, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
কালাই অটিস্টিক ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় পরিদর্শনে ইউএনও শামীম আরা ঠাকুরগাঁওয়ের নিখোঁজ চার স্কুলছাত্রী সিলেটে থেকে উদ্ধার জামালপুরে স্বাক্ষী দিতে না আসায় নারী চিকিৎসককে কারাদণ্ড প্রদান দীঘিনালায় ব্রিজ না থাকায় শতাধিক শিক্ষার্থীর পারাপারের ভোগান্তি বেনাপোল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পরিত্যক্ত ভবনে ক্লাস করছে শিক্ষার্থীরা রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের ৩৪ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শুভ উদ্বোধন রুয়েটে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন রাসিক প্রশাসক দিনাজপুরে ৪ হাজার ২৫০ প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বীজ, সার ও গাছের চারা বিতরণ আওয়ামী লীগ নৈরাজ্যের প্রতিবাদে সিরাজগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল নাগরপুরে পাট ক্ষেত থেকে অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার, তদন্তে পুলিশ

ভয় ভেঙে ভোটের পথে, নাকি নীল নকশার ফাঁদে গণতন্ত্র

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৫:৫৮:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৬৫ বার পড়া হয়েছে
৫০

দেড় দশকের বেশি সময় ধরে ফ্যাসিবাদী শাসনে দেশের রাজনৈতিক পরিবেশ ছিল ভয় ও নীরবতায় আচ্ছন্ন। মৌলিক অধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সংকুচিত হয়। ভিন্নমত দমন করা হয় আইন ও প্রশাসনের মাধ্যমে। ভোটাধিকার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। নির্বাচন অর্থহীন আনুষ্ঠানিকতায় পরিণত হয়। ফলাফল পূর্বনির্ধারিত মনে হওয়ায় মানুষ ভোটে আগ্রহ হারায়। বিরোধী রাজনীতি ও গণমাধ্যম চাপে থাকে। এর ফলে দেশজুড়ে ভীতিকর নীরবতা ও হতাশা ছড়িয়ে পড়ে।

এই অন্ধকার সময়ের মধ্যেই আসে ৫ আগস্ট। দিনটি অনেকের কাছে নতুন আশার প্রতীক হয়ে ওঠে। ফ্যাসিবাদী শাসন ব্যবস্থার অবসরের খবর মানুষের মনে স্বস্তি আনে। রাজপথে মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। দীর্ঘদিন পর মানুষ প্রকাশ্যে কথা বলার সাহস পায়। আনন্দ ছিল। উত্তেজনা ছিল। সবচেয়ে বড় কথা ছিল প্রত্যাশা।

মানুষ ভাবতে শুরু করেছিল নতুন একটি রাজনৈতিক সংস্কৃতির কথা। তারা চেয়েছিল আইনের শাসন। তারা চেয়েছিল সম্মানজনক জীবন। তারা চেয়েছিল এমন একটি রাষ্ট্র যেখানে ভয় ছাড়া কথা বলা যাবে। যেখানে মতভিন্নতা অপরাধ হবে না। যেখানে ভোটের মূল্য থাকবে।

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

কালাই অটিস্টিক ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় পরিদর্শনে ইউএনও শামীম আরা

ভয় ভেঙে ভোটের পথে, নাকি নীল নকশার ফাঁদে গণতন্ত্র

আপডেট সময় ০৫:৫৮:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
৫০

দেড় দশকের বেশি সময় ধরে ফ্যাসিবাদী শাসনে দেশের রাজনৈতিক পরিবেশ ছিল ভয় ও নীরবতায় আচ্ছন্ন। মৌলিক অধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সংকুচিত হয়। ভিন্নমত দমন করা হয় আইন ও প্রশাসনের মাধ্যমে। ভোটাধিকার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। নির্বাচন অর্থহীন আনুষ্ঠানিকতায় পরিণত হয়। ফলাফল পূর্বনির্ধারিত মনে হওয়ায় মানুষ ভোটে আগ্রহ হারায়। বিরোধী রাজনীতি ও গণমাধ্যম চাপে থাকে। এর ফলে দেশজুড়ে ভীতিকর নীরবতা ও হতাশা ছড়িয়ে পড়ে।

এই অন্ধকার সময়ের মধ্যেই আসে ৫ আগস্ট। দিনটি অনেকের কাছে নতুন আশার প্রতীক হয়ে ওঠে। ফ্যাসিবাদী শাসন ব্যবস্থার অবসরের খবর মানুষের মনে স্বস্তি আনে। রাজপথে মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। দীর্ঘদিন পর মানুষ প্রকাশ্যে কথা বলার সাহস পায়। আনন্দ ছিল। উত্তেজনা ছিল। সবচেয়ে বড় কথা ছিল প্রত্যাশা।

মানুষ ভাবতে শুরু করেছিল নতুন একটি রাজনৈতিক সংস্কৃতির কথা। তারা চেয়েছিল আইনের শাসন। তারা চেয়েছিল সম্মানজনক জীবন। তারা চেয়েছিল এমন একটি রাষ্ট্র যেখানে ভয় ছাড়া কথা বলা যাবে। যেখানে মতভিন্নতা অপরাধ হবে না। যেখানে ভোটের মূল্য থাকবে।