ঢাকা , বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
কালাই অটিস্টিক ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় পরিদর্শনে ইউএনও শামীম আরা ঠাকুরগাঁওয়ের নিখোঁজ চার স্কুলছাত্রী সিলেটে থেকে উদ্ধার জামালপুরে স্বাক্ষী দিতে না আসায় নারী চিকিৎসককে কারাদণ্ড প্রদান দীঘিনালায় ব্রিজ না থাকায় শতাধিক শিক্ষার্থীর পারাপারের ভোগান্তি বেনাপোল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পরিত্যক্ত ভবনে ক্লাস করছে শিক্ষার্থীরা রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের ৩৪ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শুভ উদ্বোধন রুয়েটে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন রাসিক প্রশাসক দিনাজপুরে ৪ হাজার ২৫০ প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বীজ, সার ও গাছের চারা বিতরণ আওয়ামী লীগ নৈরাজ্যের প্রতিবাদে সিরাজগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল নাগরপুরে পাট ক্ষেত থেকে অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার, তদন্তে পুলিশ

ফেব্রুয়ারি, যেন ‘ব্র্যাকেটবন্দি’ এক মাসের নাম

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৫:৫৪:০৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫৮ বার পড়া হয়েছে
৫৫

‘এসেছে ভাষার মাস/বক্তৃতাতে হবে চাষ/অন্য মাসে ভাষা নেই!/ভাষা কেবল ফাল্গুনেই।’—এগুলো কল্পিত কবির কবিতার চরণ। প্রতিবছর ফেব্রুয়ারি মাস এলেই ভাষা নিয়ে যে অনুষ্ঠান সর্বস্ব আয়োজন সম্পন্ন হয়, উদ্ধৃত চরণগুলো যেন তারই ইঙ্গিতবহ। কয়েকটি মাস এবং কিছু তারিখ আছে, যেগুলো উচ্চারণের সাথে সাথেই উদ্ভাসিত হয় বাঙালির বিসর্জন ও অর্জনের ইতিহাস।

ফেব্রুয়ারি এবং একুশ তেমনই এক ইতিহাসের স্মারক। আত্মত্যাগ ও অর্জনের তাৎপর্য উপলব্ধি করতে নানা আয়োজন যেমন প্রয়োজন, তেমনি আনুষ্ঠানিকতাও থাকা দরকার। কিন্তু ভাষা আন্দোলনের মতো মৌলিক ঘটনাকে কেবলই অনুষ্ঠান সর্বস্ব করে তোলা যেন বাঙালির বহু ‘আত্মঘাতী প্রবণতারই’ অন্যতম হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়ে যাচ্ছে। এই প্রবণতা বহু বছর ধরেই চলমান।

সাতচল্লিশে ভারতবর্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানের ‘স্বপ্নরাষ্ট্র’ পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার অব্যবহিত পরই কেন বাঙালির ভাষাকে কেন্দ্র করে অমন প্রগতিশীল একটি আন্দোলন করতে হয়েছিল? সেই ইতিহাস খুঁজতে গেলে আমরা দেখি, সবার রাষ্ট্র পাকিস্তান সবার অধিকার তো দূরের কথা, সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষকেই অধিকার-বঞ্চিত করতে তৎপর হয়ে উঠেছে। ১৯৪৮ সালে শুরু হয়ে বিভিন্ন পর্যায় শেষে ১৯৫২ সালে রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের চূড়ান্ত পরিণতি ঘটে।

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

কালাই অটিস্টিক ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় পরিদর্শনে ইউএনও শামীম আরা

ফেব্রুয়ারি, যেন ‘ব্র্যাকেটবন্দি’ এক মাসের নাম

আপডেট সময় ০৫:৫৪:০৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
৫৫

‘এসেছে ভাষার মাস/বক্তৃতাতে হবে চাষ/অন্য মাসে ভাষা নেই!/ভাষা কেবল ফাল্গুনেই।’—এগুলো কল্পিত কবির কবিতার চরণ। প্রতিবছর ফেব্রুয়ারি মাস এলেই ভাষা নিয়ে যে অনুষ্ঠান সর্বস্ব আয়োজন সম্পন্ন হয়, উদ্ধৃত চরণগুলো যেন তারই ইঙ্গিতবহ। কয়েকটি মাস এবং কিছু তারিখ আছে, যেগুলো উচ্চারণের সাথে সাথেই উদ্ভাসিত হয় বাঙালির বিসর্জন ও অর্জনের ইতিহাস।

ফেব্রুয়ারি এবং একুশ তেমনই এক ইতিহাসের স্মারক। আত্মত্যাগ ও অর্জনের তাৎপর্য উপলব্ধি করতে নানা আয়োজন যেমন প্রয়োজন, তেমনি আনুষ্ঠানিকতাও থাকা দরকার। কিন্তু ভাষা আন্দোলনের মতো মৌলিক ঘটনাকে কেবলই অনুষ্ঠান সর্বস্ব করে তোলা যেন বাঙালির বহু ‘আত্মঘাতী প্রবণতারই’ অন্যতম হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়ে যাচ্ছে। এই প্রবণতা বহু বছর ধরেই চলমান।

সাতচল্লিশে ভারতবর্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানের ‘স্বপ্নরাষ্ট্র’ পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার অব্যবহিত পরই কেন বাঙালির ভাষাকে কেন্দ্র করে অমন প্রগতিশীল একটি আন্দোলন করতে হয়েছিল? সেই ইতিহাস খুঁজতে গেলে আমরা দেখি, সবার রাষ্ট্র পাকিস্তান সবার অধিকার তো দূরের কথা, সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষকেই অধিকার-বঞ্চিত করতে তৎপর হয়ে উঠেছে। ১৯৪৮ সালে শুরু হয়ে বিভিন্ন পর্যায় শেষে ১৯৫২ সালে রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের চূড়ান্ত পরিণতি ঘটে।