, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
মাগুরা শ্রীপুরে স্বাক্ষর জা-ল ও মিথ্যা মা-ম-লার প্রতিবাদে শিমু খাতুনের সংবাদ সম্মেলন রাজশাহী প্রেসক্লাবের সভাপতি প্রবীণ সাংবাদিক সাইদুর রহমান আর নেই রাবি শিক্ষার্থীর ওপর হা-ম-লার অভিযোগে রেল স্টেশনে ভা-ঙ-চু-র, যাত্রীদের মালামাল লুটের অভিযোগ কাউনিয়া উপজেলা হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত বকশীগঞ্জে অবৈধভাবে পাচারকালে ১৫ বস্তা সার জব্দ বড়লেখায় বোনের বাড়িতে বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে প্রাণ গেল তরুণে টেকনাফে নাফ নদী থেকে ১৪ হাজার ইয়াবা জব্দ কক্সবাজারে হত্যা মামলার পলাতক আসামি গ্রেপ্তার বাকৃবিতে মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রামের সমাপনী, সনদ পেলেন ১০৮ শিক্ষার্থী মিয়ানমারের পাচার কালে বিপুল পরিমান সিমেন্ট জব্দ করেন কোস্ট গার্ড

মাগুরা শ্রীপুরে স্বাক্ষর জা-ল ও মিথ্যা মা-ম-লার প্রতিবাদে শিমু খাতুনের সংবাদ সম্মেলন

মাগুরা শ্রীপুরে স্বাক্ষর জা-ল ও মিথ্যা মা-ম-লার প্রতিবাদে শিমু খাতুনের সংবাদ সম্মেলন

মাগুরা শ্রীপুরে স্বাক্ষর জাল ও মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে শিমু খাতুনের সংবাদ সম্মেলন

গচ্ছিত রাখা ব্যাংকের চেক ও স্ট্যাম্পের আমানত খেয়ানত, স্বাক্ষর জালিয়াতি এবং মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা দায়েরের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলার দারিয়াপুর ইউনিয়নের মহেশপুর গ্রামের বাসিন্দা শিমু খাতুন।

​আজ শনিবার দুপুরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী শিমু খাতুন অভিযোগ করেন, প্রতিবেশী ও নিকটাত্মীয় নাজমা বেগম তাঁর গচ্ছিত রাখা চেকের পাতা ও স্ট্যাম্প আত্মসাৎ করে পর্যায়ক্রমে অন্য পাওনাদার এবং শিমু খাতুনের নিজের নামেই সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভুয়া মামলা ঠুকে দিয়েছেন।

​সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে শিমু খাতুন (স্বামী: কামান মৃধা, গ্রাম: মহেশপুর) বলেন, ২০২৪ সালে তিনি হাফিজার নামে এক ব্যক্তির কাছে পাওনা টাকা বাবদ ৩টি ব্যাংকের চেক এবং ১০০ টাকা মূল্যের ৩টি নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প জামানত হিসেবে গ্রহণ করেন। পাওনা টাকা ও জামানতের এই কাগজপত্রগুলো তিনি দীর্ঘদিনের আত্মিক সম্পর্ক ও সরল বিশ্বাসে প্রতিবেশী নাজমা বেগমের কাছে আমানত হিসেবে গচ্ছিত রাখেন।

​পরবর্তীতে দীর্ঘদিন পার হলেও হাফিজার টাকা ফেরত না দিয়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। উপায় না পেয়ে গত ২-৩ মাস আগে শিমু খাতুন নাজমার কাছ থেকে তাঁর জামানতের একটি চেক এনে ব্যাংকে ডিজঅনার করান এবং হাফিজারের নামে আইনানুগ মামলা দায়ের করেন।

​শিমু খাতুন অভিযোগ করে বলেন, “আমার মামলা দায়েরের পর নাজমা বেগম অসাধু উদ্দেশ্যে আমার গচ্ছিত রাখা আমানতের খেয়ানত করেন। তিনি আমার অজান্তে বাকি থাকা চেকের পাতা ও স্ট্যাম্প ব্যবহার করে প্রথমে হাফিজারের বিরুদ্ধে নিজে একটি চেক ডিজঅনারের মামলা দেন। এর কিছুদিন পর, আমার স্বাক্ষর জাল করে দেড়শ টাকার জালিয়াতিপূর্ণ স্ট্যাম্প বানিয়ে আমার নামেও একটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও হয়রানিমূলক মামলা দায়ের করেন।”

​ভুক্তভোগী শিমু খাতুন স্পষ্ট জানান, নাজমার তৈরি করা কথিত স্ট্যাম্পে তাঁর কোনো মূল স্বাক্ষর বা সম্মতি নেই। সম্পূর্ণ জালিয়াতি ও প্রতারণার মাধ্যমে তাঁকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন ও আর্থিক ক্ষতির মুখে ফেলতে এই ষড়যন্ত্রমূলক মামলা করা হয়েছে।

