, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
শিরোইল বাস টার্মিনাল পরিদর্শনে আরডিএ চেয়ারম্যান, আধুনিক টার্মিনাল নির্মাণের আশ্বাস রাজশাহীতে অনিয়মের জেরে কৃষি কর্মকর্তা বদলী সারের খোঁজে দ্বারে দ্বারে কৃষক লালপুরে স্যালোচালিত গাড়ির ধাক্কায় ইজিবাইক চালক নি-হত, চালক আটক কাউনিয়ায় অবৈধ রিং জালের বিরুদ্ধে অভিযান, জব্দের পর বিনষ্ট কাউনিয়ায় সোনালী আঁশে সোনালী স্বপ্ন কৃষকের কাউনিয়ায় সারাই ইউনিয়নে ১ হাজার ৮০০ বৃক্ষচারা রোপণ ১০০ বছর পর জমি ফেরত পেলেন লালমাইয়ের ওয়ারিশরা পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া ৬৭ নং সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে অ-বৈধ ট্রাক পার্কিং নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির প্রতি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন বাকৃবি উপাচার্যের ফুলবাড়িয়ায় নাবালককে ডেকে নিয়ে নেশাজাতীয় দ্রব্য গ্রহণে বাধ্য করার চেষ্টা

ফুলবাড়িয়ায় নাবালককে ডেকে নিয়ে নেশাজাতীয় দ্রব্য গ্রহণে বাধ্য করার চেষ্টা

ফুলবাড়িয়ায় নাবালককে ডেকে নিয়ে নেশাজাতীয় দ্রব্য গ্রহণে বাধ্য করার চেষ্টা,

১২
ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় ১১ বছর বয়সি এক শিশুকে জোরপূর্বক নেশাজাতীয় দ্রব্য পান করানো এবং পরবর্তীতে স্বজনদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী একদল ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর বাবা মো. আমিনুদ্দিন বাদী হয়ে ফুলবাড়িয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
ঘটনাটি ঘটে গত ২২ আগস্ট (২০২৬) আনুমানিক বিকেল ৩টায় ফুলবাড়িয়া থানাধীন ৫ নম্বর দেওখোলা ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর (উত্তর পাড়া পশ্চিম বাড়ি) গ্রামের একটি ফার্মের ভেতরে।
অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, দেওখোলা ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর গ্রামের একটি ফার্মের ভেতর শিশু মো. জুবায়ের হোসেনকে (১১) ডেকে নিয়ে যায় অভিযুক্তরা। সেখানে তাকে জোরপূর্বক নেশাজাতীয় দ্রব্য পান করানো হয়। পরে শিশুটি অসুস্থ হয়ে ফার্মের সামনে পড়ে থাকলে তার বাবা তাকে উদ্ধার করে বাড়ি নিয়ে যান।
অভিযোগকারী মো. আমিনুদ্দিনের দাবি, অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী এবং তারা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবন করে আসছে। পাশাপাশি কোমলমতি শিশুদেরও নেশায় প্ররোচিত ও অভ্যস্ত করার চেষ্টা চালায় চক্রটি।
ঘটনার পর এ বিষয়ে প্রতিবাদ জানালে অভিযুক্তদের সঙ্গে বিরোধের সৃষ্টি হয় এবং ভুক্তভোগী পরিবারকে বিভিন্ন ধরনের ভয়-ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করা হয়। পরবর্তীতে আমিনুদ্দিন তার ছোট ভাইকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে গেলে অভিযুক্তরা তাদের ওপর চড়াও হয় এবং মারধর করে।
প্রাথমিকভাবে বিষয়টি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানিয়ে সমাধানের চেষ্টা করা হলেও কোনো সুরাহা না হওয়ায় পরবর্তীতে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগী বাবা। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক আইনি শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীর পরিবার ও এলাকাবাসী।
জনপ্রিয় সংবাদ
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা

শিরোইল বাস টার্মিনাল পরিদর্শনে আরডিএ চেয়ারম্যান, আধুনিক টার্মিনাল নির্মাণের আশ্বাস

ফুলবাড়িয়ায় নাবালককে ডেকে নিয়ে নেশাজাতীয় দ্রব্য গ্রহণে বাধ্য করার চেষ্টা

আপডেট সময় ০৫:০৬:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬
১২
ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় ১১ বছর বয়সি এক শিশুকে জোরপূর্বক নেশাজাতীয় দ্রব্য পান করানো এবং পরবর্তীতে স্বজনদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী একদল ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর বাবা মো. আমিনুদ্দিন বাদী হয়ে ফুলবাড়িয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
ঘটনাটি ঘটে গত ২২ আগস্ট (২০২৬) আনুমানিক বিকেল ৩টায় ফুলবাড়িয়া থানাধীন ৫ নম্বর দেওখোলা ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর (উত্তর পাড়া পশ্চিম বাড়ি) গ্রামের একটি ফার্মের ভেতরে।
অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, দেওখোলা ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর গ্রামের একটি ফার্মের ভেতর শিশু মো. জুবায়ের হোসেনকে (১১) ডেকে নিয়ে যায় অভিযুক্তরা। সেখানে তাকে জোরপূর্বক নেশাজাতীয় দ্রব্য পান করানো হয়। পরে শিশুটি অসুস্থ হয়ে ফার্মের সামনে পড়ে থাকলে তার বাবা তাকে উদ্ধার করে বাড়ি নিয়ে যান।
অভিযোগকারী মো. আমিনুদ্দিনের দাবি, অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী এবং তারা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবন করে আসছে। পাশাপাশি কোমলমতি শিশুদেরও নেশায় প্ররোচিত ও অভ্যস্ত করার চেষ্টা চালায় চক্রটি।
ঘটনার পর এ বিষয়ে প্রতিবাদ জানালে অভিযুক্তদের সঙ্গে বিরোধের সৃষ্টি হয় এবং ভুক্তভোগী পরিবারকে বিভিন্ন ধরনের ভয়-ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করা হয়। পরবর্তীতে আমিনুদ্দিন তার ছোট ভাইকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে গেলে অভিযুক্তরা তাদের ওপর চড়াও হয় এবং মারধর করে।
প্রাথমিকভাবে বিষয়টি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানিয়ে সমাধানের চেষ্টা করা হলেও কোনো সুরাহা না হওয়ায় পরবর্তীতে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগী বাবা। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক আইনি শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীর পরিবার ও এলাকাবাসী।