, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
কাউনিয়ায় দুর্গোৎসব উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীর সাথে বিএনপির মতবিনিময় সভা মাদক সমাজ ও রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ অন্ধকার করে দিচ্ছে: এমপি জাহান্দার আলী জাহান। টেকনাফে কালবের নির্বাচনে ছয়জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ইসলামপুরে সার ব্যবসায়ী হত্যা: বিচার ও ফাঁসির দাবি, গ্রেপ্তার ২ এপিবিএনের অভিযানে উদ্ধার নিখোঁজ তিন রোহিঙ্গা কিশোর স্বামী হত্যার অভিযোগে স্ত্রী আটক চৌদ্দগ্রাম দত্তসার রহমানীয়া মাদ্রাসার বার্ষিক মাহফিলের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হোয়াইক্যং চেকপোস্টে যৌথ বাহিনীর অভিযানে আটক ১২ সাবেক চেয়ারম্যান বাবুর ১৬তম শাহাদাত বার্ষিকী: বড়াইগ্রামে স্মরণসভা ভাঙ্গুড়া-চাটমোহর-ফরিদপুরের সাংবাদিকদের সঙ্গে এমপি রুমার মতবিনিময় সভা

চাউলের পুষ্টি মেশানো নিয়ে অনিয়ম ; চিলমারীতে খাদ্য বান্ধব কর্মসূচি ভেস্তে যেতে বসেছে

৫৬

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে চাউলের পুষ্টি মেশানো নিয়ে অনিয়ম হওয়ায় কাজে আসছে না খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির চাল। ডিলার পয়েন্ট থেকে চাউল যাচ্ছে কালোবাজারির হাতে ।

অনুসন্ধানে জানা যায়, খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির চাউল ডিলার পয়েন্ট গুলোর মাধ্যমে কালো বাজারীদের হাতে চলে যাওয়ার ফলে সরকারের মহৎ উদ্দেশ্য ভেস্তে যেতে বসেছে। উপজেলার বিভিন্ন ডিলার পয়েন্টে খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির পুষ্টি সমৃদ্ধ চাল বিতরণের উদ্যেগ গ্রহণ করা হলেও ডিলার পয়েন্ট গুলোতে সুবিধা ভোগীরা চাল উত্তোলন না করেই কম মূল্যে বিক্রি করে যাচ্ছেন। এর কারন হিসেবে সুবিধা ভোগীরা জানান, চাউল মোটা ও নিম্নমানের হওয়ায় রান্না হওয়া ভাতে গন্ধ অনুভুত হয়। এসব চাউলে কি ধরনের পুষ্টি আছে তা নিয়ে সুবিধাভোগিরা সন্ধিহান হয়ে পড়েছেন। ফলে তারা চাউলের পরিবর্তে টাকা নিতেই আগ্রহী। এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে সকল চাউল ডিলাররা সুবিধাভোগীর বরাদ্দকৃত চাউল কম দামে ক্রয় করেন। সুবিধাভোগীদের কার্ডের এ চাউল গুলো ডিলারগন ট্রাক বা ট্রলি ভর্তি করে পাঠিয়ে দিচ্ছে কালো বাজারীদের হাতে। কোন কোন সময় উক্ত চাউল ব্যবসায়ীগন ক্রয় করে স্থানীয় সরকারী গোডাউনে বিক্রয় করার অভিযোগ পাওয়া যায়।
সরকারী উদ্যোগে কমদামে সুবিধাভোগীদের মাঝে পুষ্টি সমৃদ্ধ চাউল বিতরনের মহৎ উদ্যোগ নানাবিধ কারনে প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য ভেস্তে যেতে বসেছে।

গত ১৩/০৯/২০২৬ ইং, রবিবার সকালে শরীফেরহাট এম.এস ডিলার পয়েন্ট থেকে চাউল ভর্তি একটি ট্রলি কালোবাজারীদের হাতে চলে যাওয়ার মূহুর্তে এলাকা বাসি ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
ট্রলি ভর্তি চাউল অন্যত্র যাওয়ায় প্রকল্পের মুল্য উদ্দেশ্য নিয়ে সচেতন মহলের মনে প্রশ্ন জেগেছে , তাহলে ঐ চাল যদি সুবিধা ভোগীরা না খায় তবে এর পেছনে সরকারের এতগুলো টাকা খরচ করার দরকার কী ?
এ ব্যাপারে উপজেলা খদ্য নিয়ন্ত্রক এনামুল হক জানান, শারীফেরহাট এম.এস ডিলার পয়েন্টে মাটিকাটা ডাওইটারী এলাকার রফিক ট্রেডার্সের ৫০ বস্তা চাউল ভূল বসত রাখা হয়েছিল। সে চাউলের বস্তা গুলোই ট্রলিতে করে রফিক ট্রেডার্সে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

