নাটোরের লালপুর উপজেলায় ২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি), দাখিল ও ভোকেশনাল পরীক্ষার ফলাফলে বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটেছে। মাধ্যমিক (এসএসসি) পরীক্ষায় পাসের হার নেমে এসেছে মাত্র ৪৪.৭৬ শতাংশে।
এছাড়া উপজেলার দুটি দাখিল মাদ্রাসা থেকে অংশ নেওয়া কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি ফলে প্রতিষ্ঠান দুটি শতভাগ অকৃতকার্য (ফেল) হওয়ার লজ্জাজনক অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর লালপুর উপজেলা থেকে এসএসসি (সাধারণ) পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল মোট ২,৬০০ জন শিক্ষার্থী।
এর মধ্যে পাস করেছে ১,১৬৪ জন এবং অকৃতকার্য হয়েছে ১,৪৩৬ জন। এই বিভাগে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৪৮ জন পরীক্ষার্থী।
এসএসসি ভোকেশনাল শাখা থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৭০০ জন পরীক্ষার্থী। এর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ৩৬৩ জন এবং অকৃতকার্য হয়েছে ৩৩৭ জন। পাসের হার ৫১.৮৫ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ অর্জন করেছে ৯ জন শিক্ষার্থী।
এছাড়াও দাখিল পরীক্ষায় ৩৭৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে মাত্র ১৬১ জন, আর ফেল করেছে ২১৫ জন শিক্ষার্থী। এ শাখায় পাসের হার ৪২.৮১ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে মাত্র ৫ জন। এ বছরের ফলাফলে সবচেয়ে হতাশাজনক চিত্র ফুটে উঠেছে উপজেলার দুটি দাখিল মাদ্রাসায়।
প্রতিষ্ঠান দুটির কোনো শিক্ষার্থীই পাসের মুখ দেখতে পায়নি। এর মধ্যে মোহরকয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে ৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে ৩ জনই অকৃতকার্য হয়েছে।
অন্যদিকে, বিলমাড়ীয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ২ জন পরীক্ষার্থীর ২ জনই ফেল করেছে।
লালপুর থানায় একমাত্র এমপিও প্রত্যাশী পানসি পাড়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা, ১৯৫৭ সালে প্রতিষ্ঠিত এই মাদ্রাসাটি ইবতেদায়ী শাখা হইতে দাখিল ইস্তরে উন্নতি করণ ২০০১ সালে দাখিল স্বীকৃতি পাঠদান পরীক্ষার রেজাল্ট সবকিছু ঠিক থাকা সত্ত্বেও দাখিল ইস্তর দুই যুগ পেরিয়ে গেলেও এমপি হয়নি।
এই মাদ্রাসাটির সাড়ে ১৮বিঘা সম্পদ আছে,নিয়মিত কমিটি আছে, পাঠদানের অনুমোদন আছে, একাডেমিক স্বীকৃতি আছে,শিক্ষকরা নিয়মিত বিনা বেতনে পাঠ দান করাচ্ছেন। এই প্রতিষ্ঠানটি এমপিও ভুক্তি হইলে ২১ জন শিক্ষক -কর্মচারীদের রিজিকের ব্যবস্থা হবে।

























