, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পিরোজপুরে মানব পা/চার মামলায় পাঁচ জনের দশ বছর করে কা/রা/দ/ণ্ড গোপালগঞ্জে ৩ কেজি গাঁ/জা/সহ চারজন আটক বকশীগঞ্জে কৃষককে হ/ত্যা/র চেষ্টা ও জমি দখলের প্রতিবাদে দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে জিআইজেড প্রতিনিধিদের সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সিরাজগঞ্জে সুজন হত্যা মামলায় দুইজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড মাগুরা শ্রীপুর দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৫: বাড়িঘরে ভাঙচুর ও লুটপাট মাগুরা শ্রীপুরে প্রবাসীর বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট, নিরাপত্তাহীনতায় বৃদ্ধ মা- বাবা টেপামধুপুর ইউনিয়নে কমিউনিটি ঝুঁকি মূল্যায়ন চিলমারীতে ৬৮ পিচ ইয়াবাসহ যুবক আটক কাউনিয়ায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬-এর সমাপনী অনুষ্ঠান

কাউনিয়ায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ১৪ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, তদন্তের দাবি

কাউনিয়ায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ১৪ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, তদন্তের দাবি

৩৪

রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার বাংলাবাজার উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিনহাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়ন খাতে জমা দেওয়ার কথা থাকা প্রায় ১৪ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি বিদ্যালয়ের অফিস সহায়ক, আয়া ও পরিচ্ছন্নতা কর্মী পদে নিয়োগের সময় অবকাঠামো উন্নয়নমূলক কাজের জন্য ২০২৪ সালের ২৩ নভেম্বর প্রায় ১৪ লাখ টাকা সংগ্রহ করা হয়। তৎকালীন বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ওই অর্থ বিদ্যালয়ের সরকারি ব্যাংক হিসাবে জমা রাখার দায়িত্ব প্রধান শিক্ষক মিনহাজুল ইসলামের ওপর অর্পণ করা হয়।

লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ের সরকারি ব্যাংক হিসাবে অর্থ জমা না দিয়ে তা ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাবে জমা রাখেন। পরবর্তীতে বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়ন কাজে অর্থ ব্যয় না করে আত্মসাতের চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। এর ফলে বিদ্যালয়ের প্রয়োজনীয় উন্নয়ন কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে স্থবির হয়ে রয়েছে বলেও অভিযোগকারীরা দাবি করেন।

অভিযোগকারী জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, “শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অর্থ ব্যক্তিগত হিসাবে রাখা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। বিষয়টির নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।”

এ ঘটনায় এলাকাবাসীর পক্ষে জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে জেলা প্রশাসক, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, কাউনিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবং হারাগাছ মেট্রো থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে ঘটনার সত্যতা যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিনহাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, “এই বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা আমার বাবা। আমি প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।”

এ বিষয়ে কাউনিয়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবু তাহের বলেন, “লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

জনপ্রিয় সংবাদ
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা

পিরোজপুরে মানব পা/চার মামলায় পাঁচ জনের দশ বছর করে কা/রা/দ/ণ্ড

কাউনিয়ায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ১৪ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, তদন্তের দাবি

আপডেট সময় ০৯:৩৯:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
৩৪

রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার বাংলাবাজার উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিনহাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়ন খাতে জমা দেওয়ার কথা থাকা প্রায় ১৪ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি বিদ্যালয়ের অফিস সহায়ক, আয়া ও পরিচ্ছন্নতা কর্মী পদে নিয়োগের সময় অবকাঠামো উন্নয়নমূলক কাজের জন্য ২০২৪ সালের ২৩ নভেম্বর প্রায় ১৪ লাখ টাকা সংগ্রহ করা হয়। তৎকালীন বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ওই অর্থ বিদ্যালয়ের সরকারি ব্যাংক হিসাবে জমা রাখার দায়িত্ব প্রধান শিক্ষক মিনহাজুল ইসলামের ওপর অর্পণ করা হয়।

লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ের সরকারি ব্যাংক হিসাবে অর্থ জমা না দিয়ে তা ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাবে জমা রাখেন। পরবর্তীতে বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়ন কাজে অর্থ ব্যয় না করে আত্মসাতের চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। এর ফলে বিদ্যালয়ের প্রয়োজনীয় উন্নয়ন কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে স্থবির হয়ে রয়েছে বলেও অভিযোগকারীরা দাবি করেন।

অভিযোগকারী জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, “শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অর্থ ব্যক্তিগত হিসাবে রাখা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। বিষয়টির নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।”

এ ঘটনায় এলাকাবাসীর পক্ষে জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে জেলা প্রশাসক, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, কাউনিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবং হারাগাছ মেট্রো থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে ঘটনার সত্যতা যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিনহাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, “এই বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা আমার বাবা। আমি প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।”

এ বিষয়ে কাউনিয়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবু তাহের বলেন, “লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”