অনুসন্ধ্যানে আরো জানা যায়, ডিলার পয়েন্টগুলোতে উপকার ভোগীদের বিক্রিকৃত চাউল ডিলারগণ ও পুষ্ঠি ঠিকাদারের যোগসাজসে পূনঃরায় রাজাহাট পুষ্টি মেশানো ঠিকাদারের গোডাউনে চলে যায়। পরবর্তী মাসে উক্ত চাউলের বস্তা গুলোই পূনঃরায় ডিলার পয়েন্ট গুলোতে পাঠানো হয় বলে অসমর্থিত সূত্রেমতে জানা যায়। সতেচন মহলের দাবি ট্রলিতে প্রায় ২৫০/৩০০ বস্তা চাল ছিল। এক সঙ্গে এতগুলো চাল কালো বাজারীদের হাতে যাওয়ায় সচেতন মহল তদন্ত পূর্বক যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহনে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সূ-দৃষ্টি কামনা করছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা

কাউনিয়ায় দুর্গোৎসব উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীর সাথে বিএনপির মতবিনিময় সভা

চাউলের পুষ্টি মেশানো নিয়ে অনিয়ম ; চিলমারীতে খাদ্য বান্ধব কর্মসূচি ভেস্তে যেতে বসেছে

আপডেট সময় ০৮:২৭:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৫৬

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে চাউলের পুষ্টি মেশানো নিয়ে অনিয়ম হওয়ায় কাজে আসছে না খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির চাল। ডিলার পয়েন্ট থেকে চাউল যাচ্ছে কালোবাজারির হাতে ।

অনুসন্ধানে জানা যায়, খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির চাউল ডিলার পয়েন্ট গুলোর মাধ্যমে কালো বাজারীদের হাতে চলে যাওয়ার ফলে সরকারের মহৎ উদ্দেশ্য ভেস্তে যেতে বসেছে। উপজেলার বিভিন্ন ডিলার পয়েন্টে খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির পুষ্টি সমৃদ্ধ চাল বিতরণের উদ্যেগ গ্রহণ করা হলেও ডিলার পয়েন্ট গুলোতে সুবিধা ভোগীরা চাল উত্তোলন না করেই কম মূল্যে বিক্রি করে যাচ্ছেন। এর কারন হিসেবে সুবিধা ভোগীরা জানান, চাউল মোটা ও নিম্নমানের হওয়ায় রান্না হওয়া ভাতে গন্ধ অনুভুত হয়। এসব চাউলে কি ধরনের পুষ্টি আছে তা নিয়ে সুবিধাভোগিরা সন্ধিহান হয়ে পড়েছেন। ফলে তারা চাউলের পরিবর্তে টাকা নিতেই আগ্রহী। এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে সকল চাউল ডিলাররা সুবিধাভোগীর বরাদ্দকৃত চাউল কম দামে ক্রয় করেন। সুবিধাভোগীদের কার্ডের এ চাউল গুলো ডিলারগন ট্রাক বা ট্রলি ভর্তি করে পাঠিয়ে দিচ্ছে কালো বাজারীদের হাতে। কোন কোন সময় উক্ত চাউল ব্যবসায়ীগন ক্রয় করে স্থানীয় সরকারী গোডাউনে বিক্রয় করার অভিযোগ পাওয়া যায়।
সরকারী উদ্যোগে কমদামে সুবিধাভোগীদের মাঝে পুষ্টি সমৃদ্ধ চাউল বিতরনের মহৎ উদ্যোগ নানাবিধ কারনে প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য ভেস্তে যেতে বসেছে।

গত ১৩/০৯/২০২৬ ইং, রবিবার সকালে শরীফেরহাট এম.এস ডিলার পয়েন্ট থেকে চাউল ভর্তি একটি ট্রলি কালোবাজারীদের হাতে চলে যাওয়ার মূহুর্তে এলাকা বাসি ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
ট্রলি ভর্তি চাউল অন্যত্র যাওয়ায় প্রকল্পের মুল্য উদ্দেশ্য নিয়ে সচেতন মহলের মনে প্রশ্ন জেগেছে , তাহলে ঐ চাল যদি সুবিধা ভোগীরা না খায় তবে এর পেছনে সরকারের এতগুলো টাকা খরচ করার দরকার কী ?
এ ব্যাপারে উপজেলা খদ্য নিয়ন্ত্রক এনামুল হক জানান, শারীফেরহাট এম.এস ডিলার পয়েন্টে মাটিকাটা ডাওইটারী এলাকার রফিক ট্রেডার্সের ৫০ বস্তা চাউল ভূল বসত রাখা হয়েছিল। সে চাউলের বস্তা গুলোই ট্রলিতে করে রফিক ট্রেডার্সে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

অনুসন্ধ্যানে আরো জানা যায়, ডিলার পয়েন্টগুলোতে উপকার ভোগীদের বিক্রিকৃত চাউল ডিলারগণ ও পুষ্ঠি ঠিকাদারের যোগসাজসে পূনঃরায় রাজাহাট পুষ্টি মেশানো ঠিকাদারের গোডাউনে চলে যায়। পরবর্তী মাসে উক্ত চাউলের বস্তা গুলোই পূনঃরায় ডিলার পয়েন্ট গুলোতে পাঠানো হয় বলে অসমর্থিত সূত্রেমতে জানা যায়। সতেচন মহলের দাবি ট্রলিতে প্রায় ২৫০/৩০০ বস্তা চাল ছিল। এক সঙ্গে এতগুলো চাল কালো বাজারীদের হাতে যাওয়ায় সচেতন মহল তদন্ত পূর্বক যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহনে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সূ-দৃষ্টি কামনা করছেন।