহিত না করতে পেরে জীবিকার তাগিদে অন্যত্র পাড়ী জমাচ্ছে। মহিষের খালটি দখলে রেখে শ্রেণি পরিবর্তন করে নোনা পানি তুলে ডুবিয়ে দিচ্ছে এলাকার কৃষক ম্রেণির মানুষের ধানের চাষের জমি গাছ গাছালী। খালটি উনমুক্ত থাকলে এলাকার ২লক্ষাধিক মানুষ বছরে ৩বার ফসল নিতে পারে অথচ প্রভাবশালী ভূমিদস্যুরা দখলে রেখে নোনা পানি তুলে মাছ চাষ করায় এলাকায় নেমে এসেছে চরম দূর্ভোগ।খালটি প্রভাবশালীদের দখলের কারনে অন্তত ২০গ্রামের পানি নিস্কাশন ব্যহত হচ্ছে।খালটি উন্মুক্ত করে খননের জন্য এলাকাবাসী বার বার প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে আবেদন দিয়েছেন। বিভিন্ন মহল বার বার মানববন্ধন ও করেছেন। এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানাযায় কিছু ব্যক্তি খালটি দখল করে রাখার জন্য জাল কাগজপত্র তৈরী করে আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন| যে কারনে প্রশাসন উন্মুক্তর জন্য তেমন উদ্যোগ দিচ্ছেন না। প্রশাসন চাইলেও অর্থের বিনিময়ে থামিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

জয়নগর গ্রামের প্রান্তিক কৃষক মোকসেদ জানান,আমার ২বিঘা জমি রয়েছে যাতে ধান করে আমি পরিবার পরিজনের মুখে খাবার তুলে দেই কিন্ত খালটি দখলে রেখে প্রভাবশারী মহল নোনা পানি তোলায় চিংড়ি ঘেরে হারিতে দিতে হয়েছে যা হারির টাকা পাই তাতে বছরের ২/৩ মাসের খাবার জোগাড় হয় বাকী দিনগুলি অনাহারে অর্ধাহারে অতিবাহিত হয়।

ঝাপালী গ্রামের মজিদ জানান, আমার খালের পাশে ৩ বিঘা জমি রয়েছে তাতে ৩বার ফসল করা সম্ভব কিন্ত প্রভাবশালী ভুমিদস্যুরা মহিষের খালটি দখলে রেখে নোনা পানি তোলায় একটি চিংড়ি ঘেরে হারীতে দিতে হয়েছে যা টাকা পাই তাতে কোন রকম পরিবার পরিজন নিয়ে চলতে হয়|কাশিমাড়ীর প্যানেল চেয়ারম্যান জানান,খালটি প্রভাবশালী মহল দখল করে নোনা পানি তুলে মাছ চাষ করছে তারা জাল কাগজপত্র তৈরী করেছে এবং আদালতে একটি মামলা ও করেছে যে কারনে উন্নমুক্ত সম্ভব হচ্ছে না | তিনি খালটি উন্মুক্ত করে খননের দাবী জানান। এ ব্যাপারে শ্যামনগরের সহকারী কমিশনার রাশেদ হোসাইন বলেন,শুনেছি খালটির উপর একটি মামলা রয়েছে যে কারনে উন্মুক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না।