, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
গত ১৭ বছর বেশি দুর্নীতি হয়েছে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে: শামা ওবায়েদ ভাঙ্গুড়ায় পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে বিএনপি কর্মীকে ছু-রিকা-ঘাত মুক্তাগাছায় উদ্ধার বিদেশি রি-ভল-বার ও দেশীয় অ-স্ত্র: র‍্যাব-১৪-এর অভিযান গভীর রাতে রাসেল সাংবাদিকের আয়োজনে জমজমাট মজলিস, গানে-আবেগে মাতোয়ারা চর দৌলতদিয়ার মানুষ শাহজাদপুরে নারী উদ্যোক্তা মেলা ২০২৬-এর বর্ণাঢ্য উদ্বোধন: স্বাবলম্বী হওয়ার ডাক পিরোজপুর বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত সীমান্তে পা রাখার আগেই পঞ্চগড়ে আটক ৪ রোহিঙ্গা, পেছনে মানবপাচার চক্রের ইঙ্গিত বিএনপির উন্নয়ন ও জনকল্যাণের বার্তা ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে হবে: প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ মাগুরা শ্রীপুরে ১০ দিনব্যাপী সফট স্কিলস প্রশিক্ষণের শুভ উদ্বোধন ভাঙ্গুড়ায় ইসলামী ব্যাংকের নতুন এটিএম বুথ উদ্বোধন

গভীর রাতে রাসেল সাংবাদিকের আয়োজনে জমজমাট মজলিস, গানে-আবেগে মাতোয়ারা চর দৌলতদিয়ার মানুষ

  • Avatar photo রাসেল মোল্লা
  • আপডেট সময় ১০:৫০:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • 6

গভীর রাতে রাসেল সাংবাদিকের আয়োজনে জমজমাট মজলিস, গানে-আবেগে মাতোয়ারা চর দৌলতদিয়ার মানুষ

১২

গভীর রাত। চারপাশ যখন নীরবতায় ঢাকা, ঠিক তখনই মজলিসের গানের সুরে মুখর হয়ে উঠল চর দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ওয়ার্ডের তমিজদ্দিন মৃধার পাড়া। জামতলা এলাকার তালেব মোল্লার চায়ের দোকানকে ঘিরে জমে ওঠে প্রাণের মজলিস। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের উপস্থিতিও বাড়তে থাকে। একপর্যায়ে শত শত মানুষের মিলনমেলায় পরিণত হয় পুরো এলাকা।

মজলিসের গানে কখনো আনন্দ, কখনো বেদনা, আবার কখনো স্বজন হারানোর কষ্টে আবেগঘন হয়ে ওঠে পরিবেশ। মজলিসের আসর মাতিয়ে তোলেন বিল্লাল মোল্লা। ভাই হারানোর বেদনা, সন্তান হারানোর কষ্টসহ জীবনের নানা দুঃখ-বেদনার কথা গানের সুরে তুলে ধরে তিনি উপস্থিত মানুষের হৃদয় ছুঁয়ে যান। গানের সঙ্গে সঙ্গে অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। কারও চোখে পানি, আবার কেউ গানের তালে তালে মিশে যান আনন্দের উচ্ছ্বাসে।

অনুষ্ঠানের সার্বিক আয়োজন ও গানের কার্যক্রমে ছিলেন রাসেল সাংবাদিক, দৈনিক নয়া কন্ঠ পত্রিকা। তাঁর সার্বিক উদ্যোগে আয়োজিত এই মজলিসে সহযোগিতায় ছিলেন আরব মোল্লা (প্রবাসী) এবং ফরিদুল ইসলাম ফরিদ, সভাপতি, দৌলতদিয়া ইউনিয়ন অটো শ্রমিকদল ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার পদপ্রার্থী।

মজলিসে গান পরিবেশন করেন বারেক মোল্লার শিল্পী দল। পাশাপাশি স্থানীয় বিভিন্ন শিল্পী ও গায়ক দলও গান পরিবেশন করেন। তাঁদের পরিবেশনায় গভীর রাত পর্যন্ত জমে থাকে মজলিসের আসর।

এমন ব্যতিক্রমী আয়োজন নিয়ে এলাকার মানুষের মাঝেও দেখা গেছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। স্থানীয় কয়েকজন বলেন, “রাসেল সাংবাদিক হিসেবে তাঁর দায়িত্ববোধের জায়গা থেকে অল্প সময়ের মধ্যে এত সুন্দর একটি আয়োজন করেছেন—এমন আয়োজন আমরা আগে কখনো দেখিনি। পুরো এলাকার মানুষ আনন্দ পেয়েছে।”

অনুষ্ঠান ঘিরে স্থানীয়দের মুখে মুখে ছিল একই কথা—“এমন মজলিস আগে কখনো দেখিনি, আয়োজনটা ছিল অসাধারণ।”

জানা যায়, আয়োজনটি সফল করতে রাসেল সাংবাদিক নিজ উদ্যোগে উল্লেখযোগ্য অর্থ ব্যয় করেন। তবে অর্থ খরচকে বড় করে দেখছেন না তিনি। রাসেল সাংবাদিক বলেন, “টাকা-পয়সা বড় বিষয় নয়, মূল বিষয় হলো মানুষের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করা। মানুষকে নিয়ে আনন্দ করতে পারাটাই সবচেয়ে বড় পাওয়া। কেউ টাকা দিয়ে আনন্দ কিনতে পারে না; মানুষের ভালোবাসার মধ্যেই আসল আনন্দ।”

