, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বেলকুচিতে শারদীয় দুর্গাপূজা ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা বেলকুচিতে শারদীয় দুর্গাপূজা ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা ভাঙ্গুড়ায় আবাদি জমি ছেড়ে দেওয়ার কথা বলায় প্রবাসীর স্ত্রীকে পিটিয়ে জখম নারী সেজে অনলাইনে প্রেম’, পুরুষ হয়ে আরেক পুরুষকে বিয়ে করল প্রবাসী যুবক, ‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক’ পাচ্ছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৩ শিক্ষার্থী ‘বাংলাদেশ গার্লস প্রোগ্রামিং কনটেস্ট ২০২৬’ উপলক্ষে বাকৃবিতে সেমিনার বাকৃবিতে নিপীড়নবিরোধী দিবসে আবরার ফাহাদের স্মরণে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল মোহনপুরে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আনসার ও ভিডিপি‍‍`র বাছাই কার্যক্রম অনুষ্ঠিত ভুল চিকিৎসার সংবাদ করায় প্রসব বেদনা উঠলে সাংবাদিকদের কাছে যেতে বললেন নারী চিকিৎসক মুক্তিপণ না পেয়ে যুবকের পা ভাঙার অভিযোগ

শ্যামনগরের গাবুরায় অবৈধ নাইনটি উচ্ছেদ অভিযান

  • MD KAMRUL HASAN, NEWS EDITOR, DAINIK AMAR PATRIKA
  • আপডেট সময় ০৮:১৭:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬
  • 54

শ্যামনগরের গাবুরায় অবৈধ নাইনটি উচ্ছেদ অভিযান

৭১

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার ১২নং গাবুরা ইউনিয়নে মেঘা প্রকল্পের নবনির্মিত ভেড়িবাঁধ রক্ষা ও জনস্বার্থে এক বিশেষ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে বাঁধের ওপর মৎস্যঘের ব্যবসায়ীদের অবৈধভাবে স্থাপিত ক্ষতিকর ‘নাইনটি’ (লবণ পানি নিষ্কাশন ও উত্তোলনের পাইপ) অপসারণ করা হয়।

আজ ৭জুলাই গাবুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব জি. এম. মাছুদুল আলমের নেতৃত্বে এলাকার সুধীজন, মুরুব্বী ও স্থানীয় যুবসমাজকে সঙ্গে নিয়ে এই অপসারণ অভিযান শুরু হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপকূলীয় অঞ্চলের সুরক্ষায় সরকারের মেগা প্রকল্পের আওতায় নির্মিত টেকসই ভেড়িবাঁধের ওপর দিয়ে কিছু মৎস্যঘের মালিক অবৈধভাবে ‘নাইনটি’ পাইপ স্থাপন করে আসছিলেন। এর ফলে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই বাঁধটি চরম ঝুঁকিতে পড়েছিল। নদী ভাঙন ও পরিবেশ বিপর্যয়ের হাত থেকে এলাকাকে রক্ষা করতে এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

অভিযান চলাকালে ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব জি. এম. মাছুদুল আলম স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “আজ থেকে গাবুরা ইউনিয়নে আর কোনো অবৈধ ‘নাইনটি’ স্থাপন করতে দেওয়া হবে না। নদী, ভেড়িবাঁধ ও পরিবেশ রক্ষায় এবং জনস্বার্থে এ ধরনের অবৈধ স্থাপনার বিরুদ্ধে আমাদের এই অভিযান ভবিষ্যতেও ধারাবাহিকভাবে পরিচালিত হবে।

ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে সকল ঘের মালিক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রতি জোর অনুরোধ জানিয়ে বলা হয়েছে, ভেড়িবাঁধ বা জনস্বার্থবিরোধী কোনো স্থানে যেন কোনো ধরনের অবৈধ ‘নাইনটি’ স্থাপন করা না হয়। যাদের এখনও এ ধরনের অবৈধ পাইপ বা স্থাপনা রয়েছে, তাদের দ্রুত নিজ উদ্যোগে তা অপসারণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যথায় জনস্বার্থে প্রচলিত আইন অনুযায়ী অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। নদী, ভেড়িবাঁধ ও উপকূলীয় অঞ্চলের পরিবেশ রক্ষায় এলাকার সর্বস্তরের জনগণকে আইন মেনে চলার এবং এই অভিযানে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন ও ইউনিয়ন পরিষদ।

জনপ্রিয় সংবাদ
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা

বেলকুচিতে শারদীয় দুর্গাপূজা ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা

শ্যামনগরের গাবুরায় অবৈধ নাইনটি উচ্ছেদ অভিযান

আপডেট সময় ০৮:১৭:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬
৭১

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার ১২নং গাবুরা ইউনিয়নে মেঘা প্রকল্পের নবনির্মিত ভেড়িবাঁধ রক্ষা ও জনস্বার্থে এক বিশেষ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে বাঁধের ওপর মৎস্যঘের ব্যবসায়ীদের অবৈধভাবে স্থাপিত ক্ষতিকর ‘নাইনটি’ (লবণ পানি নিষ্কাশন ও উত্তোলনের পাইপ) অপসারণ করা হয়।

আজ ৭জুলাই গাবুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব জি. এম. মাছুদুল আলমের নেতৃত্বে এলাকার সুধীজন, মুরুব্বী ও স্থানীয় যুবসমাজকে সঙ্গে নিয়ে এই অপসারণ অভিযান শুরু হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপকূলীয় অঞ্চলের সুরক্ষায় সরকারের মেগা প্রকল্পের আওতায় নির্মিত টেকসই ভেড়িবাঁধের ওপর দিয়ে কিছু মৎস্যঘের মালিক অবৈধভাবে ‘নাইনটি’ পাইপ স্থাপন করে আসছিলেন। এর ফলে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই বাঁধটি চরম ঝুঁকিতে পড়েছিল। নদী ভাঙন ও পরিবেশ বিপর্যয়ের হাত থেকে এলাকাকে রক্ষা করতে এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

অভিযান চলাকালে ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব জি. এম. মাছুদুল আলম স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “আজ থেকে গাবুরা ইউনিয়নে আর কোনো অবৈধ ‘নাইনটি’ স্থাপন করতে দেওয়া হবে না। নদী, ভেড়িবাঁধ ও পরিবেশ রক্ষায় এবং জনস্বার্থে এ ধরনের অবৈধ স্থাপনার বিরুদ্ধে আমাদের এই অভিযান ভবিষ্যতেও ধারাবাহিকভাবে পরিচালিত হবে।

ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে সকল ঘের মালিক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রতি জোর অনুরোধ জানিয়ে বলা হয়েছে, ভেড়িবাঁধ বা জনস্বার্থবিরোধী কোনো স্থানে যেন কোনো ধরনের অবৈধ ‘নাইনটি’ স্থাপন করা না হয়। যাদের এখনও এ ধরনের অবৈধ পাইপ বা স্থাপনা রয়েছে, তাদের দ্রুত নিজ উদ্যোগে তা অপসারণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যথায় জনস্বার্থে প্রচলিত আইন অনুযায়ী অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। নদী, ভেড়িবাঁধ ও উপকূলীয় অঞ্চলের পরিবেশ রক্ষায় এলাকার সর্বস্তরের জনগণকে আইন মেনে চলার এবং এই অভিযানে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন ও ইউনিয়ন পরিষদ।