, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পিরোজপুরে মানব পা/চার মামলায় পাঁচ জনের দশ বছর করে কা/রা/দ/ণ্ড গোপালগঞ্জে ৩ কেজি গাঁ/জা/সহ চারজন আটক বকশীগঞ্জে কৃষককে হ/ত্যা/র চেষ্টা ও জমি দখলের প্রতিবাদে দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে জিআইজেড প্রতিনিধিদের সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সিরাজগঞ্জে সুজন হত্যা মামলায় দুইজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড মাগুরা শ্রীপুর দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৫: বাড়িঘরে ভাঙচুর ও লুটপাট মাগুরা শ্রীপুরে প্রবাসীর বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট, নিরাপত্তাহীনতায় বৃদ্ধ মা- বাবা টেপামধুপুর ইউনিয়নে কমিউনিটি ঝুঁকি মূল্যায়ন চিলমারীতে ৬৮ পিচ ইয়াবাসহ যুবক আটক কাউনিয়ায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬-এর সমাপনী অনুষ্ঠান

ঈদগাঁওতে চলছে স্মার্ট কৃষি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম

ঈদগাঁওতে চলছে স্মার্ট কৃষি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম

৩৮

কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলার ঈদগাঁও ইউনিয়নের ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডে স্মার্ট কৃষি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ২৫ জুলাই দিন ব্যাপী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে এ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। ঈদগাঁও ইউনিয়নের এক, দুই ও তিন নম্বর ওয়ার্ড ব্লকের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল নোমান জানান, এদিন ভূমিহীন /বর্গা চাষী ও বড় কৃষক মিলে প্রায় দেড়শ জনের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। ২৬ ও ২৮ জুলাই আংশিকভাবে এ কার্যক্রম আবারো অনুষ্ঠিত হবে ১ নম্বর ওয়ার্ডে।

বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে প্রদত্ত অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে এ কার্যক্রম বাস্তবায়িত হচ্ছে বলে জানান উপ-সহকারী এ কৃষি কর্মকর্তা।

এ কৃষি কর্মকর্তা আরো জানান, ঈদগাঁও ইউনিয়নে সাড়ে ১৪ শত কৃষকের তথ্য সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত আছে।

তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা (SAAO)  আব্দুল্লাহ আল নোমান, আবেদা নাসরিন তন্নী, বিপন বড়ুয়া, শাহেদ কায়ছার এবং আনোয়ারুল আজিম।

এদিকে আগামী ৪ আগস্ট তথ্য সংগ্রহের এ কার্যক্রম শেষ হবে বলে জানান ঈদগাঁও ইউনিয়নের ভোমরিয়া ঘোনা ব্লকের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা বিপন বড়ুয়া। তিনি এ পর্যন্ত প্রায় ৭ শতাধিক কৃষকের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন।

কৃষি কার্ডের মাধ্যমে প্রাপ্ত সুবিধাসমূহ:

কৃষি কার্ডধারীরা সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধা ও প্রণোদনা পেয়ে থাকবেন। উল্লেখযোগ্য হলো: ​সার, বীজ ও কৃষিজ যন্ত্রপাতি প্রাপ্তি, ​কৃষি ঋণ সুবিধা ও কৃষি বীমা সুবিধা, ​কৃষি বিষয়ক প্রশিক্ষণ ও নার্সারি বা সেচ সুবিধা, ​কৃষিপণ্য বিক্রয় সুবিধা ও রোগ-বালাই দমনে পরামর্শ প্রাপ্তি, ​কৃষি উপকরণ ও অন্যান্য সরকারি সহায়তা, কৃষি ক্ষেত্রে সরকারি ভর্তুকি এবং ন্যায্য মূল্যে সার প্রাপ্তি। সর্বোপরি এ কার্ড কৃষকদের জন্য সরকারি স্বীকৃতি হিসেবে গণ্য হবে বলে জানান কৃষি কর্মকর্তারা।

জনপ্রিয় সংবাদ
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা

পিরোজপুরে মানব পা/চার মামলায় পাঁচ জনের দশ বছর করে কা/রা/দ/ণ্ড

ঈদগাঁওতে চলছে স্মার্ট কৃষি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম

আপডেট সময় ১২:৩৫:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬
৩৮

কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলার ঈদগাঁও ইউনিয়নের ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডে স্মার্ট কৃষি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ২৫ জুলাই দিন ব্যাপী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে এ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। ঈদগাঁও ইউনিয়নের এক, দুই ও তিন নম্বর ওয়ার্ড ব্লকের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল নোমান জানান, এদিন ভূমিহীন /বর্গা চাষী ও বড় কৃষক মিলে প্রায় দেড়শ জনের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। ২৬ ও ২৮ জুলাই আংশিকভাবে এ কার্যক্রম আবারো অনুষ্ঠিত হবে ১ নম্বর ওয়ার্ডে।

বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে প্রদত্ত অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে এ কার্যক্রম বাস্তবায়িত হচ্ছে বলে জানান উপ-সহকারী এ কৃষি কর্মকর্তা।

এ কৃষি কর্মকর্তা আরো জানান, ঈদগাঁও ইউনিয়নে সাড়ে ১৪ শত কৃষকের তথ্য সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত আছে।

তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা (SAAO)  আব্দুল্লাহ আল নোমান, আবেদা নাসরিন তন্নী, বিপন বড়ুয়া, শাহেদ কায়ছার এবং আনোয়ারুল আজিম।

এদিকে আগামী ৪ আগস্ট তথ্য সংগ্রহের এ কার্যক্রম শেষ হবে বলে জানান ঈদগাঁও ইউনিয়নের ভোমরিয়া ঘোনা ব্লকের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা বিপন বড়ুয়া। তিনি এ পর্যন্ত প্রায় ৭ শতাধিক কৃষকের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন।

কৃষি কার্ডের মাধ্যমে প্রাপ্ত সুবিধাসমূহ:

কৃষি কার্ডধারীরা সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধা ও প্রণোদনা পেয়ে থাকবেন। উল্লেখযোগ্য হলো: ​সার, বীজ ও কৃষিজ যন্ত্রপাতি প্রাপ্তি, ​কৃষি ঋণ সুবিধা ও কৃষি বীমা সুবিধা, ​কৃষি বিষয়ক প্রশিক্ষণ ও নার্সারি বা সেচ সুবিধা, ​কৃষিপণ্য বিক্রয় সুবিধা ও রোগ-বালাই দমনে পরামর্শ প্রাপ্তি, ​কৃষি উপকরণ ও অন্যান্য সরকারি সহায়তা, কৃষি ক্ষেত্রে সরকারি ভর্তুকি এবং ন্যায্য মূল্যে সার প্রাপ্তি। সর্বোপরি এ কার্ড কৃষকদের জন্য সরকারি স্বীকৃতি হিসেবে গণ্য হবে বলে জানান কৃষি কর্মকর্তারা।