, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজশাহী মহানগর বিএনপির কর্মসূচির উদ্বোধন ৯নং সুজানগর ইউনিয়নে আমবাড়ি বে-সরকারি ইস্কুলে উন্নয়নে এমপির ১ লক্ষ ২০ হাজার ৩৫০ টাকা বরাদ্দ নানান আয়োজনে পালিত হলো বড়লেখায় ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত ৬৪০ কৃষককে নিয়ে নিরাপদ বালাইনাশক ব্যবহারে বাকৃবির মাঠ কার্যক্রম কালুখালীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন শাহজাদপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ‘নজরুল বর্ষ’ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার শুভ উদ্বোধন কালুখালীতে বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে র‍্যালি বিধবা ভাতার অভিযোগ তদন্তে গিয়ে ‘মীমাংসার’ প্রস্তাব ইউনিয়ন সমাজকর্মীর বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে পঞ্চগড়ে মৎস্যজীবী দলের ব্যতিক্রমী আয়োজন, নদী-জলাশয়ে মাছের পোনা অবমুক্ত শেরপুরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা

পিরোজপুরে ২২০ কেজি হরিণের মাংসসহ গ্রেপ্তার ২

পিরোজপুরের নেছারাবাদে প্রায় ২২০ কেজি হরিণের মাংসসহ দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে নৌপুলিশ। সোমবার (৩১ আগস্ট) উপজেলার ভরতকাঠি বেলুয়ানদী এলাকায় থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় একটি কাঠের ট্রলার থেকে বিপুল পরিমাণ মাংসসহ তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার খাসতবক গ্রামের সুলতান হাওলাদারের ছেলে মো. খলিল (৪১) এবং একই উপজেলার তাফালবাড়িয়া গ্রামের চান মিয়া মাঝির ছেলে বাবুল ফরাজি (৪২)।

নেছারাবাদের দৈহারী নৌপুলিশ ফাঁড়ি ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার দুপুরে উপজেলার বেলুয়া নদীর ভরতকাঠি খেয়াঘাট এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়। এ সময় একটি কাঠের ট্রলারে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ২২০ কেজি হরিণের মাংস উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে মাংস পরিবহনের অভিযোগে খলিল ও বাবুল ফরাজিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে বরগুনার পাথরঘাটা এলাকা থেকে বিভিন্ন নৌপথে নেছারাবাদে অবৈধভাবে হরিণের মাংস নিয়ে আসা হচ্ছিল। কাঠবোঝাই, গোলপাতাবোঝাই এমনকি মাছ ধরার ট্রলারে করে এসব মাংস পরিবহন করা হয় বলে স্থানীয়রা জানান। পরবর্তীতে নেছারাবাদের বিভিন্ন স্থানে থাকা চোরাকারবারিদের হাতে এসব মাংস পৌঁছে দেওয়া হতো।

স্থানীয় অধিবাসীদের অভিযোগ, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন সময়ের অভিযানে হরিণের মাংস কারবারের সঙ্গে জড়িত কয়েকজন আটক হলেও পুরোপুরি বন্ধ হয়নি এই অবৈধ বাণিজ্য। উপরন্তু চোরাই পথে আনা এসব মাংসের একটি অংশ দীর্ঘ সময় ধরে সংরক্ষণ করায় তা পচে যায় এবং সেই পচা মাংসই বাজারে বিক্রি করা হয়। এমনকি মাঝে মাঝে হরিণের মাংসের সঙ্গে শিয়ালের মাংস মিশিয়ে গোপনে ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করারও অভিযোগ রয়েছে।

নেছারাবাদ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মেহেদী হাসান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায় এবং একটি মাছ ধরার ট্রলার থেকে ২২০ কেজি হরিণের মাংসসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করতে সক্ষম হয়। এ বিষয়ে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে এবং আগামীকাল তাদের আদালতে প্রেরণ করা হবে বলেও তিনি জানান।

জনপ্রিয় সংবাদ
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা

বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজশাহী মহানগর বিএনপির কর্মসূচির উদ্বোধন

পিরোজপুরে ২২০ কেজি হরিণের মাংসসহ গ্রেপ্তার ২

আপডেট সময় ০৬:০৬:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পিরোজপুরের নেছারাবাদে প্রায় ২২০ কেজি হরিণের মাংসসহ দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে নৌপুলিশ। সোমবার (৩১ আগস্ট) উপজেলার ভরতকাঠি বেলুয়ানদী এলাকায় থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় একটি কাঠের ট্রলার থেকে বিপুল পরিমাণ মাংসসহ তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার খাসতবক গ্রামের সুলতান হাওলাদারের ছেলে মো. খলিল (৪১) এবং একই উপজেলার তাফালবাড়িয়া গ্রামের চান মিয়া মাঝির ছেলে বাবুল ফরাজি (৪২)।

নেছারাবাদের দৈহারী নৌপুলিশ ফাঁড়ি ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার দুপুরে উপজেলার বেলুয়া নদীর ভরতকাঠি খেয়াঘাট এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়। এ সময় একটি কাঠের ট্রলারে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ২২০ কেজি হরিণের মাংস উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে মাংস পরিবহনের অভিযোগে খলিল ও বাবুল ফরাজিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে বরগুনার পাথরঘাটা এলাকা থেকে বিভিন্ন নৌপথে নেছারাবাদে অবৈধভাবে হরিণের মাংস নিয়ে আসা হচ্ছিল। কাঠবোঝাই, গোলপাতাবোঝাই এমনকি মাছ ধরার ট্রলারে করে এসব মাংস পরিবহন করা হয় বলে স্থানীয়রা জানান। পরবর্তীতে নেছারাবাদের বিভিন্ন স্থানে থাকা চোরাকারবারিদের হাতে এসব মাংস পৌঁছে দেওয়া হতো।

স্থানীয় অধিবাসীদের অভিযোগ, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন সময়ের অভিযানে হরিণের মাংস কারবারের সঙ্গে জড়িত কয়েকজন আটক হলেও পুরোপুরি বন্ধ হয়নি এই অবৈধ বাণিজ্য। উপরন্তু চোরাই পথে আনা এসব মাংসের একটি অংশ দীর্ঘ সময় ধরে সংরক্ষণ করায় তা পচে যায় এবং সেই পচা মাংসই বাজারে বিক্রি করা হয়। এমনকি মাঝে মাঝে হরিণের মাংসের সঙ্গে শিয়ালের মাংস মিশিয়ে গোপনে ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করারও অভিযোগ রয়েছে।

নেছারাবাদ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মেহেদী হাসান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায় এবং একটি মাছ ধরার ট্রলার থেকে ২২০ কেজি হরিণের মাংসসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করতে সক্ষম হয়। এ বিষয়ে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে এবং আগামীকাল তাদের আদালতে প্রেরণ করা হবে বলেও তিনি জানান।