কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার নয়ারহাট ইউনিয়নের গয়নার পটল মৌজায় জনৈক ইউসুফ আলী আদালতের নিদের্শ অমান্য করে
আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে গাছ ও কংক্রিটের সিঁড়ি উপড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে।
জানা গেছে মোকছুদ আলী বাবুর পৈতৃক জমি সি.এস- খতিয়ান ২৩/২ দাগ নং- ৬২৬,৬৩০,৬৩১, এস.এ-খতিয়ান-০১, দাগ নং- ৬২৬,১৪৪,৬৩০,২৯৯, আর.এস- খতিয়ান- ১৪৫, দাগ নং- ১২৫৪/১২৬৩ (বাটা), জমির পরিমান- ৯ একর।গত ০৮/০৯/২০২৬ইং তারিখে কুড়িগ্রাম সহকারী জজ আদালতে ১২৮/২৬ মোকদ্দমায় অন্তবর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা রায় পেলেও আজিজুল হক এর পুত্র ইউসুফ আলী গং উক্ত জমিতে রোপনকৃত ২৫০টি ইউক্লিপটাস গাছ, ৫০টি সুপারীর গাছ ও সীমানা পিলার সহ ঘর নির্মানের জন্য কংক্রিটের খুঁটি উপড়ে ফেলে দেয়। এ ব্যাপারে গত ২০/০৯/২৬ ঢুষমারা থানায় জিডির আবেদন করেলেও অজ্ঞাত কারণে জিডি না করে তালবাহান করছেন বলে জানা গেছে। ইউসুফ আলী গং এর পৈতৃক জমি সি.এস খতিয়ান নং- ২৩/২, দাগ নং- ৫৮২ , জমির পরিমান ১০ একরের মধ্যে ০৯ একর । এস.এ খতিয়ান- ০১ দাগ নং- ৬০১ , জমির পরিমান ১৬২.২৮ শতাংশের মধ্যে ০৯ একর । আরএস- ১২৫৪/১২৬৭ দাগের খতিয়ান নং- ২০ আমিনুদ্দৌলার নামে রেকড ভুক্ত হয়। খতিয়ান নং ু ১০৯ , দাগ নং- ১২৫৪ (বাটা) , ১২৫৮ নুরুল ইসলামের নামে রেকড ভুক্ত হয়। উক্ত জমির খতিয়ান নং, দাগ নং ও জমির পরিমানের সাথে মোকছুদ আলী বাবুর পৈতৃক জমির কোন মিল নাই । ইতোপূর্বে ব্রক্ষ্মপুত্র নদের ভাঙ্গনে জমি গুলো নদিতে ভেঙ্গে গিয়ে চরে পরিণত হলে মোকছুদ আলী বাবুর পৈতৃক জমিগুলো ইউসুফ আলী গং জোড়পূর্বক ভোগ দখল করার উদ্দ্যেশে সঠিক খতিয়ান ও দাং নম্বর চিহৃত না করে ভুল দাং, খতিয়ানের মাধ্যমে জমি গুলো জবর দখলের চেষ্ট চালাচ্ছেন। এ ব্যপারে ইউসুফ আলীর সাথে কথা হলে তিনি এ প্রতিনিধিকে জানান জমি গুলো অনেক আগে থেকেই আমরা ভোগ দখল করে আসছি। গত এক বছর ধরে মোকছুদ আলী বাবু মামলা মোকাদ্দমা করে জমি গুলো তাদের অধীনে নেয়ার চেষ্টা চালান। এ ব্যাপারে মোকছুদ আলী বাবু জানান, জমির সঠিক কাগজ পত্র নিয়ে আদালতে মামলা করা হয়েছে ও আদালত আমাদের পক্ষে রায় দিয়েছেন।
আনোয়ারুল ইসলাম
চিলমারী প্রতিনিধি,কুড়িগ্রাম।
তাং- ২৭/০৯/২০২৬ইং
মোবা: ০১৭১৬০২৯৯৯৫






























