, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
কালাই অটিস্টিক ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় পরিদর্শনে ইউএনও শামীম আরা ঠাকুরগাঁওয়ের নিখোঁজ চার স্কুলছাত্রী সিলেটে থেকে উদ্ধার জামালপুরে স্বাক্ষী দিতে না আসায় নারী চিকিৎসককে কারাদণ্ড প্রদান দীঘিনালায় ব্রিজ না থাকায় শতাধিক শিক্ষার্থীর পারাপারের ভোগান্তি বেনাপোল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পরিত্যক্ত ভবনে ক্লাস করছে শিক্ষার্থীরা রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের ৩৪ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শুভ উদ্বোধন রুয়েটে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন রাসিক প্রশাসক দিনাজপুরে ৪ হাজার ২৫০ প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বীজ, সার ও গাছের চারা বিতরণ আওয়ামী লীগ নৈরাজ্যের প্রতিবাদে সিরাজগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল নাগরপুরে পাট ক্ষেত থেকে অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার, তদন্তে পুলিশ

সশস্ত্র বাহিনীর ক্রমবিকাশমান ভূমিকা—একটি রাজনৈতিক সমাজতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৫:৫৯:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৬৮ বার পড়া হয়েছে
৫৩

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস, রাষ্ট্র গঠন এবং গণতন্ত্রের বিবর্তনে সশস্ত্রবাহিনীর একটি অনন্য এবং গভীর তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। ১৯৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধের মধ্য দিয়ে জন্ম নেওয়া সশস্ত্র বাহিনী সশস্ত্র যুদ্ধের অগ্রদূত, জাতীয় প্রতিরোধের প্রতীক, জাতি গঠন, শাসক, সার্বভৌমত্বের অভিভাবক, উন্নয়ন সহযোগী এবং কখনও কখনও রাজনৈতিক সংকটে মধ্যস্থতাকারীসহ বহুমুখী ভূমিকা রেখেছে।

১৯৭১ সালে সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা একটি শক্তিশালী মিথ প্রতিষ্ঠা করে : তারা কেবল রাষ্ট্রের রক্ষক ছিল না বরং জাতির সার্বভৌমত্ব এবং পরিচয়ের সঙ্গে অন্তর্নিহিতভাবে যুক্ত ছিল। এই উত্তরাধিকার তাদের ওপর বিশাল নৈতিক কর্তৃত্ব এবং জাতির ভবিষ্যত পথচলায় একটি অনুভূত অংশীদারিত্ব অর্পণ করেছিল।

সরাসরি স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়ে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর অভ্যুদয়। ১৯৭১ এর ২৫ মার্চের কাল রাত্রিতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী “অপারেশন সার্চলাইট” এর নামে বাঙালি নিধন শুরু করে। তদানীন্তন পাকিস্তান সশস্ত্র বাহিনী, ইষ্ট পাকিস্তান রাইফেলস, পুলিশ এবং আধা সামরিক বাহিনীগুলোর বাঙালি ও অন্যান্য জনগোষ্ঠীর সদস্যরা এবং সাধারণ জনগণ সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তুলে। বাঙালি সামরিক কর্মকর্তাদের বিশেষ করে মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়ক কর্নেল এম এ জি ওসমানী, মেজর জিয়াউর রহমান প্রমুখের প্রত্যক্ষ ভূমিকায় অভিযান সমন্বয়, গেরিলাদের প্রশিক্ষণ এবং প্রচলিত ও অনিয়মিত যুদ্ধ সুসংহত হয়।

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

কালাই অটিস্টিক ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় পরিদর্শনে ইউএনও শামীম আরা

সশস্ত্র বাহিনীর ক্রমবিকাশমান ভূমিকা—একটি রাজনৈতিক সমাজতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ

আপডেট সময় ০৫:৫৯:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
৫৩

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস, রাষ্ট্র গঠন এবং গণতন্ত্রের বিবর্তনে সশস্ত্রবাহিনীর একটি অনন্য এবং গভীর তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। ১৯৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধের মধ্য দিয়ে জন্ম নেওয়া সশস্ত্র বাহিনী সশস্ত্র যুদ্ধের অগ্রদূত, জাতীয় প্রতিরোধের প্রতীক, জাতি গঠন, শাসক, সার্বভৌমত্বের অভিভাবক, উন্নয়ন সহযোগী এবং কখনও কখনও রাজনৈতিক সংকটে মধ্যস্থতাকারীসহ বহুমুখী ভূমিকা রেখেছে।

১৯৭১ সালে সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা একটি শক্তিশালী মিথ প্রতিষ্ঠা করে : তারা কেবল রাষ্ট্রের রক্ষক ছিল না বরং জাতির সার্বভৌমত্ব এবং পরিচয়ের সঙ্গে অন্তর্নিহিতভাবে যুক্ত ছিল। এই উত্তরাধিকার তাদের ওপর বিশাল নৈতিক কর্তৃত্ব এবং জাতির ভবিষ্যত পথচলায় একটি অনুভূত অংশীদারিত্ব অর্পণ করেছিল।

সরাসরি স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়ে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর অভ্যুদয়। ১৯৭১ এর ২৫ মার্চের কাল রাত্রিতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী “অপারেশন সার্চলাইট” এর নামে বাঙালি নিধন শুরু করে। তদানীন্তন পাকিস্তান সশস্ত্র বাহিনী, ইষ্ট পাকিস্তান রাইফেলস, পুলিশ এবং আধা সামরিক বাহিনীগুলোর বাঙালি ও অন্যান্য জনগোষ্ঠীর সদস্যরা এবং সাধারণ জনগণ সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তুলে। বাঙালি সামরিক কর্মকর্তাদের বিশেষ করে মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়ক কর্নেল এম এ জি ওসমানী, মেজর জিয়াউর রহমান প্রমুখের প্রত্যক্ষ ভূমিকায় অভিযান সমন্বয়, গেরিলাদের প্রশিক্ষণ এবং প্রচলিত ও অনিয়মিত যুদ্ধ সুসংহত হয়।