​সংবাদ সম্মেলন থেকে শিমু খাতুন তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের করা ভুয়া মামলা দ্রুত প্রত্যাহার, গচ্ছিত আমানত খেয়ানতকারী ও জালিয়াত নাজমার বিরুদ্ধে সুষ্ঠু নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দৃষ্টান্তমূলক আইনি শাস্তির জন্য স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি বিনীত আকুল আবেদন জানান।

জনপ্রিয় সংবাদ
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা

মাগুরা শ্রীপুরে স্বাক্ষর জা-ল ও মিথ্যা মা-ম-লার প্রতিবাদে শিমু খাতুনের সংবাদ সম্মেলন

মাগুরা শ্রীপুরে স্বাক্ষর জা-ল ও মিথ্যা মা-ম-লার প্রতিবাদে শিমু খাতুনের সংবাদ সম্মেলন

আপডেট সময় ০৮:৪১:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মাগুরা শ্রীপুরে স্বাক্ষর জাল ও মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে শিমু খাতুনের সংবাদ সম্মেলন

গচ্ছিত রাখা ব্যাংকের চেক ও স্ট্যাম্পের আমানত খেয়ানত, স্বাক্ষর জালিয়াতি এবং মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা দায়েরের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলার দারিয়াপুর ইউনিয়নের মহেশপুর গ্রামের বাসিন্দা শিমু খাতুন।

​আজ শনিবার দুপুরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী শিমু খাতুন অভিযোগ করেন, প্রতিবেশী ও নিকটাত্মীয় নাজমা বেগম তাঁর গচ্ছিত রাখা চেকের পাতা ও স্ট্যাম্প আত্মসাৎ করে পর্যায়ক্রমে অন্য পাওনাদার এবং শিমু খাতুনের নিজের নামেই সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভুয়া মামলা ঠুকে দিয়েছেন।

​সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে শিমু খাতুন (স্বামী: কামান মৃধা, গ্রাম: মহেশপুর) বলেন, ২০২৪ সালে তিনি হাফিজার নামে এক ব্যক্তির কাছে পাওনা টাকা বাবদ ৩টি ব্যাংকের চেক এবং ১০০ টাকা মূল্যের ৩টি নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প জামানত হিসেবে গ্রহণ করেন। পাওনা টাকা ও জামানতের এই কাগজপত্রগুলো তিনি দীর্ঘদিনের আত্মিক সম্পর্ক ও সরল বিশ্বাসে প্রতিবেশী নাজমা বেগমের কাছে আমানত হিসেবে গচ্ছিত রাখেন।

​পরবর্তীতে দীর্ঘদিন পার হলেও হাফিজার টাকা ফেরত না দিয়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। উপায় না পেয়ে গত ২-৩ মাস আগে শিমু খাতুন নাজমার কাছ থেকে তাঁর জামানতের একটি চেক এনে ব্যাংকে ডিজঅনার করান এবং হাফিজারের নামে আইনানুগ মামলা দায়ের করেন।

​শিমু খাতুন অভিযোগ করে বলেন, “আমার মামলা দায়েরের পর নাজমা বেগম অসাধু উদ্দেশ্যে আমার গচ্ছিত রাখা আমানতের খেয়ানত করেন। তিনি আমার অজান্তে বাকি থাকা চেকের পাতা ও স্ট্যাম্প ব্যবহার করে প্রথমে হাফিজারের বিরুদ্ধে নিজে একটি চেক ডিজঅনারের মামলা দেন। এর কিছুদিন পর, আমার স্বাক্ষর জাল করে দেড়শ টাকার জালিয়াতিপূর্ণ স্ট্যাম্প বানিয়ে আমার নামেও একটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও হয়রানিমূলক মামলা দায়ের করেন।”

​ভুক্তভোগী শিমু খাতুন স্পষ্ট জানান, নাজমার তৈরি করা কথিত স্ট্যাম্পে তাঁর কোনো মূল স্বাক্ষর বা সম্মতি নেই। সম্পূর্ণ জালিয়াতি ও প্রতারণার মাধ্যমে তাঁকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন ও আর্থিক ক্ষতির মুখে ফেলতে এই ষড়যন্ত্রমূলক মামলা করা হয়েছে।

​সংবাদ সম্মেলন থেকে শিমু খাতুন তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের করা ভুয়া মামলা দ্রুত প্রত্যাহার, গচ্ছিত আমানত খেয়ানতকারী ও জালিয়াত নাজমার বিরুদ্ধে সুষ্ঠু নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দৃষ্টান্তমূলক আইনি শাস্তির জন্য স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি বিনীত আকুল আবেদন জানান।