, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পিরোজপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের ইমার্জেন্সি ও অবজারভেশন ওয়ার্ডের কার্যক্রম শুরু রাজশাহীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে শুরু হলো ‘জেলাপ্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬’ ঐতিহাসিক স্মারকের পুনঃস্থাপন ও উন্মোচন রা-ম-দা হাতে সড়ক অবরোধ—মানসিক স্বাস্থ্য ও জননিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন পিরোজপুর নেছারাবাদে ৯ পিস ই-য়া-বাসহ মা-দক কারবারি রাজু গ্রে-ফ-তার গোপালগঞ্জে নি-ষি-দ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল, আইনের আওতাই ৬জন রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেওয়ায় শূন্য ঠাকূরগাঁও-১ আসন, উপ-নির্বাচনে প্রস্তুতি ​নাটোর গুরুদাসপুরে শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষক ও প্রশাসনের মতবিনিময় সভা দৈনিক লাল সবুজের দেশ পত্রিকার সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি হলেন আবুল কালাম মল্লিক টুঙ্গিপাড়ায় সুস্থ ও সুন্দর সমাজ গঠনে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা

কাশিয়ানীতে সরকারি পুকুরপাড়ের ১১ গাছ বিক্রির অভিযোগ

কাশিয়ানীতে সরকারি পুকুরপাড়ের ১১ গাছ বিক্রির অভিযোগ

১৫

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার ফুকরা ইউনিয়নে সরকারি খাস পুকুরপাড়ের মূল্যবান ১১টি গাছ অনুমতি ছাড়া বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। গাছ কাটতে গিয়ে স্থানীয়দের বাধার মুখে পড়ার পর ঘটনাস্থলে গিয়ে সাতটি কাটা গাছ জব্দ করেছে ভূমি অফিস।

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার তারাইল বড় মাঠ সংলগ্ন সরকারি খাস পুকুরপাড়ে। এ ঘটনায় একই গ্রামের মৃত জিন্নাত আলী মোল্যার ছেলে সোহেল মোল্যার বিরুদ্ধে গাছ বিক্রির অভিযোগ করা হয়েছে।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই পুকুরপাড়ে দেবদারু, উড়িয়াম, কড়াই ও লাটিমসহ বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ১১টি গাছ ছিল। অভিযোগ রয়েছে, সরকারি অনুমোদন ছাড়াই এসব গাছ ২৫ হাজার টাকায় রিপন শেখের কাছে বিক্রি করা হয়।

বুধবার সকালে রিপন শেখ কয়েকজন শ্রমিক নিয়ে গাছ কাটতে গেলে বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসে। পরে স্থানীয়রা গাছ কাটায় বাধা দিয়ে প্রশাসনকে খবর দেন। খবর পেয়ে ফুকরা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে গিয়ে ইতোমধ্যে কাটা সাতটি গাছ উদ্ধার করেন। অবশিষ্ট চারটি গাছ তখনও কাটা হয়নি।

অভিযোগের বিষয়ে সোহেল মোল্যা বলেন, তিনি পুকুরটি লিজ নিয়েছেন। তাঁর দাবি, পুকুরপাড় পরিষ্কার করে সেখানে নতুন করে গাছ লাগানোর কথা রয়েছে। তবে তিনি গাছ বিক্রির অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, রিপন শেখ বড় গাছ কেটে ফেলেছেন।

অন্যদিকে গাছের ক্রেতা রিপন শেখ বলেন, সোহেল মোল্যার কাছ থেকেই তিনি ১১টি গাছ ২৫ হাজার টাকায় কিনেছেন। শ্রমিক নিয়ে গাছ কাটার সময় সাতটি গাছ কাটার পর ভূমি অফিসের কর্মকর্তা এসে কাজ বন্ধ করে দেন।

ফুকরা ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা নাজমুল হাসান জানান, সরকারি জায়গার গাছ অনুমতি ছাড়া কাটার সুযোগ নেই। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে সাতটি কাটা গাছ জব্দ করা হয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে।

কাশিয়ানী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শাহীন মিয়া জানান, বিষয়টি সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাঁকে অবহিত করেছেন। কাটা গাছগুলো জব্দের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা

পিরোজপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের ইমার্জেন্সি ও অবজারভেশন ওয়ার্ডের কার্যক্রম শুরু

কাশিয়ানীতে সরকারি পুকুরপাড়ের ১১ গাছ বিক্রির অভিযোগ

আপডেট সময় ০৯:৪৩:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬
১৫

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার ফুকরা ইউনিয়নে সরকারি খাস পুকুরপাড়ের মূল্যবান ১১টি গাছ অনুমতি ছাড়া বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। গাছ কাটতে গিয়ে স্থানীয়দের বাধার মুখে পড়ার পর ঘটনাস্থলে গিয়ে সাতটি কাটা গাছ জব্দ করেছে ভূমি অফিস।

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার তারাইল বড় মাঠ সংলগ্ন সরকারি খাস পুকুরপাড়ে। এ ঘটনায় একই গ্রামের মৃত জিন্নাত আলী মোল্যার ছেলে সোহেল মোল্যার বিরুদ্ধে গাছ বিক্রির অভিযোগ করা হয়েছে।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই পুকুরপাড়ে দেবদারু, উড়িয়াম, কড়াই ও লাটিমসহ বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ১১টি গাছ ছিল। অভিযোগ রয়েছে, সরকারি অনুমোদন ছাড়াই এসব গাছ ২৫ হাজার টাকায় রিপন শেখের কাছে বিক্রি করা হয়।

বুধবার সকালে রিপন শেখ কয়েকজন শ্রমিক নিয়ে গাছ কাটতে গেলে বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসে। পরে স্থানীয়রা গাছ কাটায় বাধা দিয়ে প্রশাসনকে খবর দেন। খবর পেয়ে ফুকরা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে গিয়ে ইতোমধ্যে কাটা সাতটি গাছ উদ্ধার করেন। অবশিষ্ট চারটি গাছ তখনও কাটা হয়নি।

অভিযোগের বিষয়ে সোহেল মোল্যা বলেন, তিনি পুকুরটি লিজ নিয়েছেন। তাঁর দাবি, পুকুরপাড় পরিষ্কার করে সেখানে নতুন করে গাছ লাগানোর কথা রয়েছে। তবে তিনি গাছ বিক্রির অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, রিপন শেখ বড় গাছ কেটে ফেলেছেন।

অন্যদিকে গাছের ক্রেতা রিপন শেখ বলেন, সোহেল মোল্যার কাছ থেকেই তিনি ১১টি গাছ ২৫ হাজার টাকায় কিনেছেন। শ্রমিক নিয়ে গাছ কাটার সময় সাতটি গাছ কাটার পর ভূমি অফিসের কর্মকর্তা এসে কাজ বন্ধ করে দেন।

ফুকরা ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা নাজমুল হাসান জানান, সরকারি জায়গার গাছ অনুমতি ছাড়া কাটার সুযোগ নেই। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে সাতটি কাটা গাছ জব্দ করা হয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে।

কাশিয়ানী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শাহীন মিয়া জানান, বিষয়টি সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাঁকে অবহিত করেছেন। কাটা গাছগুলো জব্দের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।