গভীর রাতের এই মজলিসে গান, হাসি, আবেগ আর ভালোবাসার মেলবন্ধনে যেন কিছু সময়ের জন্য ভুলে গিয়েছিল সবাই জীবনের ব্যস্ততা ও দুঃখ-কষ্ট। স্থানীয়দের মতে, এমন আয়োজন শুধু বিনোদন নয়—এটি মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক ও ভালোবাসার বন্ধন আরও দৃঢ় করে।

জনপ্রিয় সংবাদ
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা

গত ১৭ বছর বেশি দুর্নীতি হয়েছে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে: শামা ওবায়েদ

গভীর রাতে রাসেল সাংবাদিকের আয়োজনে জমজমাট মজলিস, গানে-আবেগে মাতোয়ারা চর দৌলতদিয়ার মানুষ

আপডেট সময় ১০:৫০:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১২

গভীর রাত। চারপাশ যখন নীরবতায় ঢাকা, ঠিক তখনই মজলিসের গানের সুরে মুখর হয়ে উঠল চর দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ওয়ার্ডের তমিজদ্দিন মৃধার পাড়া। জামতলা এলাকার তালেব মোল্লার চায়ের দোকানকে ঘিরে জমে ওঠে প্রাণের মজলিস। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের উপস্থিতিও বাড়তে থাকে। একপর্যায়ে শত শত মানুষের মিলনমেলায় পরিণত হয় পুরো এলাকা।

মজলিসের গানে কখনো আনন্দ, কখনো বেদনা, আবার কখনো স্বজন হারানোর কষ্টে আবেগঘন হয়ে ওঠে পরিবেশ। মজলিসের আসর মাতিয়ে তোলেন বিল্লাল মোল্লা। ভাই হারানোর বেদনা, সন্তান হারানোর কষ্টসহ জীবনের নানা দুঃখ-বেদনার কথা গানের সুরে তুলে ধরে তিনি উপস্থিত মানুষের হৃদয় ছুঁয়ে যান। গানের সঙ্গে সঙ্গে অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। কারও চোখে পানি, আবার কেউ গানের তালে তালে মিশে যান আনন্দের উচ্ছ্বাসে।

অনুষ্ঠানের সার্বিক আয়োজন ও গানের কার্যক্রমে ছিলেন রাসেল সাংবাদিক, দৈনিক নয়া কন্ঠ পত্রিকা। তাঁর সার্বিক উদ্যোগে আয়োজিত এই মজলিসে সহযোগিতায় ছিলেন আরব মোল্লা (প্রবাসী) এবং ফরিদুল ইসলাম ফরিদ, সভাপতি, দৌলতদিয়া ইউনিয়ন অটো শ্রমিকদল ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার পদপ্রার্থী।

মজলিসে গান পরিবেশন করেন বারেক মোল্লার শিল্পী দল। পাশাপাশি স্থানীয় বিভিন্ন শিল্পী ও গায়ক দলও গান পরিবেশন করেন। তাঁদের পরিবেশনায় গভীর রাত পর্যন্ত জমে থাকে মজলিসের আসর।

এমন ব্যতিক্রমী আয়োজন নিয়ে এলাকার মানুষের মাঝেও দেখা গেছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। স্থানীয় কয়েকজন বলেন, “রাসেল সাংবাদিক হিসেবে তাঁর দায়িত্ববোধের জায়গা থেকে অল্প সময়ের মধ্যে এত সুন্দর একটি আয়োজন করেছেন—এমন আয়োজন আমরা আগে কখনো দেখিনি। পুরো এলাকার মানুষ আনন্দ পেয়েছে।”

অনুষ্ঠান ঘিরে স্থানীয়দের মুখে মুখে ছিল একই কথা—“এমন মজলিস আগে কখনো দেখিনি, আয়োজনটা ছিল অসাধারণ।”

জানা যায়, আয়োজনটি সফল করতে রাসেল সাংবাদিক নিজ উদ্যোগে উল্লেখযোগ্য অর্থ ব্যয় করেন। তবে অর্থ খরচকে বড় করে দেখছেন না তিনি। রাসেল সাংবাদিক বলেন, “টাকা-পয়সা বড় বিষয় নয়, মূল বিষয় হলো মানুষের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করা। মানুষকে নিয়ে আনন্দ করতে পারাটাই সবচেয়ে বড় পাওয়া। কেউ টাকা দিয়ে আনন্দ কিনতে পারে না; মানুষের ভালোবাসার মধ্যেই আসল আনন্দ।”

গভীর রাতের এই মজলিসে গান, হাসি, আবেগ আর ভালোবাসার মেলবন্ধনে যেন কিছু সময়ের জন্য ভুলে গিয়েছিল সবাই জীবনের ব্যস্ততা ও দুঃখ-কষ্ট। স্থানীয়দের মতে, এমন আয়োজন শুধু বিনোদন নয়—এটি মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক ও ভালোবাসার বন্ধন আরও দৃঢ় করে।