, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
তারুণ্যের স্বপ্ন, তারুণ্যের ইশতেহার’ বাস্তবায়নের অঙ্গীকার টেকনাফে হোয়াইক্যং সীমান্তে বিজিবির অভিযান, ৪ হাজার ইয়াবাসহ আটক ১ কবিতা, গান ও নৃত্যে নজরুল বন্দনা, বদলগাছীতে পুরস্কৃত শিক্ষার্থীরা। ফুলবাড়ীতে শিক্ষকের বেতের আঘাতে অসুস্থ হয়ে শিক্ষার্থী হাসপাতালে ভর্তি। চিলমারীতে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ ভাঙ্গুড়া প্রেসক্লাবের নির্বাচন ২২ অক্টোবর ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ছয় প্রার্থীর মনোয়ন বৈধ ঘোষণা। ইঞ্জিন বিকল হয়ে গভীর সমুদ্রে ভাসছিল ফিশিং বোট, উদ্ধার ১৩ জেলে মুক্তিপণের দাবিতে অপহরণ, উখিয়ায় কিশোর উদ্ধার উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘোরাফেরা, রোহিঙ্গা নারীকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে দিল পুলিশ

ঠাকূরগাঁওয়ে ১৩৯ নারী উপকারভোগীর ইউপিজি গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন

১১১

ঠাকূরগাঁও সদর উপজেলার ৮ নম্বর রহিমানপূর ইউনিয়নের পটুয়া ফেডারেশনে অতি-দরিদ্র পরিবারের জীবনমান উন্নয়ন ও তাদের টেকসইভাবে স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে পরিচালিত আল্ট্রা-পুওর গ্র্যাজুয়েশন (ইউপিজি) কর্মসূচীর আওতায় গ্র্যাজুয়েশন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার ১১ আগস্ট ১৩৯ জন নারী উপকারভোগীকে নিয়ে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ঠাকূরগাঁও এডিপি, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি প্রাণিসম্পদ উপজেলা কর্মকর্তা ডা. মো. সাইদুর রহমান, ৮ নং রহিমানপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান করেণ মো. আব্দুল হান্নান হান্নু।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ডমিনিক বিবেরু, প্রোগ্রাম অফিসার, ঠাকুরগাঁও এডিপি, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ। এ সময় স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. রফিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

ইউপিজি কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো অতি-দরিদ্র পরিবারগুলোকে শুধু সাময়িক সহায়তা প্রদান নয়, বরং তাদের আয়, সম্পদ ও সঞ্চয় বৃদ্ধির মাধ্যমে দারিদ্র্যের চক্র থেকে বের করে এনে টেকসইভাবে স্বাবলম্বী করে তোলা।

কর্মসূচিী আওতায় উপকারভোগীদের সামাজিক সুরক্ষা, জীবিকায়ন উন্নয়ন, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ও সামাজিক ক্ষমতায়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। এর মাধ্যমে পরিবারগুলোর খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করা, আয়বর্ধক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা, সম্পদ ও সঞ্চয় বৃদ্ধি এবং প্রয়োজনীয় আর্থিক ও সামাজিক সেবার সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিশেষ করে নারী উপকারভোগীদের দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি, পরিবারের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ এবং পারিবারিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাদের ভূমিকা বাড়ানোর বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শিশুদের শিক্ষা নিশ্চিত করা এবং পরিবারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা গ্রহণে সক্ষমতা তৈরীর উদ্যোগ নেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, অতি-দরিদ্র পরিবারকে স্থায়ীভাবে দারিদ্র্য থেকে বের করে আনতে শুধু আর্থিক সহায়তা যথেষ্ট নয়। তাদের নিজেদের আয়, সম্পদ ও সঞ্চয় গড়ে তোলার সক্ষমতা তৈরী করতে হবে। ইউপিজি কর্মসূচী সেই লক্ষ্যেই পরিবার গুলোকে ধাপে ধাপে স্বাবলম্বী করে তুলতে কাজ করছে।

উপকারভোগীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ
অনুষ্ঠানের শেষপর্বে পরিবেশ সূরক্ষা ও সবুজায়নের বার্তা ছড়িয়ে দিতে ১৩৯ জন নারী উপকারভোগীর প্রত্যেকের মাঝে দুটি করে গাছের চারা বিতরণ করা হয়। এতে মোট ২৭৮টি গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে।

