, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ঈদগাহ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ভাঙ্গুড়ায় দফায় দফায় বসতবাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর, এলাকায় আতঙ্ক ভাঙ্গুড়ায় মাছোকাটা বিলে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু গোপালগঞ্জে নিখোঁজ গ্রীন ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার, তদন্তে পুলিশ শিবচরে গাছ কেটে মাটির নিচে গোড়া ঢাকার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ শাহজাহানপুরের ৫নং খরনা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী মোঃ ফজলুল হক উজ্জ্বল স্বপ্নের আধুনিক শিবচর গড়ার প্রত্যয়ে এনসিপির প্রার্থী ফেরদৌসের গণর‍্যালি নির্জন পুকুর পাড়ে অসহায় বৃদ্ধার একাকী বসবাস এ.এস.আই (নিরস্ত্র) নিয়োগে প্রথম দিনের কর্যক্রম স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন বড়ো দরগাহ হাইওয়ে পুলিশের জোরালো ভূমিকায় নিরাপদ সড়ক,স্বস্তিতে যাত্রীরা
নোটিশ :
দৈনিক আমরা পত্রিকার জন্য সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে। যোগাযোগঃ 01736-633859, 01715-145105, 01615-304076

ছাত্রলীগের কমিটিতে নাম দেখে হতবাগ মুন্না ও তার পরিবার

নিষিদ্ধ ঘোষিত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সদ্য ঘোষিত পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে নিজের নাম দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন আরিফুল ইসলাম মুন্না। তাকে না জানিয়ে কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে দাবি করে তিনি দ্রুত তার নাম প্রত্যাহারের অনুরোধ জানিয়েছেন। এ ঘটনায় তার পরিবারও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, আরিফুল ইসলাম মুন্না দীর্ঘদিন ধরে ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করছেন। তাদের দাবি, তিনি অতীতে ওয়ার্ড বা উপজেলা পর্যায়ের কোনো ছাত্রলীগ কমিটিতে ছিলেন না এবং কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন না। হঠাৎ জেলা কমিটিতে তার নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় পরিবার বিস্ময় প্রকাশ করেছে।

মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে মুন্না বলেন, “নাগেশ্বরীর বানিয়াপাড়া এলাকার আমার বড় ভাই আরিফুল ইসলাম আপেল আমাকে ছোট ভাইয়ের মতো স্নেহ করেন। হয়তো তার সূত্র ধরেই আমার নাম দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ছাত্রলীগের কয়েকজনের সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত বন্ধুত্ব ছিল। সম্ভবত সেই কারণেই আমার নাম কমিটিতে এসেছে। পদ-পদবী সম্পর্কে আগে থেকে আমার কোনো ধারণা ছিল না।”

তিনি আরও বলেন, “আমি সরাসরি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলাম না এবং ভবিষ্যতেও থাকতে চাই না। জেলা কমিটির নেতৃত্বের কাছে আমার অনুরোধ, অনুগ্রহ করে দ্রুত আমার নামটি প্রত্যাহার করা হোক।”

মুন্নার বাবা বলেন, “যখন আওয়ামী লীগের সুসময় ছিল, তখনও সে কোনো কমিটিতে ছিল না। এতে প্রমাণ হয়, সে সরাসরি রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল না।”

এ বিষয়ে জেলা ছাত্রলীগের একাধিক নেতার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন নেতা বলেন, মুন্না কখনোই সংগঠনের সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না। তাদের মতে, ওয়ার্ড বা উপজেলা কমিটিতে সদস্য না থাকা একজনকে সরাসরি জেলা কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে এবং বিষয়টি জেলা নেতৃত্বের পর্যালোচনা করা উচিত।

জনপ্রিয় সংবাদ
সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে

শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ঈদগাহ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

ছাত্রলীগের কমিটিতে নাম দেখে হতবাগ মুন্না ও তার পরিবার

আপডেট সময় ০৯:২২:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

নিষিদ্ধ ঘোষিত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সদ্য ঘোষিত পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে নিজের নাম দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন আরিফুল ইসলাম মুন্না। তাকে না জানিয়ে কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে দাবি করে তিনি দ্রুত তার নাম প্রত্যাহারের অনুরোধ জানিয়েছেন। এ ঘটনায় তার পরিবারও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, আরিফুল ইসলাম মুন্না দীর্ঘদিন ধরে ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করছেন। তাদের দাবি, তিনি অতীতে ওয়ার্ড বা উপজেলা পর্যায়ের কোনো ছাত্রলীগ কমিটিতে ছিলেন না এবং কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন না। হঠাৎ জেলা কমিটিতে তার নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় পরিবার বিস্ময় প্রকাশ করেছে।

মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে মুন্না বলেন, “নাগেশ্বরীর বানিয়াপাড়া এলাকার আমার বড় ভাই আরিফুল ইসলাম আপেল আমাকে ছোট ভাইয়ের মতো স্নেহ করেন। হয়তো তার সূত্র ধরেই আমার নাম দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ছাত্রলীগের কয়েকজনের সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত বন্ধুত্ব ছিল। সম্ভবত সেই কারণেই আমার নাম কমিটিতে এসেছে। পদ-পদবী সম্পর্কে আগে থেকে আমার কোনো ধারণা ছিল না।”

তিনি আরও বলেন, “আমি সরাসরি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলাম না এবং ভবিষ্যতেও থাকতে চাই না। জেলা কমিটির নেতৃত্বের কাছে আমার অনুরোধ, অনুগ্রহ করে দ্রুত আমার নামটি প্রত্যাহার করা হোক।”

মুন্নার বাবা বলেন, “যখন আওয়ামী লীগের সুসময় ছিল, তখনও সে কোনো কমিটিতে ছিল না। এতে প্রমাণ হয়, সে সরাসরি রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল না।”

এ বিষয়ে জেলা ছাত্রলীগের একাধিক নেতার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন নেতা বলেন, মুন্না কখনোই সংগঠনের সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না। তাদের মতে, ওয়ার্ড বা উপজেলা কমিটিতে সদস্য না থাকা একজনকে সরাসরি জেলা কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে এবং বিষয়টি জেলা নেতৃত্বের পর্যালোচনা করা উচিত।