ঠাকূরগাঁওয়ে বৈধ চালান ছাড়া ট্রাকে করে পরিবহনের সময় ৩৮০ বস্তা ডিএপি সার জব্দ করেছে জেলা প্রশাসন। এ ঘটনায় সার ব্যবস্থাপনা আইন অনুযায়ী ট্রাকের চালক ও হেলপারকে মোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জব্দ করা সার সরকারের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। পরে সরকারী নির্ধারিত মূল্যে কৃষকদের কাছে বিক্রি করে সেই অর্থ সরকারী কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।
রবিবার ঠাকূরগাঁও-দিনাজপূর মহাসড়কের সদর উপজেলার ২৪ টিউবওয়েল এলাকার জসীমের ভাতের হোটেলের সামনে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে সারভর্তি ট্রাকটি আটক করা হয়। পরে সারসহ ট্রাকটি সদর উপজেলা পরিষদ চত্বরে নিয়ে আসা হয়।
প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ভাউলার হাট থেকে দিনাজপূরের উদ্দেশ্যে একটি ট্রাকে ৩৮০ বস্তা ডিএপি সার পরিবহন করা হচ্ছিল। অভিযানের সময় ট্রাকচালক সার পরিবহনের বৈধ চালান বা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হন। এ কারণে সার ব্যবস্থাপনা আইন অনুযায়ী ট্রাক চালক বাবু ও হেলপার সুমনকে মোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা আদায়ের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হলেও ট্রাকে থাকা সব সার সরকারের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করা হয়। জব্দ করা ৩৮০ বস্তা সারের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৪ লাখ টাকা।
আটক ট্রাকের চালক বাবু ও হেলপার সুমনের বাড়ী কুষ্টিয়া জেলার মাল্লাতেঘরিয়া এলাকায় বলে জানা গেছে।
সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আশাদুল হক জানান, বৈধ চালান ছাড়া সার পরিবহন করায় ৩৮০ বস্তা ডিএপি সার বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। সার ব্যবস্থাপনা আইন অনুযায়ী চালক ও হেলপারকে জরিমানা করা হয়েছে। বাজেয়াপ্ত সার সরকারী নির্ধারিত মূল্যে কৃষকদের কাছে বিক্রি করা হবে এবং বিক্রির অর্থ সরকারী কোষাগারে জমা দেওয়া হবে।
অভিযান চলাকালে সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. খাইরুল ইসলাম,, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আশাদুল হক, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নাসিরুল ইসলাম, সদর থানা পুলিশের ফোর্স প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, কৃষকদের জন্য বরাদ্দকৃত সার অবৈধভাবে পরিবহন, মজুত ও কালোবাজারি রোধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

