আয়োজকরা জানান, উপকারভোগীদের বাড়ীর আঙ্গীনায় ও আশপাশের এলাকায় এসব চারা রোপণের মাধ্যমে একদিকে যেমন পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা হবে, অন্যদিকে ভবিষ্যতে ফলদ ও কাঠজাতীয় গাছের মাধ্যমে পরিবারগুলো উপকৃত হতে পারে।

১৩৯ জন নারী উপকারভোগীর গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন হওয়াকে দারিদ্র্য বিমোচন, নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন ও পরিবেশ সুরক্ষার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

জনপ্রিয় সংবাদ
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা

তারুণ্যের স্বপ্ন, তারুণ্যের ইশতেহার’ বাস্তবায়নের অঙ্গীকার টেকনাফে

ঠাকূরগাঁওয়ে ১৩৯ নারী উপকারভোগীর ইউপিজি গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন

আপডেট সময় ১১:০১:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬
১১১

ঠাকূরগাঁও সদর উপজেলার ৮ নম্বর রহিমানপূর ইউনিয়নের পটুয়া ফেডারেশনে অতি-দরিদ্র পরিবারের জীবনমান উন্নয়ন ও তাদের টেকসইভাবে স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে পরিচালিত আল্ট্রা-পুওর গ্র্যাজুয়েশন (ইউপিজি) কর্মসূচীর আওতায় গ্র্যাজুয়েশন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার ১১ আগস্ট ১৩৯ জন নারী উপকারভোগীকে নিয়ে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ঠাকূরগাঁও এডিপি, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি প্রাণিসম্পদ উপজেলা কর্মকর্তা ডা. মো. সাইদুর রহমান, ৮ নং রহিমানপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান করেণ মো. আব্দুল হান্নান হান্নু।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ডমিনিক বিবেরু, প্রোগ্রাম অফিসার, ঠাকুরগাঁও এডিপি, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ। এ সময় স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. রফিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

ইউপিজি কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো অতি-দরিদ্র পরিবারগুলোকে শুধু সাময়িক সহায়তা প্রদান নয়, বরং তাদের আয়, সম্পদ ও সঞ্চয় বৃদ্ধির মাধ্যমে দারিদ্র্যের চক্র থেকে বের করে এনে টেকসইভাবে স্বাবলম্বী করে তোলা।

কর্মসূচিী আওতায় উপকারভোগীদের সামাজিক সুরক্ষা, জীবিকায়ন উন্নয়ন, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ও সামাজিক ক্ষমতায়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। এর মাধ্যমে পরিবারগুলোর খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করা, আয়বর্ধক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা, সম্পদ ও সঞ্চয় বৃদ্ধি এবং প্রয়োজনীয় আর্থিক ও সামাজিক সেবার সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিশেষ করে নারী উপকারভোগীদের দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি, পরিবারের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ এবং পারিবারিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাদের ভূমিকা বাড়ানোর বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শিশুদের শিক্ষা নিশ্চিত করা এবং পরিবারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা গ্রহণে সক্ষমতা তৈরীর উদ্যোগ নেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, অতি-দরিদ্র পরিবারকে স্থায়ীভাবে দারিদ্র্য থেকে বের করে আনতে শুধু আর্থিক সহায়তা যথেষ্ট নয়। তাদের নিজেদের আয়, সম্পদ ও সঞ্চয় গড়ে তোলার সক্ষমতা তৈরী করতে হবে। ইউপিজি কর্মসূচী সেই লক্ষ্যেই পরিবার গুলোকে ধাপে ধাপে স্বাবলম্বী করে তুলতে কাজ করছে।

উপকারভোগীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ
অনুষ্ঠানের শেষপর্বে পরিবেশ সূরক্ষা ও সবুজায়নের বার্তা ছড়িয়ে দিতে ১৩৯ জন নারী উপকারভোগীর প্রত্যেকের মাঝে দুটি করে গাছের চারা বিতরণ করা হয়। এতে মোট ২৭৮টি গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে।

আয়োজকরা জানান, উপকারভোগীদের বাড়ীর আঙ্গীনায় ও আশপাশের এলাকায় এসব চারা রোপণের মাধ্যমে একদিকে যেমন পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা হবে, অন্যদিকে ভবিষ্যতে ফলদ ও কাঠজাতীয় গাছের মাধ্যমে পরিবারগুলো উপকৃত হতে পারে।

১৩৯ জন নারী উপকারভোগীর গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন হওয়াকে দারিদ্র্য বিমোচন, নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন ও পরিবেশ সুরক্ষার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।