, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
হিমছড়ি ঢালায় ডাকাতির ঘটনায় তদন্তে অগ্রগতি, গ্রেপ্তার এক শিবচরে এক বছরে ২,৪৩১ বিয়ে, বিচ্ছেদ ১,২৩৭! কেন ভাঙছে এত সংসার? এসআরবি-১৫-এর অভিযানে সাতকানিয়ায় ৯ মামলার আসামি গ্রেপ্তার লালপুরে ভুল স্বীকার করে বিএনপিতে ফিরতে চান যুবদল ও ছাত্রদলের নেতারা কাউনিয়ায় হত্যা মামলায় ইউপি সদস্যকে আসামি করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন চৌদ্দগ্রামে মাদক, চুরি ও ডাকাতির বিরুদ্ধে আলোচনা সভা উখিয়ায় ইয়াবাসহ যুবক আটক, উদ্ধার দুটি দা শাহজাদপুরে মরহুম আবু তালেব মাস্টারের স্মরণে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত কাউনিয়ায় তকিপল বাজার যুব সংঘের আহ্বায়ক কমিটি গঠন চৌদ্দগ্রাম কনকাপৈতে তাফসিরুল কোরআন মাহফিল অনুষ্ঠিত

ভাঙ্গুড়ার বড়বিশাকোলে নৌকা বাইচ, লড়াই শেষে প্রথম আব্দুল মতিন গ্রুপ

ভাঙ্গুড়ার বড়বিশাকোলে নৌকা বাইচ, লড়াই শেষে প্রথম আব্দুল মতিন গ্রুপ

১০৮

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে নৌকা বাইচ ফাইনাল প্রতিযোগিতা-২০২৬। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টায় উপজেলার অষ্টমনিষা ইউনিয়নের বড়বিশাকোল এলাকায় এ নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত হয়। ঐতিহ্যবাহী এ প্রতিযোগিতা দেখতে নদীর দুই পাড়ে ভিড় করেন বিভিন্ন বয়সী দর্শনার্থী। নৌকার ছুটে চলা, বৈঠার ছন্দ আর দর্শকদের উচ্ছ্বাসে পুরো এলাকা পরিণত হয় উৎসবের জনপদে।

নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নূর মুজাহিদ স্বপন, আহ্বায়ক, ভাঙ্গুড়া উপজেলা বিএনপি, পাবনা। প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন প্রভাষক জাফর ইকবাল হিরোক, সদস্য সচিব, ভাঙ্গুড়া উপজেলা বিএনপি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মো. কামাল উদ্দিন (বিশা), সভাপতি, ২ নম্বর ওয়ার্ড অষ্টমনিষা ইউনিয়ন বিএনপি, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। নৌকা বাইচ আয়োজনের সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন মো. কামরুজ্জামান রিপন, চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী, অষ্টমনিষা ইউনিয়ন বিএনপি।

প্রতিযোগিতার আয়োজন করে ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি এবং অষ্টমনিষা ইউনিয়ন বিএনপির সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন।

এবারের নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় মোট আটটি গ্রুপ অংশগ্রহণ করে। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াই শেষে প্রথম স্থান অর্জন করেন মো. আব্দুল মতিন গ্রুপ এবং দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন মো. হযরত আলী গ্রুপ।

প্রতিযোগিতা শেষে প্রথম ও দ্বিতীয় স্থান অধিকারী দুই গ্রুপকে পুরস্কার হিসেবে ২৪ ইঞ্চি এলইডি টিভি মনিটর উপহার দেওয়া হয়। এছাড়া অংশগ্রহণকারী অন্যান্য গ্রুপকে উৎসাহিত করতে সান্ত্বনা পুরস্কার হিসেবে অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন দেওয়া হয়।

নৌকা বাইচকে কেন্দ্র করে বড়বিশাকোলসহ আশপাশের এলাকায় ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়। নদীর দুই তীরে নারী, পুরুষ, শিশু ও বিভিন্ন বয়সী মানুষের উপস্থিতিতে উৎসবমুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া নৌকাগুলোর তীব্র গতির লড়াই ও বৈঠার ছন্দ উপভোগ করেন দর্শনার্থীরা।

জনপ্রিয় সংবাদ
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা

হিমছড়ি ঢালায় ডাকাতির ঘটনায় তদন্তে অগ্রগতি, গ্রেপ্তার এক

ভাঙ্গুড়ার বড়বিশাকোলে নৌকা বাইচ, লড়াই শেষে প্রথম আব্দুল মতিন গ্রুপ

আপডেট সময় ০৭:৪২:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১০৮

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে নৌকা বাইচ ফাইনাল প্রতিযোগিতা-২০২৬। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টায় উপজেলার অষ্টমনিষা ইউনিয়নের বড়বিশাকোল এলাকায় এ নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত হয়। ঐতিহ্যবাহী এ প্রতিযোগিতা দেখতে নদীর দুই পাড়ে ভিড় করেন বিভিন্ন বয়সী দর্শনার্থী। নৌকার ছুটে চলা, বৈঠার ছন্দ আর দর্শকদের উচ্ছ্বাসে পুরো এলাকা পরিণত হয় উৎসবের জনপদে।

নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নূর মুজাহিদ স্বপন, আহ্বায়ক, ভাঙ্গুড়া উপজেলা বিএনপি, পাবনা। প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন প্রভাষক জাফর ইকবাল হিরোক, সদস্য সচিব, ভাঙ্গুড়া উপজেলা বিএনপি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মো. কামাল উদ্দিন (বিশা), সভাপতি, ২ নম্বর ওয়ার্ড অষ্টমনিষা ইউনিয়ন বিএনপি, ভাঙ্গুড়া, পাবনা। নৌকা বাইচ আয়োজনের সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন মো. কামরুজ্জামান রিপন, চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী, অষ্টমনিষা ইউনিয়ন বিএনপি।

প্রতিযোগিতার আয়োজন করে ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি এবং অষ্টমনিষা ইউনিয়ন বিএনপির সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন।

এবারের নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় মোট আটটি গ্রুপ অংশগ্রহণ করে। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াই শেষে প্রথম স্থান অর্জন করেন মো. আব্দুল মতিন গ্রুপ এবং দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন মো. হযরত আলী গ্রুপ।

প্রতিযোগিতা শেষে প্রথম ও দ্বিতীয় স্থান অধিকারী দুই গ্রুপকে পুরস্কার হিসেবে ২৪ ইঞ্চি এলইডি টিভি মনিটর উপহার দেওয়া হয়। এছাড়া অংশগ্রহণকারী অন্যান্য গ্রুপকে উৎসাহিত করতে সান্ত্বনা পুরস্কার হিসেবে অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন দেওয়া হয়।

নৌকা বাইচকে কেন্দ্র করে বড়বিশাকোলসহ আশপাশের এলাকায় ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়। নদীর দুই তীরে নারী, পুরুষ, শিশু ও বিভিন্ন বয়সী মানুষের উপস্থিতিতে উৎসবমুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া নৌকাগুলোর তীব্র গতির লড়াই ও বৈঠার ছন্দ উপভোগ করেন দর্শনার্থীরা।